আল মুওয়াত্তা - ইমাম মালিক রহঃ

১৯. ইতিকাফের বর্ণনা

হাদীস নং: ৬৮৯
ইতিকাফের বর্ণনা
৬. লাইলাতুল কদর-এর বর্ণনা
রেওয়ায়ত ১০. উরওয়াহ ইবনে যুবায়র (রাহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ রমযানের শেষ দশদিনে তোমরা শবে-কদরের সন্ধান কর।
كتاب الاعتكاف
بَاب مَا جَاءَ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
وَحَدَّثَنِي زِيَاد عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীসটির মর্ম এই যে, শবে ক্বদর বেশীর ভাগ রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতসমূহের মধ্যে কোন এক রাতে হয়ে থাকে, অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯তম রাতে। শবে ক্বদর যদি এভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হত যে, এটা বিশেষ করে অমুক রাত, তাহলে অনেক মানুষ কেবল এ রাতেই ইবাদত-বন্দেগী করত। আল্লাহ্ তা'আলা এটাকে এমনভাবে অস্পষ্ট রেখেছেন যে, কুরআন মজীদে এক স্থানে বলা হয়েছে: কুরআন শবে ক্বদরে নাযিল হয়েছে। অন্যত্র বলা হয়েছে: কুরআন অবতরণ রমযান মাসে শুরু হয়েছে। এর দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া গেল যে, ঐ শবে ক্বদর রমযানের কোন রাত ছিল। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরো স্পষ্ট ইঙ্গিত দিতে গিয়ে বললেন: রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে এর অধিক সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঐ রাতগুলোর ব্যাপারে অধিক যত্নবান হওয়া চাই। এ বিষয়ের অনেক হাদীস হযরত আয়েশা ছাড়া অন্যান্য সাহাবীদের পক্ষ থেকেও বর্ণিত হয়েছে। আর কোন কোন সাহাবীর ধারণা ছিল যে, শবে ক্বদর সাধারণতঃ রমযানের সাতাশতম রাতই হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান