মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

২৬- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়

হাদীস নং: ৪৮৩৬
- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
১০. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - জিহ্বার হিফাযাত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে
৪৮৩৬। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি নীরব রহিয়াছে সে মুক্তি পাইয়াছে। —আহমদ, তিরমিযী, দারেমী ও বায়হাকী
كتاب الآداب
وَعَنْ عَبْدِ

اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «من صَمَتَ نَجَا» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالدَّارِمِيُّ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شعب الْإِيمَان

হাদীসের ব্যাখ্যা:

১. অর্থাৎ, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, মন্দ এবং খারাপ উক্তি হইতে বিরত থাকা। অন্য থায় ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ করা প্রত্যেক ঈমানদারের উপর ফরয।

২. যে চুপ থেকেছে সে নিজেকে অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে রক্ষা করেছে। চুপ থাকার অর্থ হল অশ্লীল, অন্যায় কথাবার্তা থেকে জিহবাকে হিফাযত করা। কারণ অন্যায় ও অসংযত কথাবার্তার জন্য বান্দা দোযখে নিক্ষিপ্ত হবে।

চুপ থাকার অর্থ সম্পূর্ণ নিরুত্তর থাকা নয়, বরং সংযত কাজে জিহ্বাকে ব্যবহার করা কর্তব্য। কোন কোন ক্ষেত্রে জিহ্বাকে ব্যবহার না করা গুনাহ। যেমন কোন সবল ব্যক্তি দুর্বল ব্যক্তির ওপর যুলম করছে। এ ক্ষেত্রে জিহবার দ্বারা যুলমের প্রতিবাদ করা কর্তব্য এবং তাতে বান্দা প্রচুর সওয়াব লাভ করবে। যদি প্রতিবাদ না করে বা যালিমের বিরুদ্ধে জিহ্বাকে ব্যবহার না করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান