শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৯. শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
হাদীস নং: ৬২৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬২৪৭
শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
একটা ছাগল কয়জনের পক্ষ হতে কুরবানী করা যায়
৬২৪৫-৪৭। আলী ইব্ন শায়বা ও ইবরাহীম ইব্ন মারযূক স্ব স্ব সূত্রে ...... খালিদ ইব্ন সাদ আবু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, গরু সাতজনের পক্ষ হতে (যবেহ করা যায়)।
রাবী আল-মুয়াযযিন ....... মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন সাওবান কতিপয় সাহাবা-ই কিরাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
এসব রিওয়ায়াত দ্বারা যখন সাতজনের পক্ষ হতে গরু যবেহ করা সাব্যস্ত হয়েছে, আর এ বিষয়টি এমন যা নবী হতে জ্ঞাত হওয়ার ওপর নির্ভরশীল, আমাদের জন্য এ সংখ্যা অতিক্রম করার কোন সুযোগই রাখেনি। সেক্ষেত্রে একটি গরু যে কয়জনের জন্য যথেষ্ট হয়, একটি ছাগল তার চেয়ে অধিক সংখ্যার জন্য যথেষ্ট না হওয়া অধিকতর শ্রেয়। আর যখন এ কথা প্রমাণিত যে, একটি ছাগল সাতজনের চেয়ে অতিরিক্ত লােকের জন্য যথেষ্ট নয়, তা দ্বারা তাদের এ কথা অসার প্রমাণিত হলাে যারা বলেন, যত লােকের পক্ষ হতে কুরবানী প্রদান করা হবে, সকলের পক্ষ হতে (একটি ছাগল/ দুম্বা) যথেষ্ট হবে। যাদের জন্য না সময় নির্দিষ্ট, না সংখ্যা নির্দিষ্ট। আর এ সংখ্যা অতিক্রমও করতে পারবে না এবং এর বিপরীতটা প্রমাণিত হলাে। আর এটাই তাদের মত যারা এ কথা বলেন, ছাগল কেবল এক ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা জায়েয আছে। অতঃপর কেউ যদি এ কথা বলেন যে, আমরা ছাগলের কুরবানী একাধিক ব্যক্তির পক্ষ হতে যথেষ্ট হওয়ার কথা এজন্য বলেছি যে, ছাগল, গরু ও উট অপেক্ষা উত্তম। তবে তাকে এর প্রমাণ জিজ্ঞেস করা হবে। অথচ নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত হয়েছে :
রাবী আল-মুয়াযযিন ....... মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন সাওবান কতিপয় সাহাবা-ই কিরাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
এসব রিওয়ায়াত দ্বারা যখন সাতজনের পক্ষ হতে গরু যবেহ করা সাব্যস্ত হয়েছে, আর এ বিষয়টি এমন যা নবী হতে জ্ঞাত হওয়ার ওপর নির্ভরশীল, আমাদের জন্য এ সংখ্যা অতিক্রম করার কোন সুযোগই রাখেনি। সেক্ষেত্রে একটি গরু যে কয়জনের জন্য যথেষ্ট হয়, একটি ছাগল তার চেয়ে অধিক সংখ্যার জন্য যথেষ্ট না হওয়া অধিকতর শ্রেয়। আর যখন এ কথা প্রমাণিত যে, একটি ছাগল সাতজনের চেয়ে অতিরিক্ত লােকের জন্য যথেষ্ট নয়, তা দ্বারা তাদের এ কথা অসার প্রমাণিত হলাে যারা বলেন, যত লােকের পক্ষ হতে কুরবানী প্রদান করা হবে, সকলের পক্ষ হতে (একটি ছাগল/ দুম্বা) যথেষ্ট হবে। যাদের জন্য না সময় নির্দিষ্ট, না সংখ্যা নির্দিষ্ট। আর এ সংখ্যা অতিক্রমও করতে পারবে না এবং এর বিপরীতটা প্রমাণিত হলাে। আর এটাই তাদের মত যারা এ কথা বলেন, ছাগল কেবল এক ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা জায়েয আছে। অতঃপর কেউ যদি এ কথা বলেন যে, আমরা ছাগলের কুরবানী একাধিক ব্যক্তির পক্ষ হতে যথেষ্ট হওয়ার কথা এজন্য বলেছি যে, ছাগল, গরু ও উট অপেক্ষা উত্তম। তবে তাকে এর প্রমাণ জিজ্ঞেস করা হবে। অথচ নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত হয়েছে :
