মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩১- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
হাদীস নং: ৬০৪৪
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - উমার ফারূক (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য
৬০৪৪। হযরত আলী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা ইহা অসম্ভব মনে করিতাম না যে, ফিরিশতা (আল্লাহর পক্ষ হইতে) হযরত ওমরের মুখে কথা বলিয়া থাকেন। —বায়হাকী দালায়েলুন নবুওত গ্রন্থে
كتاب المناقب
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: مَا كُنَّا نُبْعِدُ أَنَّ السَّكِينَةَ تَنْطِقُ عَلَى لِسَانِ عمر. رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي «دَلَائِل النُّبُوَّة»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত আলী রাযি.-এর এ বক্তব্যের মর্ম এই যে, হযরত উমর রাযি. যখন ভাষণ দিতেন অথবা কথা বলতেন, তখন মানুষের অন্তরে এক বিশেষ ধরনের প্রশান্তি ও স্থিতি সৃষ্টি হত। আমরা একথা অসম্ভব মনে করতাম না যে, তাঁর যবান ও বয়ানে এ বিশেষ প্রভাব আল্লাহ্ তা'আলা রেখে দিয়েছেন। যদি এ অর্থ গ্রহণ করা হয়, তাহলে হযরত আলী রাযি.-এর এ বক্তব্যে 'সাকীনা' দ্বারা উদ্দেশ্য খোদাপ্রদত্ত এ তাছীর ও প্রভাবই হবে। হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ লিখেছেন যে, 'সাকীনা' দ্বারা উদ্দেশ্য বিশেষ ফিরিশতাও হতে পারে। এ অবস্থায় হযরত আলী রাযি.-এর কথার অর্থ এই হবে যে, আমরা এটা অসম্ভব মনে করতাম না যে, হযরত উমর রাযি. যখন ভাষণ দিতেন অথবা কথা বলতেন, তখন তাঁর মুখে আল্লাহর এক বিশেষ ফিরিশতা কথা বলতেন- যার নাম অথবা উপাধি সাকীনা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)