মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২৬০
- নামাযের অধ্যায়
৩৫. প্রথম অনুচ্ছেদ - বিতরের সালাত
১২৬০। হযরত জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যাহার শেষ রাত্রিতে না উঠার আশংকা রহিয়াছে, সে যেন প্রথম রাত্রিতেই বিতির পড়ে এবং যাহার শেষ রাতে উঠার ভরসা আছে, সে যেন শেষ রাত্রিতেই বিতির পড়ে। কেননা, শেষ রাত্রির নামাযে ফেরেস্তাগণ হাযির হন। আর ইহাই হইল উত্তম। -মুসলিম
كتاب الصلاة
بَابُ الْوِتْرِ
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ خَافَ أَنْ لَا يَقُومَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ أَوَّلَهُ وَمَنْ طَمِعَ أَنْ يَقُومَ آخِرَهُ فَلْيُوتِرْ آخِرَ اللَّيْلِ فَإِنَّ صَلَاةَ آخِرِ اللَّيْلِ مَشْهُودَةٌ وَذَلِكَ أَفْضَلُ» . رَوَاهُ مُسلم
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উপরে বর্ণিত হাদীস দ্বারা সালাতুল বিতর সম্পর্কে এই সাধারণ বিধান জানা যায় যে, সালাতুল বিতর রাতের সকল সালাতের পরে আদায় করা উচিত এমন কি নফলেরও পরে। যার শেষ রাতে উঠার ব্যাপারে নিজের প্রতি আস্থা রয়েছে সে যেন প্রথম রাতে সালাতুল বিতর আদায় না করে বরং শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সাথে আদায় করে নেয়। আর যার নিজের উপর এই আস্থা নেই সে যেন প্রথম রাতেই তা আদায় করে নেয়। কিন্তু কোন কোন সাহাবীকে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করে প্রথম রাতে সালাতুল বিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। হযরত আবূ হুরায়রা (রা) ঐ সকল অবকাশ প্রাপ্তদের অন্যতম। সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিমে তাঁর বর্ণনা পাওয়া যায় নবী ﷺ আমাকে কতিপয় বিষয়ের উপদেশ দেন তন্মধ্যে একটি ছিল এই যে, "আমি যেন প্রথম রাতেই সালাতুল বিতর আদায় করে নেই"।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)