শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

৬. হজ্বের অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৯৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৯৬
হজ্বের অধ্যায়
কুরবানীর রাতে ফজর শুরুর পূর্বে জামরা আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করা
৩৯৯৫-৯৬। আবু মুআবিয়া (রাহঃ)..... উম্মু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা:) তাঁকে কুরবানীর দিনে মক্কাতে নিজের সঙ্গে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই হাদীসটি আবু মুআবিয়া (রাহঃ) ব্যতীত অন্য কেউ মুসনাদ রুপে বর্ণনা করে নি, এটা ভুল। ইমাম আহমদ (রাহঃ) বলেন, ওকী (রাহঃ) হিশাম (রাহঃ) থেকে তিনি তাঁর পিতা উরওয়া (রাহঃ) থেকে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সা:) তাঁকে (উম্মু সালামা রা) কুরবানীর দেনে মক্কাতে নিজের সঙ্গে ফজরের সালাত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অথবা তিনি অনুরূপ শব্দ বলেছেন। তিনি বলেন, এটাও আশ্চর্যজনক কথা। ইমাম আবু আব্দুল্লাহ (আহমদ ইব্ন হাম্বল র) বলেন, কুরবানীর দিনে নবী (সা:)- এর মক্কাতে কি কাজ ছিল ? মনে হয় তিনি এই হাদীসকে অস্বীকার করছেন। (আব্দুল্লাহ ইব্ন সুওয়াইদ র বলেন) তারপর আমি ইয়াহ্‌ইয়া ইব্ন সাঈদ (রাহঃ)-এর নিকট এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বর্ণনা করলেন, হিশাম (রাহঃ) তাঁর পিতা উরওয়া (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেন যে, নবী (সা:) উম্মু সালামা (রাযিঃ)-কে নিজের সঙ্গে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, এটা তাঁর মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এবং বলেছেন, কুরবানীর দিন ফজরের সালাত আব্তাহ’ উপত্যকার যীফারাক নামক স্থানে পড়া হবে। (আব্দুল্লাহ ইব্ন সুওয়াইদ র) বলেন, ইয়াহয়া ইব্ন সাঈদ (রাহঃ) আমাকে বলেছেন যে, আব্দুর রহমান ইব্ন মাহদী (রাহঃ)-কে জিজ্ঞাস কর, আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন যে, এভাবে সুফইয়ান (রাহঃ) হিশাম (রাহঃ) থেকে তিনি তাঁর পিতা উরওয়া (রাহঃ) থেকে تُوَافِيه -এর স্থলে تُوَافِي শব্দ রিওয়ায়াত করেছেন। তারপর ইমাম আবু আব্দুল্লাহ্ (আহমদ ইব্ন হাম্বল র) আমাকে বললেন, ইয়াহয়া ইব্ন সাইদ কতই না স্মৃতিশক্তি (যাব্ত)-এর অধিকারী ছিলেন। তিনি একজন মুহাদ্দিস ছিলেন। এরপর তিনি (আহমদ ইব্ন হাম্বল র) তাঁর চমৎকার প্রশংসা করলেন।
كتاب مناسك الحج
3995 - حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ , عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ , عَنْ أَبِيهِ , عَنْ زَيْنَبَ , «عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهَا أَنْ تُوَافِيَهُ يَوْمَ النَّحْرِ بِمَكَّةَ» وَلَمْ يُسْنِدْ ذَلِكَ , غَيْرُ أَبِي مُعَاوِيَةَ , وَهُوَ خَطَأٌ

3996 - قَالَ أَحْمَدُ: وَقَالَ وَكِيعٌ , عَنْ هِشَامٍ , عَنْ أَبِيهِ مُرْسَلًا «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهَا أَنْ تُوَافِيَهُ صَلَاةَ الصُّبْحِ يَوْمَ النَّحْرِ بِمَكَّةَ» , أَوْ نَحْوَ هَذَا. قَالَ: وَهَذَا أَيْضًا عَجَبٌ قَالَ أَبُو عُبَيْدِ اللهِ: وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , مَا يَصْنَعُ بِمَكَّةَ يَوْمَ النَّحْرِ؟ كَأَنَّهُ يُنْكِرُ ذَلِكَ. قَالَ: فَجِئْتُ إِلَى يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: عَنْ هِشَامٍ , عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهَا أَنْ تُوَافِيَ لَيْسَ شَأْنَهُ قَالَ: وَفَرْقٌ بَيْنَ ذِي وَيَوْمِ النَّحْرِ صَلَاةُ الْفَجْرِ بِالْأَبْطُحِ. قَالَ: وَقَالَ لِي يَحْيَى: سَلْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ هُوَ ابْنُ مَهْدِيٍّ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: هَكَذَا عَنْ سُفْيَانَ , عَنْ هِشَامٍ , عَنْ أَبِيهِ تُوَافِي. ثُمَّ قَالَ لِي أَبُو عَبْدِ اللهِ: رَحِمَ اللهُ يَحْيَى , مَا كَانَ أَضْبَطَهُ , وَأَشَدَّهُ كَانَ مُحَدِّثًا وَأَثْنَى عَلَيْهِ , فَأَحْسَنَ الثَّنَاءَ عَلَيْهِ
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান