শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
৫. রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৪৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৮২
রোযার অধ্যায়
নফল সিয়াম আরম্ভ করে ভেঙ্গে ফেলা
৩৪৭৫-৮২। রবীউল জীযী (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, একবার আমি ও হাফসা (রাযিঃ) ভোরে নফল সিয়াম অবস্থায় ছিলাম। তারপর আমাদের জন্য কিছু খাদ্যদ্রব্য হাদীয়া এলো। আমরা এতে সিয়াম ভঙ্গ করে ফেললাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট এলে আমরা তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন ঃ এর স্থলে অন্য কোন দিন সিয়াম কাযা পালন করে নিবে।
এতে প্রমাণ বহন করে যে নফল সিয়াম ভঙ্গ করলে কাযা ওয়াজিব হয়। বস্তুত এই হাদীসের অগ্রহণযোগ্যতার উপর প্রথমোক্ত মত পোষণকারীগণ যে প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন তা হলো এই যে, মূলত এই হাদীস উরওয়া (রাহঃ) সূত্রে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত নয়। আসলে হাদীসটি উরওয়া (রাহঃ) এর পূর্বের বর্ণনা কারীর উপর “মউকুফ’। আর তা হলো নিম্মোরূপঃ
ইউনুস (রাহঃ) ......... ইব্ন শিহাব (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) ও হাফসা (রাযিঃ) উভয়ে ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলেন। তারপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন । তাঁরা বলেছেনঃ এটাই হলো মূল হাদীস।
তাঁরা বলেন, এ সম্পর্কে ইমাম যুহরী (রাহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে,তিনি উরওয়া (রাহঃ) থেকে কিছু শুনেছেন ? তিনি বললেন ,না। তাঁরা নিম্মোক্ত সনদগুলো উল্লেখ করেছেন ঃ
ইব্ন আবী দাউদ (রাহঃ) ......... ইব্ন উয়ায়না (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, ইমাম যুহরী (রাহঃ) কে আয়িশা (রাযিঃ) এর হাদীস “আমি এবং হাফসা (রাযিঃ) ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলাম” সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, উরওয়া (রাহঃ) কি আপনাকে (হাদীসটি) বর্ণনা করেছেন ? তিনি বললেন ,না।
আলী ইব্ন শায়বা (রাহঃ) ইব্ন জুরায়জ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, একবার আমি ইব্ন শিহাব (ইমাম যুহরী) কে জিজ্ঞাসা করলাম “উরওয়া ইব্ন যুবাইর (রাহঃ) কি আয়িশা (রাযিঃ) সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে আপনাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি নফল সিয়াম রেখে ভঙ্গ করে ফেলে সে যেন তা কাযা করে নেয়”। তিনি বললেন, আমি এ বিষয়ে উরওয়া (রাহঃ) থেকে কিছু শুনিনি। কিন্তু সুলায়মান ইব্ন আব্দুল মালিক এর খিলাফতকালে আমাকে এ বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে।
আবু বাকরা (রাহঃ) রাওহ (রাহঃ) এর বরাতে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন এবং এটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন ঃ “কিন্তু সুলায়মান ইব্ন আব্দুল মালিক এর খিলাফতের যুগে আমাকে সেই সমস্ত লোকদের কতকে বর্ণনা করেছে, যারা আশেয়া (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তিনি বলেছেনঃ আমি এবং হাফসা (রাযিঃ) ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলাম। এর তিনি রবীউল জীযী (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
সুতরাং হাদীসটি সনদ গতভাবে সঠিক নয়। কারণ এর সনদে সেই বস্তুর (দুর্বলতার) অনুপ্রবেশ ঘটেছে যা আমরা (ইতিপূর্বে) উল্লেখ করেছি।
এ বিষয়ে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে উক্ত সনদ ব্যতীত অন্যভাবেও (নিম্মোক্তরূপ) বর্ণিত আছে ঃ
আহমদ ইব্ন আব্দুর রহমান (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনি রবীউল জীযী (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, হাফসা (রাযিঃ) বক্তব্যের ব্যাপারে আমার থেকে অগ্রণী ছিলেন (আর এরূপ কেনই বা হবে না) । তিনি ছিলেন বাপের বেটি (পিতা উমর ইবন খাত্তাব রা এর মত সাহসী )।
