মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩০- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৯৬৩
- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর ওফাতের পর সাহাবীদের মক্কাহ্ হতে হিজরত করা সম্পর্কে
৫৯৬৩। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর ওফাত হইল, তখন তাঁহার দাফনের ব্যাপারে সাহাবাদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল। তখন আবু বকর (রাঃ) বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হইতে এই ব্যাপারে একটি কথা শুনিয়াছি। তিনি বলিয়াছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা তাঁহার নবীকে যে স্থানে দাফন করা পছন্দ করেন, সেই স্থানে তাঁহার রূহ কবয করেন। অতএব, হুযূরকে তাঁহার বিশ্রামস্থলেই তোমরা দাফন কর। – তিরমিযী
كتاب الفضائل والشمائل
وَرُوِيَ صَحِيحا من وَجه آخر) وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اخْتَلَفُوا فِي دَفْنِهِ. فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا. قَالَ: «مَا قَبَضَ اللَّهُ نَبِيًّا إِلَّا فِي الْمَوْضِعِ الَّذِي يحبُ أَن يُدْفَنَ فِيهِ» . ادفنوه فِي موضعِ فراشِهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. নবী (ﷺ) বিবি আয়েশার হুজরায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করিয়াছিলেন। সুতরাং তাঁহাকে সেখানেই দাফন করা হয়। মসজিদে নববী সম্প্রসারণ হওয়ায় বর্তমানে রওযা শরীফ মসজিদের অভ্যন্তরে আসিয়া গিয়াছে।
২. হাদীসটির মর্ম এটাই যে, হুযুর (ﷺ)-এর ওফাতের পর এ ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিল যে, তাঁকে কোথায় দাফন করা হবে। হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ উল্লেখ করেছেন যে, কারো কারো মত ছিল যে, তাঁকে সম্মানিত নগরী মক্কায় নিয়ে দাফন করা হোক, কারো কারো অভিমত ছিল যে, মদীনাতেই জান্নাতুল বাকীতে দাফন করা হোক। এ সময় হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রাযি. বললেন, এ ব্যাপারে আমি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে একটি কথা শুনেছি। তিনি বলতেন যে, নবী-রাসূলদের সাথে আল্লাহ তা'আলার আচরণ এই চলে আসছে যে, তাঁদের মৃত্যু ঠিক ঐ স্থানে হয়, যেখানে তাঁর দাফন হওয়া ঐ পয়গাম্বর অথবা স্বয়ং আল্লাহ্ তা'আলার পছন্দ হয়। তাই হুযুর (ﷺ)-কে তাঁর ঐ বিছানার জায়গায় দাফন করা হোক, যার উপর তিনি ইন্তিকাল করেছেন। বস্তুতঃ এ অনুযায়ীই কাজ করা হল এবং হুযুর (ﷺ)-কে হযরত আয়েশা রাযি.-এর হুজরায় ঐ স্থানেই দাফন করা হল, যেখানে বিছানায় তিনি আরাম করতেন এবং যেখানে তিনি ওফাত পেয়েছেন। কতইনা ভাগ্যবান ঐ ভূখণ্ড, যা সাইয়্যেদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, মাহবুবু রাব্বিল আলামীনকে কিয়ামত পর্যন্ত সময়কালের জন্য নিজের বক্ষে ধারণ করে নিয়েছে। صلى الله عليه وبارك وسلم دائمًا أبدًا
২. হাদীসটির মর্ম এটাই যে, হুযুর (ﷺ)-এর ওফাতের পর এ ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিল যে, তাঁকে কোথায় দাফন করা হবে। হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ উল্লেখ করেছেন যে, কারো কারো মত ছিল যে, তাঁকে সম্মানিত নগরী মক্কায় নিয়ে দাফন করা হোক, কারো কারো অভিমত ছিল যে, মদীনাতেই জান্নাতুল বাকীতে দাফন করা হোক। এ সময় হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রাযি. বললেন, এ ব্যাপারে আমি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে একটি কথা শুনেছি। তিনি বলতেন যে, নবী-রাসূলদের সাথে আল্লাহ তা'আলার আচরণ এই চলে আসছে যে, তাঁদের মৃত্যু ঠিক ঐ স্থানে হয়, যেখানে তাঁর দাফন হওয়া ঐ পয়গাম্বর অথবা স্বয়ং আল্লাহ্ তা'আলার পছন্দ হয়। তাই হুযুর (ﷺ)-কে তাঁর ঐ বিছানার জায়গায় দাফন করা হোক, যার উপর তিনি ইন্তিকাল করেছেন। বস্তুতঃ এ অনুযায়ীই কাজ করা হল এবং হুযুর (ﷺ)-কে হযরত আয়েশা রাযি.-এর হুজরায় ঐ স্থানেই দাফন করা হল, যেখানে বিছানায় তিনি আরাম করতেন এবং যেখানে তিনি ওফাত পেয়েছেন। কতইনা ভাগ্যবান ঐ ভূখণ্ড, যা সাইয়্যেদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, মাহবুবু রাব্বিল আলামীনকে কিয়ামত পর্যন্ত সময়কালের জন্য নিজের বক্ষে ধারণ করে নিয়েছে। صلى الله عليه وبارك وسلم دائمًا أبدًا
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)