মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১০- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
হাদীস নং: ২২৪৩
- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
২২৪৩। হযরত ইবনে আব্বাসের বর্ণনায় রহিয়াছে, হুযূর বলিয়াছেন, আল্লাহর নিকট মাগিবে তোমরা তোমাদের করের পেট দ্বারা এবং মাগিবে না তাঁহার নিকট উহার পিঠ দ্বারা, অতঃপর যখন তোমরা দো'আ শেষ করিবে, কর দ্বারা তোমাদের চেহারা মুছিবে। —আবু দাউদ
كتاب الدعوات
وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: «سَلُوا اللَّهَ بِبُطُونِ أَكُفِّكُمْ وَلَا تَسْأَلُوهُ بِظُهُورِهَا فَإِذَا فَرَغْتُمْ فامسحوا بهَا وُجُوهكُم» . رَوَاهُ دَاوُد
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. ‘চেহারা মুছিবে' – অর্থাৎ, তোমরা যেন আল্লাহর দান পাইয়াছ এবং তোমাদের শ্রেষ্ঠ অঙ্গে উহা রাখিতেছ।
২. অন্যান্য হাদীসে আছে যে, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন আগত বা আসন্ন সঙ্কট বা বালা-মুসীবত ঠেকানোর উদ্দেশ্যে আল্লাহ তা'আলার দরবারে দু'আ করতেন তখন হস্থদ্বয়ের পিছন দিক আসমানের দিকে থাকতো, আর যখন দুনিয়া ও আখিরাতের কোন কল্যাণের দু'আ করতেন তখন তিনি সিধা হাতে দু'আ করতেন যেমনটি কোন যাচ্ঞাকারীর হাত বাড়িয়ে দিয়ে দু'আ করা চাই। এর আলোকে হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রা) এর ঐ হাদীসের মর্মও এই যে, যখন আল্লাহর কাছে নিজের কোন কাঙ্খিত মঙ্গল প্রার্থনা করে দু'আ করা হবে, তখন তাঁর সম্মুখে ভিখারীর মত হাত পেতে সিধা হাতে দু'আ করতে হবে এবং সর্বশেষে সেই পাতা হাত দুটো নিজের মুখমণ্ডলে এ ধারণা বা কল্পনা করে মুছে নেবে যে, এ হাতগুলো আর শূন্য নেই। দয়াল প্রভু পরোয়ার দিগারের রহমত ও বরকতের কিছু না কিছু অবশ্যই এ হাতগুলোতে পড়েছে।
২. অন্যান্য হাদীসে আছে যে, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন আগত বা আসন্ন সঙ্কট বা বালা-মুসীবত ঠেকানোর উদ্দেশ্যে আল্লাহ তা'আলার দরবারে দু'আ করতেন তখন হস্থদ্বয়ের পিছন দিক আসমানের দিকে থাকতো, আর যখন দুনিয়া ও আখিরাতের কোন কল্যাণের দু'আ করতেন তখন তিনি সিধা হাতে দু'আ করতেন যেমনটি কোন যাচ্ঞাকারীর হাত বাড়িয়ে দিয়ে দু'আ করা চাই। এর আলোকে হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রা) এর ঐ হাদীসের মর্মও এই যে, যখন আল্লাহর কাছে নিজের কোন কাঙ্খিত মঙ্গল প্রার্থনা করে দু'আ করা হবে, তখন তাঁর সম্মুখে ভিখারীর মত হাত পেতে সিধা হাতে দু'আ করতে হবে এবং সর্বশেষে সেই পাতা হাত দুটো নিজের মুখমণ্ডলে এ ধারণা বা কল্পনা করে মুছে নেবে যে, এ হাতগুলো আর শূন্য নেই। দয়াল প্রভু পরোয়ার দিগারের রহমত ও বরকতের কিছু না কিছু অবশ্যই এ হাতগুলোতে পড়েছে।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)