ইব্ন আবী ইমরান (রাহঃ) ......... ইব্ন ওয়াহব (রাহঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
বস্তুত প্রথমোক্ত মত পোষণকারী আলিমগণ এই হাদীসের অগ্রহণযোগ্যতার উপর প্রমাণ ও পেশ করেছেন যে, হাম্মাদ ইব্ন যায়দ (রাহঃ) এটিকে ইয়াহয়া ইব্ন সাঈদ থেকে “মউকুফ” হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন এবং এতে রাবী আমরার উল্লেখ নেই।
ইব্ন আবী ইমরান (রাহঃ) ......... আলী ইব্ন মাদিনী (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমাকে হাম্মাদ ইব্ন যায়দ (রাহঃ) বর্ণনা করেছেন। তিনি এটাকে ইয়াহয়া ইব্ন সাঈদ (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। অর্থাৎ রাবী আমরার উল্লেখ করেননি।
অতএব এটাই হলো মূল হাদীস। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে অন্য সনদেও বর্ণিত আছে, যা নিম্মরূপ ঃ
এতে প্রমাণ বহন করে যে নফল সিয়াম ভঙ্গ করলে কাযা ওয়াজিব হয়। বস্তুত এই হাদীসের অগ্রহণযোগ্যতার উপর প্রথমোক্ত মত পোষণকারীগণ যে প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন তা হলো এই যে, মূলত এই হাদীস উরওয়া (রাহঃ) সূত্রে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত নয়। আসলে হাদীসটি উরওয়া (রাহঃ) এর পূর্বের বর্ণনা কারীর উপর “মউকুফ’। আর তা হলো নিম্মোরূপঃ
ইউনুস (রাহঃ) ......... ইব্ন শিহাব (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) ও হাফসা (রাযিঃ) উভয়ে ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলেন। তারপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন । তাঁরা বলেছেনঃ এটাই হলো মূল হাদীস।
তাঁরা বলেন, এ সম্পর্কে ইমাম যুহরী (রাহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে,তিনি উরওয়া (রাহঃ) থেকে কিছু শুনেছেন ? তিনি বললেন ,না। তাঁরা নিম্মোক্ত সনদগুলো উল্লেখ করেছেন ঃ
ইব্ন আবী দাউদ (রাহঃ) ......... ইব্ন উয়ায়না (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, ইমাম যুহরী (রাহঃ) কে আয়িশা (রাযিঃ) এর হাদীস “আমি এবং হাফসা (রাযিঃ) ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলাম” সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, উরওয়া (রাহঃ) কি আপনাকে (হাদীসটি) বর্ণনা করেছেন ? তিনি বললেন ,না।
আলী ইব্ন শায়বা (রাহঃ) ইব্ন জুরায়জ (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, একবার আমি ইব্ন শিহাব (ইমাম যুহরী) কে জিজ্ঞাসা করলাম “উরওয়া ইব্ন যুবাইর (রাহঃ) কি আয়িশা (রাযিঃ) সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে আপনাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি নফল সিয়াম রেখে ভঙ্গ করে ফেলে সে যেন তা কাযা করে নেয়”। তিনি বললেন, আমি এ বিষয়ে উরওয়া (রাহঃ) থেকে কিছু শুনিনি। কিন্তু সুলায়মান ইব্ন আব্দুল মালিক এর খিলাফতকালে আমাকে এ বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে।
আবু বাকরা (রাহঃ) রাওহ (রাহঃ) এর বরাতে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন এবং এটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন ঃ “কিন্তু সুলায়মান ইব্ন আব্দুল মালিক এর খিলাফতের যুগে আমাকে সেই সমস্ত লোকদের কতকে বর্ণনা করেছে, যারা আশেয়া (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তিনি বলেছেনঃ আমি এবং হাফসা (রাযিঃ) ভোরে সিয়াম অবস্থায় ছিলাম। এর তিনি রবীউল জীযী (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
সুতরাং হাদীসটি সনদ গতভাবে সঠিক নয়। কারণ এর সনদে সেই বস্তুর (দুর্বলতার) অনুপ্রবেশ ঘটেছে যা আমরা (ইতিপূর্বে) উল্লেখ করেছি।
এ বিষয়ে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে উক্ত সনদ ব্যতীত অন্যভাবেও (নিম্মোক্তরূপ) বর্ণিত আছে ঃ
