শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৪. উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৮৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৮৫৫
উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
কোন পুত্রকে বাদ দিয়ে যে ব্যক্তি তার অপর কোন পুত্রকে দান করে
৫৮৫৪-৫৫। ফাহদ ….. আবু যুবায়র হযরত জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন : একবার হযরত বাশীর (রাযিঃ)-এর স্ত্রী তাকে বললেন : আমার পুত্রকে তােমার একটা গােলাম দান কর এবং রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) -কে সাক্ষী বানাও। (অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) -এর নিকট আগমন করলে) তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : তার কি আরাে ভাই আছে? তিনি বললেন, জী, হ্যাঁ। তিনি বললেন : তাদের সকলকে কি দান করেছ? তিনি বললেন,জী,না। তিনি বললেন : এটা তাে সংগত নয়। আর আমি হক ব্যতীত অন্য কিছুর ওপর সাক্ষী হই না।
হাদীসে রাবী নুফায়লী হলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মাদ ইব্ন আলী ইব্ন নুফায়ল আবু জা'ফর আল-হাররানী, তিনি একজন বিশ্বস্ত রাবী ও হাফি। যুহায়র ইব্ন মুআবিয়া হতে তিনি বর্ণনা করেন। ফাহদ ইব্ন সুলায়মান তাঁর থেকে باب الانتباذ في الدباء -এও হাদীস বর্ণনা করেছেন।
এ হাদীসে এ কথা বিদ্যমান যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) তাঁর দান সম্পন্ন করার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) তাঁকে তা ফেরত নেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তাঁকে পরামর্শ দিলেন ঐ বিষয়ের, যা আমরা উল্লেখ করেছি। আর এ পর্যন্ত হযরত নু'মান (রাযিঃ) হতে যত রিওয়ায়াত বর্ণিত হয়েছে, এটা তাঁর সব রিওয়ায়াতের বিপরীত ।
কারণ পূর্বে বর্ণিত সব রিওয়ায়াতেই এ কথা রয়েছে যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)-এর দরবারে উপস্থিত হবার পূর্বেই তিনি নু'মান (রাযিঃ)-কে দান করেছিলেন এবং তিনি তাঁর দরবারে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেছেন, আমি আমার এই পুত্রকে এই বস্তু দান করেছি।
অথচ হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত এ হাদীসে তিনি রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) -কে এ খবর দিয়েছেন যে, তাঁর স্ত্রী তাকে দান করার জন্য আব্দার করেছেন। তারপর নবী(ﷺ) তাঁকে যে কথা বলেছেন, তা তাঁকে পরামর্শ দানের পদ্ধতিতেই বলেছেন এবং যা তাঁর জন্য করা সমুচিত, তাই তাঁকে বলেছেন।
শুআয়ব ইব্ন আবু হামযা ইমাম যুহরী (রাহঃ) হতে এ হাদীসে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেছেন :
ফাহদ ….. হুমায়দ ইব্ন আব্দুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইব্ন নু'মান বলেন, তারা দুজনই হযরত নু'মান ইব্ন বাশীর (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমার আব্বা আমাকে একটি গােলাম দান করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে চললেন। এমনকি তিনি আমাকে নবী(ﷺ) -এর নিকট প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আমার এই পুত্রকে একটা গােলাম দান করেছি। এখন যদি আপনি অনুমতি প্রদান করেন তবে তাে দান বহাল রাখব। অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
আমরা যা উল্লেখ করেছি, তা এ কথাই প্রমাণ করে যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) তাঁর পুত্রকে দান করার দায় থেকে নবী(ﷺ) -এর প্রত্যাহার আদেশ পর্যন্ত তাঁর দান পূর্ণতাই লাভ করে নি।
আর রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)-এর নিয়ম ছিল, যখন তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কিছু বিতরণ করতেন, তখন তিনি তাদের সকলের মধ্যে তা সমভাবে বণ্টন করতেন। তিনি গােলাম-বাঁদীকেও তেমনি দান করতেন, একজন আযাদ ব্যক্তিকে দান করতেন।
