শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
৬. হজ্বের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৯৮৮
হজ্বের অধ্যায়
কুরবানীর রাতে ফজর শুরুর পূর্বে জামরা আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করা
৩৯৮৮। রবীউল মুয়াযযিন (রাহঃ) ..... সালিম ইন শাওয়াল (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি উম্মু হাবীবা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমরা নবী (ﷺ) -এর যুগে মুযদালিফা থেকে মিনা অভিমুখে ভােরের অন্ধকারে (কাক ডাকা ভােরে) যাত্রা করতাম।
এই হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তারা ফজর শুরু হওয়ার পরে (মিনা অভিমুখে যাত্রা করতেন। এটা তাদের জন্য প্রথমােক্ত হাদীসের বিষয়বস্তুর পরিপন্থী। এই অনুচ্ছেদের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদে আমরা আসমা (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেছি যে, তিনি কংকর নিক্ষেপ করেছেন, তারপর নিজ অবস্থানস্থলে ফিরে এসেছেন এবং ফজরের সালাত আদায় করেছেন। তখন তার গােলাম আব্দুল্লাহ্ বলল, আপনি তাে আমাদেরকে অন্ধকারে জাগিয়ে তুলেছেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নারীদেরকে এ বিষয়ে অনুমতি প্রদান করেছেন। আসমা (রাযিঃ) বলছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নারীদেরকে যে বিষয়ে অনুমতি প্রদান করেছেন, সেটা হল মুযদালিফা থেকে এরূপ সময়ে যাত্রা করা, যাতে করে মিনাতে গিয়ে তারা ফজরের সালাত আদায় করতে পারেন।
যখন হিশাম ইব্ন উরওয়া (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে তথ্যবিভ্রাট (ইতিরাব) বিদ্যমান, যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি, তাই মুহাম্মাদ ইব্ন খাযিম (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াতের মুকাবিলায় হাম্মাদ ইব্ন সালমা (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াতের উপর আমল করা সংগত হবে না। কেননা হাম্মাদ ইব্ন সালমা (রাহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) উম্মু সালামা (রাযিঃ)-কে এজন্য তাড়াতাড়ি যেতে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সেটা ছিল তার পালার দিন এবং তিনি তাঁর কাছে তাই চাচ্ছিলেন, যা একজন পুরুষ তার স্ত্রীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করে।
অথচ সেই দিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মিনা থেকে রওয়ানা করেন নি বরং মিনাতে অবস্থান করেন এবং রাত না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারতও করেন নি।
এই হাদীসে ব্যক্ত হয়েছে যে, তারা ফজর শুরু হওয়ার পরে (মিনা অভিমুখে যাত্রা করতেন। এটা তাদের জন্য প্রথমােক্ত হাদীসের বিষয়বস্তুর পরিপন্থী। এই অনুচ্ছেদের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদে আমরা আসমা (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেছি যে, তিনি কংকর নিক্ষেপ করেছেন, তারপর নিজ অবস্থানস্থলে ফিরে এসেছেন এবং ফজরের সালাত আদায় করেছেন। তখন তার গােলাম আব্দুল্লাহ্ বলল, আপনি তাে আমাদেরকে অন্ধকারে জাগিয়ে তুলেছেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নারীদেরকে এ বিষয়ে অনুমতি প্রদান করেছেন। আসমা (রাযিঃ) বলছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নারীদেরকে যে বিষয়ে অনুমতি প্রদান করেছেন, সেটা হল মুযদালিফা থেকে এরূপ সময়ে যাত্রা করা, যাতে করে মিনাতে গিয়ে তারা ফজরের সালাত আদায় করতে পারেন।
যখন হিশাম ইব্ন উরওয়া (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াতে তথ্যবিভ্রাট (ইতিরাব) বিদ্যমান, যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি, তাই মুহাম্মাদ ইব্ন খাযিম (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াতের মুকাবিলায় হাম্মাদ ইব্ন সালমা (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াতের উপর আমল করা সংগত হবে না। কেননা হাম্মাদ ইব্ন সালমা (রাহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) উম্মু সালামা (রাযিঃ)-কে এজন্য তাড়াতাড়ি যেতে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সেটা ছিল তার পালার দিন এবং তিনি তাঁর কাছে তাই চাচ্ছিলেন, যা একজন পুরুষ তার স্ত্রীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করে।
অথচ সেই দিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মিনা থেকে রওয়ানা করেন নি বরং মিনাতে অবস্থান করেন এবং রাত না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারতও করেন নি।
كتاب مناسك الحج
3988 - حَدَّثَنَا رَبِيعٌ الْمُؤَذِّنُ , قَالَ: ثنا أَسَدٌ , قَالَ: ثنا سُفْيَانُ , عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ , عَنْ سَالِمِ بْنِ شَوَّالٍ , أَنَّهُ سَمِعَ أُمَّ حَبِيبَةَ , تَقُولُ: كُنَّا نُغَلِّسُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الْمُزْدَلِفَةِ إِلَى مِنًى " فَفِي هَذَا أَنَّهُمْ كَانُوا يُفِيضُونَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ , فَهَذَا أَبْعَدُ لَهُمْ مِمَّا فِي الْحَدِيثِ الْأَوَّلِ وَقَدْ ذَكَرْنَا فِي الْبَابِ الَّذِي قَبْلَ هَذَا الْبَابِ فِي حَدِيثِ أَسْمَاءَ أَنَّهَا رَمَتْ , ثُمَّ رَجَعَتْ إِلَى مَنْزِلِهَا فَصَلَّتِ الْفَجْرَ , فَقَالَ لَهَا عَبْدُ اللهِ: لَقَدْ غَلَّسْتِنَا فَقَالَتْ: «رَخَّصَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلظُّعُنِ» . فَأَخْبَرَتْ أَنَّ مَا قَدْ كَانَ رَخَّصَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ لِلظُّعُنِ هُوَ الْإِفَاضَةُ مِنَ الْمُزْدَلِفَةِ , فِي وَقْتِ مَا يَصِيرُونَ إِلَى «مِنًى» فِي حَالِ مَا لَهُمْ أَنْ يُصَلُّوا صَلَاةَ الصُّبْحِ. وَلَمَّا اضْطَرَبَ حَدِيثُ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَلَى مَا ذَكَرْنَا , لَمْ يَكُنِ الْعَمَلُ بِمَا رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَوْلَى مِمَّا رَوَاهُ , مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ. وَقَدْ ذَكَرَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ فِي حَدِيثِهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا أَرَادَ بِتَعْجِيلِهِ أُمَّ سَلَمَةَ إِلَى حَيْثُ عَجَّلَهَا لِأَنَّهُ يَوْمُهَا أَيْ لِيُصِيبَ مِنْهَا فِي يَوْمِهَا ذَلِكَ , مَا يُصِيبُ الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَوْمِ النَّحْرِ , فَلَمْ يَبْرَحْ بِمِنًى " , وَلَمْ يَطُفْ طَوَافَ الزِّيَارَةِ إِلَى اللَّيْلِ