আহমদ ইব্ন আব্দুর রহমান (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনি রবীউল জীযী (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, হাফসা (রাযিঃ) বক্তব্যের ব্যাপারে আমার থেকে অগ্রণী ছিলেন (আর এরূপ কেনই বা হবে না) । তিনি ছিলেন বাপের বেটি (পিতা উমর ইবন খাত্তাব রা এর মত সাহসী )।
ইব্ন আবী ইমরান (রাহঃ) ......... ইব্ন ওয়াহব (রাহঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
বস্তুত প্রথমোক্ত মত পোষণকারী আলিমগণ এই হাদীসের অগ্রহণযোগ্যতার উপর প্রমাণ ও পেশ করেছেন যে, হাম্মাদ ইব্ন যায়দ (রাহঃ) এটিকে ইয়াহয়া ইব্ন সাঈদ থেকে “মউকুফ” হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন এবং এতে রাবী আমরার উল্লেখ নেই।
ইব্ন আবী ইমরান (রাহঃ) ......... আলী ইব্ন মাদিনী (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমাকে হাম্মাদ ইব্ন যায়দ (রাহঃ) বর্ণনা করেছেন। তিনি এটাকে ইয়াহয়া ইব্ন সাঈদ (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। অর্থাৎ রাবী আমরার উল্লেখ করেননি।
অতএব এটাই হলো মূল হাদীস। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়িশা (রাযিঃ) থেকে অন্য সনদেও বর্ণিত আছে, যা নিম্মরূপ ঃ
كتاب الصيام
82- 3475 - فَإِذَا رَبِيعٌ الْجِيزِيُّ قَدْ حَدَّثَنَا قَالَ: ثنا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ قَالَ: ثنا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ: أَصْبَحْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا صَائِمَتَيْنِ مُتَطَوِّعَتَيْنِ فَأُهْدِيَ لَنَا طَعَامٌ فَأَفْطَرْنَا عَلَيْهِ فَدَخَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلْنَاهُ فَقَالَ: «اقْضِيَا يَوْمًا مَكَانَهُ» فَفِي هَذَا دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ حُكْمَ الْإِفْطَارِ فِي الصَّوْمِ التَّطَوُّعِ أَنَّهُ مُوجِبٌ لِلْقَضَاءِ فَكَانَ مِمَّا يَحْتَجُّ بِهِ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى فِي فَسَادِ هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ أَصْلَهُ لَيْسَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَإِنَّمَا أَصْلُهُ مَوْقُوفٌ عَلَى مَنْ دُونَ عُرْوَةَ وَذَلِكَ
أَنَّ يُونُسَ حَدَّثَنَا قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ أَنَّ مَالِكًا أَخْبَرَهُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عَائِشَةَ وَحَفْصَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَصْبَحَتَا صَائِمَتَيْنِ ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ قَالُوا: فَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ قَالُوا: وَقَدْ سُئِلَ الزُّهْرِيُّ عَنْ ذَلِكَ: هَلْ سَمِعَهُ مِنْ عُرْوَةَ؟ فَقَالَ: لَا وَذَكَرُوا
مَا حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ قَالَ: ثنا نُعَيْمٌ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ سُئِلَ الزُّهْرِيُّ عَنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَصْبَحْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا صَائِمَتَيْنِ فَقِيلَ لَهُ: أَحَدَّثَكَ عُرْوَةُ؟ فَقَالَ: لَا
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شَيْبَةَ قَالَ: ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ قَالَ: ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ شِهَابٍ: أَحَدَّثَكَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: «مَنْ أَفْطَرَ مِنْ تَطَوُّعِهِ فَلْيَقْضِهِ» فَقَالَ: لَمْ أَسْمَعْ مِنْ عُرْوَةَ فِي ذَلِكَ شَيْئًا وَلَكِنْ حُدِّثْتُ فِي خِلَافَةِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ.
