আল মুওয়াত্তা - ইমাম মালিক রহঃ
৫০. বদনজর সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭৫৫
বদনজর সংক্রান্ত অধ্যায়
৪. রোগের সময় তা’ইয বা ঝাড়ফুঁক করা প্রসঙ্গে
রেওয়ায়ত ১১. আমর বিনতে আব্দুর রহমান (রাযিঃ) বলেন, আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) আয়েশা (রাযিঃ)-এর নিকট গেলেন। তখন তিনি (আয়েশা) অসুস্থা ছিলেন এবং জনৈক ইহুদী মহিলা (কিছু) পাঠ করিয়া তাহার উপর দম করিতেছিলেন। আবু বকর (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর কিতাব পড়িয়া দম কর।*
كتاب العين
التَّعَوُّذِ وَالرُّقْيَةِ مِنْ الْمَرَضِ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ وَهِيَ تَشْتَكِي وَيَهُودِيَّةٌ تَرْقِيهَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ ارْقِيهَا بِكِتَابِ اللَّهِ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
*অত্র রেওয়ায়ত দ্বারা স্পষ্টভাবে বোঝা যাইতেছে যে, পবিত্র কুরআন ছাড়া অপরাপর আসমানী (ঐশী) কিতাব দ্বারাও ঝাড়ফঁক কিংবা তাবীয ইত্যদি করা জায়েয আছে। উলামায়ে আহলে সুন্নতের এই মত যে, তিনটি শর্ত সাপেক্ষে ঝাড়ফুঁক বা তাবীয গণ্ডা জায়েয আছে। যথা : (১), ঝাড়ফুঁকে আল্লাহর নাম কিংবা তাঁহার গুণবাচক নাম হইতে হইবে। (২) আরবী ভাষা হইতে হইবে কিংবা এমন ভাষা হইতে হইবে যাহা নিজে বলিতে সক্ষম হয় এবং উহাতে শরীয়ত বিরোধী কোন কথা না থাকে। (৩) বিশ্বাস থাকিতে হইবে যে, মন্ত্র বা তাবীয ইত্যাদি রোগ নিরাময়ের উসীলা মাত্র। ইহাতে রোগ নিবারণের কোন ক্ষমতা নাই। প্রকৃত রোগ নিরাময়কারী স্বয়ং আল্লাহ্।