মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২৬- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
হাদীস নং: ৫০৯৯
- আদাব - শিষ্টাচার অধ্যায়
১৯. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব
৫০৯৯। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিতেনঃ ইয়া আল্লাহ্! তুমি আমাকে উত্তম গঠনে সৃষ্টি করিয়াছ, অতএব, আমার স্বভাব- চরিত্রকেও উত্তম কর। – আহমদ
كتاب الآداب
وَعَنْ
عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ حسَّنَت خَلقي فأحسِنْ خُلقي» . رَوَاهُ أَحْمد
عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ حسَّنَت خَلقي فأحسِنْ خُلقي» . رَوَاهُ أَحْمد
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. নবী করীম (ﷺ) দৈহিক গড়নে-গঠনে সমস্ত মানবকুলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর ছিলেন। হযরত আলী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, “তাহার চাইতে সুন্দর আমি আগে বা পরে কাহাকেও দেখিতে পাই নাই।”
২. মানুষের প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানী। তিনি মানুষকে উত্তম অবয়ব ও গঠন প্রকৃতি দান করেছেন। দুনিয়ার অন্য কোন প্রাণীকে এরূপ সৌন্দর্য দান করেননি। তাই আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার প্রতি মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত এবং এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উত্তম উপায় হচ্ছে আখলাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। এ সৌন্দর্য হাসিল করার জন্য মানুষকে অধ্যবসায় করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের কখনো নিরাশ করেন না। তিনি তাদের দু'আ কবুল করেন।
এক্ষেত্রে একটা বিষয় প্রণিধানযোগ্য যে, আখলাক সম্পর্কিত বিভিন্ন হাদীস থেকে কেউ যেন এরূপ মনে না করেন, ইসলামে আখলাকের স্থান ঈমান ও অন্যান্য বুনিয়াদী বিষয়ের উর্ধ্বে। বস্তুত এই সব হাদীসের সাক্ষাত হোতা ছিলেন নবী করীম ﷺ-এর সাহাবায়ে কিরাম। আর তাঁরা জানতেন, ইসলামে ঈমান ও অন্যান্য বুনিয়াদী বিষয়ের স্থান সব কিছুর উর্ধ্বে। এ ছাড়া ইসলামের যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে আখলাকের স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। কারণ মানবতার কল্যাণ সাধনে আখলাক বা সদাচার ও সৎ চরিত্রের ভূমিকা সীমাহীন। আর ইহজীবনে মানবতার কল্যাণ সাধনই ইসলামের পরম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এ জন্যই উত্তম আখলাকের অধিকারী ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের নিকট সবচেয়ে প্রিয়।
২. মানুষের প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানী। তিনি মানুষকে উত্তম অবয়ব ও গঠন প্রকৃতি দান করেছেন। দুনিয়ার অন্য কোন প্রাণীকে এরূপ সৌন্দর্য দান করেননি। তাই আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার প্রতি মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত এবং এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উত্তম উপায় হচ্ছে আখলাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। এ সৌন্দর্য হাসিল করার জন্য মানুষকে অধ্যবসায় করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের কখনো নিরাশ করেন না। তিনি তাদের দু'আ কবুল করেন।
এক্ষেত্রে একটা বিষয় প্রণিধানযোগ্য যে, আখলাক সম্পর্কিত বিভিন্ন হাদীস থেকে কেউ যেন এরূপ মনে না করেন, ইসলামে আখলাকের স্থান ঈমান ও অন্যান্য বুনিয়াদী বিষয়ের উর্ধ্বে। বস্তুত এই সব হাদীসের সাক্ষাত হোতা ছিলেন নবী করীম ﷺ-এর সাহাবায়ে কিরাম। আর তাঁরা জানতেন, ইসলামে ঈমান ও অন্যান্য বুনিয়াদী বিষয়ের স্থান সব কিছুর উর্ধ্বে। এ ছাড়া ইসলামের যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে আখলাকের স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। কারণ মানবতার কল্যাণ সাধনে আখলাক বা সদাচার ও সৎ চরিত্রের ভূমিকা সীমাহীন। আর ইহজীবনে মানবতার কল্যাণ সাধনই ইসলামের পরম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এ জন্যই উত্তম আখলাকের অধিকারী ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের নিকট সবচেয়ে প্রিয়।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)