মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৫- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৯৩৩
- নামাযের অধ্যায়
১৬. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - নাবী (ﷺ)-এর ওপর দরূদ পাঠ ও তার মর্যাদা
৯৩৩। হযরত আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, সর্বাপেক্ষা বড় কৃপণ সে-ই, যার নিকট আমার নামোচ্চারণ করা হলে সে আমার উপর দরূদ পড়ে না। -তিরমিযী
কিন্তু ইমাম আহমদ ইহাকে হযরত হোসাইন ইবনে আলী (রাযিঃ) হতে রেওয়ায়াত করেছেন। তিরমিযী বলেছেন যে, এই হাদীস ছহীহ, গরীব।
كتاب الصلاة
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْبَخِيلُ الَّذِي ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَرَوَاهُ أَحْمَدُ عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا. وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এর মর্মকথা হচ্ছে, সাধারণত কৃপণ মনে করা হয়ে থাকে ঐ ব্যক্তিকে, যে তার ধন-সম্পদ ব্যয়ে কুণ্ঠিত থাকে বা কার্পণ্য করে; কিন্তু তার চাইতেও বড় কৃপণ এবং সবচাইতে বড় কৃপণ হচ্ছে ঐ ব্যক্তি, যার সম্মুখে আমার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো অথচ সে রসনা নাড়িয়ে দরূদের দু'টি কলিমা উচ্চারণেও কার্পণ্য করে অথচ তিনি উম্মতের জন্যে কী না করেছেন আর এ উম্মত তাঁর নিকট থেকে কী না পেয়েছে। সে সব চাওয়া পাওয়ার বিনিময়ে প্রত্যেকটি উম্মত যদি তাদের প্রাণ উৎসর্গ করে দেয়, তবুও তাঁর হক আদায় হবার নয়।
مرحبا آئے پيك مشتاقان بده پیغام دوست
تا کنم جان از سر رغبت فدائی نام دوست
হে আগ্রহীরদল! বন্ধুকে জানিয়ে দিও, যাতে সানন্দে বন্ধুর পক্ষে জীবন উৎসর্গ করতে পারি!
মুসলমানদের কোন বৈঠকই যেন আল্লাহর যিকর ও নবীর প্রতি দরূদ শূন্য না হয়
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান