মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৮৭৪
- নামাযের অধ্যায়
১৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - রুকূ‘
৮৭৪। হযরত আবু হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, “ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বললে তোমরা বলবে, “আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ" অর্থাৎ হে আল্লাহ্! হে আমাদের প্রভু! তোমরই প্রশংসা নিশ্চয় যার কথা ফিরিশতাদের কথার অনুরূপ হবে তার পূর্বকৃত গুনাহসমূহ মাফ করা হবে। -বুখারী, মুসলিম
كتاب الصلاة
بَابُ الرُّكُوْعِ
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا قَالَ الْإِمَامُ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا: اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تقدم من ذَنبه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইমাম যখন রুকু থেকে উঠার সময় 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে, তখন ফিরিশতাকুল 'আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ' বলেন। এই হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইমামের পেছনের মুক্তাদীদের এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারাও যেন এই বাক্যটি বলে। তিনি আরো বলেন যার এই বাক্যটি ফিরিশতাগণের ন্যায় হবে তার পূববর্তী গুনাহ ক্ষমা করা হবে। তাদের অনুরূপ হওয়ার মর্ম হলো, আগে পরে না করে তাঁদের সাথে সাথে বলা।
মা'আরিফুল হাদীসের বিভিন্ন স্থানে আমি (গ্রন্থকার) একথা বার বার লিখেছি যে সব হাদীসে বিশেষ কোন কাজের বরকতে গুনাহ ক্ষমা করার সুসংবাদ শুনান হয়েছে তাতে মূলত: সাগীরা গুনাহ বুঝানো হয়েছে। কাবীরা গুনাহের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ্ সূত্রে জানা যায় যে, এ গুনাহ থেকে ক্ষমা পাবার পথ হলো তাওবা। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে আল্লাহর পূর্ণ ইখতিয়ার। তিনি নিজ দয়ায় যাকে ইচ্ছা তার বড় বড় গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
মা'আরিফুল হাদীসের বিভিন্ন স্থানে আমি (গ্রন্থকার) একথা বার বার লিখেছি যে সব হাদীসে বিশেষ কোন কাজের বরকতে গুনাহ ক্ষমা করার সুসংবাদ শুনান হয়েছে তাতে মূলত: সাগীরা গুনাহ বুঝানো হয়েছে। কাবীরা গুনাহের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ্ সূত্রে জানা যায় যে, এ গুনাহ থেকে ক্ষমা পাবার পথ হলো তাওবা। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে আল্লাহর পূর্ণ ইখতিয়ার। তিনি নিজ দয়ায় যাকে ইচ্ছা তার বড় বড় গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)