كتاب الصيد والذبائح والأضاحي
47 - 6245 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ ح [ص:179]
وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا وَهْبٌ، قَالَ ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: «الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ»
حَدَّثَنَا رَبِيعٌ الْمُؤَذِّنُ، قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أُنَاسٍ، مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ فَلَمَّا جُعِلَتِ الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ , وَكَانَ ذَلِكَ مِمَّا قَدْ وَقَفَ عَلَيْهِ , وَلَمْ يَجْعَلْ لَنَا أَنْ نَعْدُوَ ذَلِكَ إِلَى مَا هُوَ أَكْثَرُ مِنْهُ , كَانَتِ الشَّاةُ أَحْرَى أَنْ لَا تُجْزِئَ عَنْ أَكْثَرَ مِمَّا تُجْزِئُ عَنْهُ الْبَقَرَةُ مِنْ ذَلِكَ. فَلَمَّا ثَبَتَ أَنَّ الشَّاةَ لَا تُجْزِئُ عَنْ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعَةٍ , انْتَفَى بِذَلِكَ قَوْلُ مَنْ قَالَ: إِنَّهَا تُجْزِئُ عَنْ جَمِيعِ مَنْ ذُبِحَتْ عَنْهُ , مِمَّنْ لَا وَقْتَ لَهُمْ وَلَا عَدَدَ , وَلَا يُجَاوِزُ إِلَى غَيْرِهِ , وَثَبَتَ ضِدُّهُ , وَهُوَ قَوْلُ مَنْ قَالَ: إِنَّ الشَّاةَ لَا تُجْزِئُ إِلَّا عَنْ وَاحِدٍ. فَقَالَ قَائِلٌ: إِنَّا إِنَّمَا جَعَلْنَا الشَّاةَ تُجْزِئُ عَنْ أَكْثَرَ مِمَّا تُجْزِئُ عَنْهُ الْبَقَرَةُ وَالْجَزُورُ , لِأَنَّ الشَّاةَ أَفْضَلُ مِنْهُمَا. فَقِيلَ لَهُ: وَلِمَ قُلْتَ ذَلِكَ؟ وَمَا دَلِيلُكَ عَلَيْهِ؟ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
مَا قَدْ
وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا وَهْبٌ، قَالَ ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: «الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ»
حَدَّثَنَا رَبِيعٌ الْمُؤَذِّنُ، قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أُنَاسٍ، مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ فَلَمَّا جُعِلَتِ الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ , وَكَانَ ذَلِكَ مِمَّا قَدْ وَقَفَ عَلَيْهِ , وَلَمْ يَجْعَلْ لَنَا أَنْ نَعْدُوَ ذَلِكَ إِلَى مَا هُوَ أَكْثَرُ مِنْهُ , كَانَتِ الشَّاةُ أَحْرَى أَنْ لَا تُجْزِئَ عَنْ أَكْثَرَ مِمَّا تُجْزِئُ عَنْهُ الْبَقَرَةُ مِنْ ذَلِكَ. فَلَمَّا ثَبَتَ أَنَّ الشَّاةَ لَا تُجْزِئُ عَنْ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعَةٍ , انْتَفَى بِذَلِكَ قَوْلُ مَنْ قَالَ: إِنَّهَا تُجْزِئُ عَنْ جَمِيعِ مَنْ ذُبِحَتْ عَنْهُ , مِمَّنْ لَا وَقْتَ لَهُمْ وَلَا عَدَدَ , وَلَا يُجَاوِزُ إِلَى غَيْرِهِ , وَثَبَتَ ضِدُّهُ , وَهُوَ قَوْلُ مَنْ قَالَ: إِنَّ الشَّاةَ لَا تُجْزِئُ إِلَّا عَنْ وَاحِدٍ. فَقَالَ قَائِلٌ: إِنَّا إِنَّمَا جَعَلْنَا الشَّاةَ تُجْزِئُ عَنْ أَكْثَرَ مِمَّا تُجْزِئُ عَنْهُ الْبَقَرَةُ وَالْجَزُورُ , لِأَنَّ الشَّاةَ أَفْضَلُ مِنْهُمَا. فَقِيلَ لَهُ: وَلِمَ قُلْتَ ذَلِكَ؟ وَمَا دَلِيلُكَ عَلَيْهِ؟ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
مَا قَدْ