মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩১- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
হাদীস নং: ৬০৪৭
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - উমার ফারূক (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য
৬০৪৭। হযরত উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলিয়াছেনঃ আমার পরে যদি কেহ নবী হইতেন, তাহা হইলে ওমর ইবনুল খাত্তাবই হইতেন। —তিরমিযী, আর তিনি বলিয়াছেন, হাদীসটি গরীব।
كتاب المناقب
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لوكان بَعْدِي نَبِيٌّ لَكَانَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ. وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মর্ম এই যে, আল্লাহ তা'আলা নবুওয়াতের ধারা আমার উপর খতম করে দিয়েছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত নবুওয়াতের দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। (যার ঘোষণা কুরআন পাকেও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।) যদি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত না দিয়ে দেওয়া হত এবং আমার পরেও নবুওয়াতের ধারা চালু থাকত, তাহলে উমর ইবনুল খাত্তাব স্বীয় আত্মিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এর উপযুক্ত ছিলেন যে, তাঁকে নবী বানিয়ে নেওয়া হত। এ হাদীসেও তাঁর ঐ বিশেষ গুণ ও অনন্য বৈশিষ্ট্যের দিকে ইশারা রয়েছে, যার উল্লেখ বিভিন্ন হাদীসে এসেছে, অর্থাৎ, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে তাঁর অন্তরে হক ও সত্যের উদয় এবং ইলহামের আধিক্য।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)