মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩০- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৮২৬
- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর স্বভাব-চরিত্রের বর্ণনা
৫৮২৬। হযরত জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) অধিক সময় নীরব থাকিতেন। —শরহে সুন্নাহ্
كتاب الفضائل والشمائل
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَوِيلَ الصَّمْتِ. رَوَاهُ فِي «شرح السّنة»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. উপরোক্ত হাদীস প্রমাণ করে যে, বাচালতা ও বেশি কথা বলার তুলনায় স্বল্পভাষিতা ও কম কথা বলা অধিকতর ভালো অভ্যাস। নীরবতা ও মৌনতার মধ্যেই বস্তুত ইহকাল ও পরকালের মুক্তি ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এ কারণেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস-সমূহে এ বিষয়ের যথেষ্ট আলোচনা বিদ্যমান। যেমন ইরশাদ হচ্ছে, যে ব্যক্তি চুপ থাকে সে মুক্তি পায়। কোন সন্দেহ নেই যে, বাচালতা ও অনর্থক কথা বলা মানুষের জন্য নানা রকম বিপদের কারণ হয়ে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসে এ ধরনের বদ অভ্যাসের অনেক নিন্দা করা হয়েছে।
২. মর্ম এই যে, হুযুর (ﷺ) শিক্ষা ও উপদেশদানের মত কোন প্রয়োজনেই কথা বলতেন। যদি কিছু বলার প্রয়োজন না হত, তাহলে তিনি চুপই থাকতেন। বুখারী ও মুসলিমে আছে, তিনি বলেছেন:
من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت.
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর বিশ্বাস ও ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, (যার উপর প্রতিদান ও সওয়াবের আশা করা যায়।) অথবা সে যেন চুপ থাকে। এটা ছিল হুযুর (ﷺ)-এর শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা এবং তিনি এর উপরই আমল করতেন। আল্লাহ আমাদেরকেও এর অনুসরণের তাওফীক দান করুন।
২. মর্ম এই যে, হুযুর (ﷺ) শিক্ষা ও উপদেশদানের মত কোন প্রয়োজনেই কথা বলতেন। যদি কিছু বলার প্রয়োজন না হত, তাহলে তিনি চুপই থাকতেন। বুখারী ও মুসলিমে আছে, তিনি বলেছেন:
من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت.
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর বিশ্বাস ও ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, (যার উপর প্রতিদান ও সওয়াবের আশা করা যায়।) অথবা সে যেন চুপ থাকে। এটা ছিল হুযুর (ﷺ)-এর শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা এবং তিনি এর উপরই আমল করতেন। আল্লাহ আমাদেরকেও এর অনুসরণের তাওফীক দান করুন।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)