মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১৪- বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩১১২
- বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - (বিবাহের প্রস্থাবিত) পাত্রী দেখা ও সতর (পর্দা) প্রসঙ্গে
৩১১২। হযরত জারহাদ ইবনে খুওয়াইলেদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) একদা আমাকে বলিলেনঃ জারহাদ, তুমি জান না যে, রাণ আবরণীয় অঙ্গ ? —তিরমিযী ও আবু দাউদ
كتاب النكاح
وَعَنْ جَرْهَدٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ الْفَخِذَ عَوْرَةٌ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মানুষের দেহের যে অংশগুলোকে সাধারণ পরিভাষায় লজ্জাস্থান বলা হয়, এগুলোর ব্যাপারে তো প্রত্যেক ব্যক্তি-এমনকি যারা আল্লাহ্ এবং কোন ধর্মকেও স্বীকার করে না- তারাও এটা বুঝে যে, এগুলো ঢেকে রাখা জরুরী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ বাণী দ্বারা জানা গেল যে, মনুষ্য দেহে কেবল লজ্জাস্থান ও এর নিকটবর্তী অংশই নয়; বরং রান (উরু) পর্যন্ত সতরের অন্তর্ভুক্ত, যা ঢেকে রাখা জরুরী। সতর সম্পর্কে এটা যেন পরিপূরক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা।
এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)