মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৮- রোযার অধ্যায়

হাদীস নং: ২০৫৮
- রোযার অধ্যায়
৬. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - নফল সিয়াম প্রসঙ্গে
২০৫৮। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) প্রত্যেক মাসের প্রথম দিকে তিন দিন রোযা রাখিতেন এবং জুমার দিনের রোযা খুব কমই ছাড়িতেন। —তিরমিযী ও নাসায়ী। আবু দাউদ ‘তিন দিন' শব্দ পর্যন্ত।
كتاب الصوم
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ مِنْ غُرَّةِ كُلِّ شَهْرٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَقَلَّمَا كَانَ يفْطر يَوْم الْجُمُعَةَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ إِلَى ثَلَاثَة أَيَّام

হাদীসের ব্যাখ্যা:

১. হযরত আবদুল্লাহ্ হয়তো কয়েকবার হুযূরকে মাসের প্রথমে রোযা রাখিতে দেখিয়াছিলেন বলিয়াই এইরূপ বলিতেছেন। অন্যথায় হুযূর মাসের যে কোন সময়ে রোযা রাখিতে দ্বিধাবোধ করিতেন না বলিয়া হযরত আয়েশার হাদীস হইতে জানা গিয়াছে।

২. এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, হুযুর (ﷺ) অধিকাংশ সময় শুক্রবারে রোযাদার থাকতেন; কিন্তু অন্যান্য হাদীস দ্বারা জানা যায় যে, তিনি এ বিষয় থেকে নিষেধ করতেন যে, জুমু'আর দিনের ফযীলত ও বৈশিষ্ট্যের কারণে মানুষ এমন করতে শুরু করবে যে, নফল রোযা শুক্রবারেই রাখবে, আর রাত্রি জাগরণ ও ইবাদতের জন্য শুক্রবারের রাতকেই নির্দিষ্ট করে নিবে।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান