মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৬- জানাযা-কাফন-দাফনের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬৩৯
- জানাযা-কাফন-দাফনের অধ্যায়
৪. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - মাইয়্যিতের গোসল ও কাফন
১৬৩৯। হযরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ কাফনে বেশী দামী কাপড় ব্যবহার করিও না। কেননা, উহা অচিরেই নষ্ট হইয়া যাইবে। —আবু দাউদ
كتاب الجنائز
وَعَنْ عَلِيٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَغَالَوْا فِي الْكَفَنِ فَإِنَّهُ يُسْلَبُ سَلْبًا سَرِيعًا» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যেমন মৃতকে পুরাতন কাপড় দিয়ে কাফন পরানো উচিত নয় তেমনি বেশী দামী কাপড়ও কাফনরূপে ব্যবহার করা সমীচীন নয়। পুরুষের জন্য তিন এবং মহিলাদের জন্য পাঁচ মধ্যম মূল্যমানের কাপড় দ্বারা কাফন পরানো উচিত। তবে এ নিয়ম কেবল তখনই কার্যকর হবে যখন মৃতের পরিবারের লোকদের সামর্থ্য থাকবে। অন্যথায় অসমর্থ অবস্থায় একটি পুরাতন কাপড় দিয়েও কাফন পরানো যেতে পারে এবং এতে দোষেরও কিছু নেই।
উহুদ যুদ্ধে শহীদ নবী কারীম ﷺ-এর আপন চাচা হযরত হামযা (রা.)-এবং মুস'আব ইবনে উমায়র (রা.) কে এমন একটি করে কাপড় দিয়ে কাফন পরানো হয়েছিল যে, তা যদি মাথার দিকে টেনে দেওয়া হতো, তবে পা বেরিয়ে যেত আবার পায়ের দিকে টান দিলে মাথা বের হয়ে যেত। তারপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশক্রমে চাদর দ্বারা তাঁদের মাথা আবৃত করা হয় এবং ইযখির ঘাস দ্বারা পা ঢেকে দেওয়া হয় এবং এরূপ কাফন পরানোর পর তাঁদের দাফন করা হয়।
উহুদ যুদ্ধে শহীদ নবী কারীম ﷺ-এর আপন চাচা হযরত হামযা (রা.)-এবং মুস'আব ইবনে উমায়র (রা.) কে এমন একটি করে কাপড় দিয়ে কাফন পরানো হয়েছিল যে, তা যদি মাথার দিকে টেনে দেওয়া হতো, তবে পা বেরিয়ে যেত আবার পায়ের দিকে টান দিলে মাথা বের হয়ে যেত। তারপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশক্রমে চাদর দ্বারা তাঁদের মাথা আবৃত করা হয় এবং ইযখির ঘাস দ্বারা পা ঢেকে দেওয়া হয় এবং এরূপ কাফন পরানোর পর তাঁদের দাফন করা হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)