হাদীসে রাবী নুফায়লী হলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মাদ ইব্ন আলী ইব্ন নুফায়ল আবু জা'ফর আল-হাররানী, তিনি একজন বিশ্বস্ত রাবী ও হাফি। যুহায়র ইব্ন মুআবিয়া হতে তিনি বর্ণনা করেন। ফাহদ ইব্ন সুলায়মান তাঁর থেকে باب الانتباذ في الدباء -এও হাদীস বর্ণনা করেছেন।
এ হাদীসে এ কথা বিদ্যমান যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) তাঁর দান সম্পন্ন করার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) তাঁকে তা ফেরত নেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তাঁকে পরামর্শ দিলেন ঐ বিষয়ের, যা আমরা উল্লেখ করেছি। আর এ পর্যন্ত হযরত নু'মান (রাযিঃ) হতে যত রিওয়ায়াত বর্ণিত হয়েছে, এটা তাঁর সব রিওয়ায়াতের বিপরীত ।
কারণ পূর্বে বর্ণিত সব রিওয়ায়াতেই এ কথা রয়েছে যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)-এর দরবারে উপস্থিত হবার পূর্বেই তিনি নু'মান (রাযিঃ)-কে দান করেছিলেন এবং তিনি তাঁর দরবারে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেছেন, আমি আমার এই পুত্রকে এই বস্তু দান করেছি।
অথচ হযরত জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত এ হাদীসে তিনি রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) -কে এ খবর দিয়েছেন যে, তাঁর স্ত্রী তাকে দান করার জন্য আব্দার করেছেন। তারপর নবী(ﷺ) তাঁকে যে কথা বলেছেন, তা তাঁকে পরামর্শ দানের পদ্ধতিতেই বলেছেন এবং যা তাঁর জন্য করা সমুচিত, তাই তাঁকে বলেছেন।
শুআয়ব ইব্ন আবু হামযা ইমাম যুহরী (রাহঃ) হতে এ হাদীসে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেছেন :
ফাহদ ….. হুমায়দ ইব্ন আব্দুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইব্ন নু'মান বলেন, তারা দুজনই হযরত নু'মান ইব্ন বাশীর (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমার আব্বা আমাকে একটি গােলাম দান করেছিলেন। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে চললেন। এমনকি তিনি আমাকে নবী(ﷺ) -এর নিকট প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আমার এই পুত্রকে একটা গােলাম দান করেছি। এখন যদি আপনি অনুমতি প্রদান করেন তবে তাে দান বহাল রাখব। অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
আমরা যা উল্লেখ করেছি, তা এ কথাই প্রমাণ করে যে, হযরত বাশীর (রাযিঃ) তাঁর পুত্রকে দান করার দায় থেকে নবী(ﷺ) -এর প্রত্যাহার আদেশ পর্যন্ত তাঁর দান পূর্ণতাই লাভ করে নি।
আর রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)-এর নিয়ম ছিল, যখন তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কিছু বিতরণ করতেন, তখন তিনি তাদের সকলের মধ্যে তা সমভাবে বণ্টন করতেন। তিনি গােলাম-বাঁদীকেও তেমনি দান করতেন, একজন আযাদ ব্যক্তিকে দান করতেন।
كتاب الهبة والصدقة
5854 - حَدَّثَنَا فَهْدٌ قَالَ: ثنا النُّفَيْلُ قَالَ: ثنا زُهَيْرٌ قَالَ: ثنا أَبُو زُبَيْرٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَتِ امْرَأَةُ بَشِيرٍ لِبَشِيرٍ انْحَلِ ابْنِي غُلَامَكَ وَأَشْهِدْ لِي رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ. قَالَ: فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ بِنْتَ فُلَانٍ سَأَلَتْنِي أَنْ أَنْحَلَ ابْنَهَا غُلَامِي وَقَالَتْ أَشْهِدْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَقَالَ: «أَلَهُ إِخْوَةٌ» ، قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «أَفَكُلُّهُمْ أَعْطَيْتَهُ» ، قَالَ: لَا، قَالَ: «فَإِنَّ هَذَا لَا يَصْلُحُ وَإِنِّي لَا أَشْهَدُ إِلَّا عَلَى حَقٍّ» فَفِي هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا كَانَ أَمْرُهُ لِبَشِيرٍ بِالرَّدِّ قَبْلَ إِنْفَاذِ بَشِيرٍ الصَّدَقَةَ فَأَشَارَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ بِمَا ذَكَرْنَا. وَهَذَا خِلَافُ جَمِيعِ مَا رُوِيَ عَنِ النُّعْمَانِ لِأَنَّ فِي تِلْكَ الْأَحَادِيثِ أَنَّهُ نَحَلَهُ قَبْلَ أَنْ يَجِيءَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَّهُ قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي نَحَلْتُ ابْنِي هَذَا كَذَا فَأَخْبَرَ أَنَّهُ قَدْ كَانَ فَعَلَ. وَفِي حَدِيثِ جَابِرٍ هَذَا إِخْبَارُهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسُؤَالِ امْرَأَتِهِ إِيَّاهُ فَكَانَ كَلَامُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِيَّاهُ بِمَا كَلَّمَهُ بِهِ عَلَى طَرِيقِ الْمَشُورَةِ وَعَلَى مَا يَنْبَغِي أَنْ يُفْعَلَ عَلَيْهِ الشَّيْءُ إِنْ آثَرَ أَنْ يَفْعَلَهُ. وَقَدْ رَوَى شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ مُوَافِقًا لِهَذَا الْمَعْنَى
5855 - حَدَّثَنَا فَهْدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ، أَنَّهُمَا سَمِعَا النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ: نَحَلَنِي أَبِي غُلَامًا ثُمَّ مَشَى بِي حَتَّى أَدْخَلَنِي عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنِّي نَحَلْتُ ابْنِي غُلَامًا فَإِنْ أَذِنْتَ أَنْ أُجِيزَهُ لَهُ أَجَزْتُهُ، ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ فَدَلَّ مَا ذَكَرْنَا عَلَى أَنَّهُ لَمْ يَكُنِ النُّحْلَى كَمُلَتْ فِيهِ مِنْ حِينِ نَحَلَهُ إِيَّاهُ إِلَى أَنْ أَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرَدِّهِ. وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَسَمَ شَيْئًا بَيْنَ أَهْلِهِ سَوَّى بَيْنَهُمْ جَمِيعًا فَأَعْطَى الْمَمْلُوكَ مِنْهُمْ كَمَا يُعْطَى الْحُرُّ
5855 - حَدَّثَنَا فَهْدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ، أَنَّهُمَا سَمِعَا النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ: نَحَلَنِي أَبِي غُلَامًا ثُمَّ مَشَى بِي حَتَّى أَدْخَلَنِي عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنِّي نَحَلْتُ ابْنِي غُلَامًا فَإِنْ أَذِنْتَ أَنْ أُجِيزَهُ لَهُ أَجَزْتُهُ، ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ فَدَلَّ مَا ذَكَرْنَا عَلَى أَنَّهُ لَمْ يَكُنِ النُّحْلَى كَمُلَتْ فِيهِ مِنْ حِينِ نَحَلَهُ إِيَّاهُ إِلَى أَنْ أَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرَدِّهِ. وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَسَمَ شَيْئًا بَيْنَ أَهْلِهِ سَوَّى بَيْنَهُمْ جَمِيعًا فَأَعْطَى الْمَمْلُوكَ مِنْهُمْ كَمَا يُعْطَى الْحُرُّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
একথা স্পষ্ট যে, এ হাদীসে সন্তানদের সাথে অসম আচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং এটাকে বেইনসাফী সাব্যস্ত করা হয়েছে। কোন কোন ফকীহ এটাকে হারাম পর্যন্ত বলেছেন। তবে অধিকাংশ ফকীহ এবং ইমাম চতুষ্টয়ের মধ্যে ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক ও ইমাম শাফেয়ী (রহ) কিছু কিছু দলীল ও ইঙ্গিতের ভিত্তিতে এটাকে হারাম তো বলেননি; কিন্তু মাকরূহ ও অত্যন্ত অপছন্দনীয় কাজ সাব্যস্ত করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে যে, এ বিধানটি কেবল ঐ অবস্থায়, যখন কাউকে প্রাধান্য দান শরী‘আতসম্মত কোন কারণ ছাড়াই হয়। কিন্তু যদি কোন কারণ থাকে, তাহলে এ কারণ অনুসারে কাউকে প্রাধান্য দেওয়া বৈধ হবে। যেমন, সন্তানদের মধ্যে কেউ যদি চিররোগী হয় এবং সে অন্য ভাইদের মত জীবিকা উপার্জনের চেষ্টা-সাধনা করতে না পারে, তাহলে তার সাথে বিশেষ আচরণ ন্যায়-নীতির পরিপন্থী হবে না; বরং এক পর্যায়ে জরুরী ও সওয়াবের কাজ বিবেচিত হবে। অনুরূপভাবে সন্তানদের মধ্য থেকে কেউ যদি নিজেকে দ্বীন ও জাতির খেদমতে এভাবে নিয়োজিত করে দেয় যে, জীবিকার চেষ্টায় বেশী অংশগ্রহণ করতে পারে না, তাহলে তার সাথেও উপযোগী পর্যায় পর্যন্ত বিশেষ আচরণ কেবল জায়েযই নয়; বরং সওয়াবের কাজ হবে। অনুরূপভাবে এক ভাইয়ের প্রতি বিশেষ ও প্রাধান্যমূলক আচরণ করাতে অন্য ভাইয়েরা যদি সন্তুষ্ট থাকে, তাহলেও এটা জায়েয হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)