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ قَالَ: ثنا رَوْحٌ فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ. وَزَادَ وَلَكِنْ حَدَّثَنِي فِي خِلَافَةِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ أُنَاسٌ عَنْ بَعْضِ مَنْ كَانَ يَسْأَلُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّهَا قَالَتْ أَصْبَحْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا صَائِمَتَيْنِ ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ يَعْنِي نَحْوَ حَدِيثِ رَبِيعٍ الْجِيزِيِّ فَقَدْ فَسَدَ هَذَا الْحَدِيثَ بِمَا قَدْ دَخَلَ فِي إِسْنَادِهِ مِمَّا ذَكَرْنَا وَقَدْ رُوِيَ فِي ذَلِكَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَيْضًا مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ
مَا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: ثنا عَمِّي عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ رَبِيعٍ الْجِيزِيِّ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَبَدَرْتنِي حَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا بِالْكَلَامِ وَكَانَتِ ابْنَةَ أَبِيهَا
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عِمْرَانَ , قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى الْمِصْرِيُّ , قَالَ: ثنا ابْنُ وَهْبٍ , فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ فَكَانَ مِمَّا احْتَجَّ بِهِ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى فِي إِفْسَادِ هَذَا الْحَدِيثِ أَيْضًا أَنَّ حَمَّادَ بْنَ زَيْدٍ قَدْ رَوَاهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ مَوْقُوفًا لَيْسَ فِيهِ عَمْرَةُ
حَدَّثَنَا بِذَلِكَ ابْنُ أَبِي عِمْرَانَ , قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرَةَ الرَّمَادِيُّ , قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ , قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ , عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ , بِذَلِكَ يَعْنِي: وَلَمْ يَذْكُرْ عَمْرَةَ فَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَيْضًا فِي هَذَا مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ
أَنَّ يُونُسَ حَدَّثَنَا قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ أَنَّ مَالِكًا أَخْبَرَهُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عَائِشَةَ وَحَفْصَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَصْبَحَتَا صَائِمَتَيْنِ ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ قَالُوا: فَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ قَالُوا: وَقَدْ سُئِلَ الزُّهْرِيُّ عَنْ ذَلِكَ: هَلْ سَمِعَهُ مِنْ عُرْوَةَ؟ فَقَالَ: لَا وَذَكَرُوا
مَا حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ قَالَ: ثنا نُعَيْمٌ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ سُئِلَ الزُّهْرِيُّ عَنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَصْبَحْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا صَائِمَتَيْنِ فَقِيلَ لَهُ: أَحَدَّثَكَ عُرْوَةُ؟ فَقَالَ: لَا
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شَيْبَةَ قَالَ: ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ قَالَ: ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ شِهَابٍ: أَحَدَّثَكَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: «مَنْ أَفْطَرَ مِنْ تَطَوُّعِهِ فَلْيَقْضِهِ» فَقَالَ: لَمْ أَسْمَعْ مِنْ عُرْوَةَ فِي ذَلِكَ شَيْئًا وَلَكِنْ حُدِّثْتُ فِي خِلَافَةِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ.
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ قَالَ: ثنا رَوْحٌ فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ. وَزَادَ وَلَكِنْ حَدَّثَنِي فِي خِلَافَةِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ أُنَاسٌ عَنْ بَعْضِ مَنْ كَانَ يَسْأَلُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّهَا قَالَتْ أَصْبَحْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا صَائِمَتَيْنِ ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ يَعْنِي نَحْوَ حَدِيثِ رَبِيعٍ الْجِيزِيِّ فَقَدْ فَسَدَ هَذَا الْحَدِيثَ بِمَا قَدْ دَخَلَ فِي إِسْنَادِهِ مِمَّا ذَكَرْنَا وَقَدْ رُوِيَ فِي ذَلِكَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَيْضًا مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ
مَا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: ثنا عَمِّي عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ رَبِيعٍ الْجِيزِيِّ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَبَدَرْتنِي حَفْصَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا بِالْكَلَامِ وَكَانَتِ ابْنَةَ أَبِيهَا
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عِمْرَانَ , قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى الْمِصْرِيُّ , قَالَ: ثنا ابْنُ وَهْبٍ , فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ فَكَانَ مِمَّا احْتَجَّ بِهِ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى فِي إِفْسَادِ هَذَا الْحَدِيثِ أَيْضًا أَنَّ حَمَّادَ بْنَ زَيْدٍ قَدْ رَوَاهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ مَوْقُوفًا لَيْسَ فِيهِ عَمْرَةُ
حَدَّثَنَا بِذَلِكَ ابْنُ أَبِي عِمْرَانَ , قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرَةَ الرَّمَادِيُّ , قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ , قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ , عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ , بِذَلِكَ يَعْنِي: وَلَمْ يَذْكُرْ عَمْرَةَ فَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَيْضًا فِي هَذَا مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, নফল রোযা ভেঙ্গে ফেললে এর কাযা হিসাবে অন্য সময় রোযা রেখে নিতে হবে। ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) এর নিকট এই কাযা ওয়াজিব, আর ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)-এর নিকট ওয়াজিব নয়, কেবল মুস্তাহাব।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)