আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
২- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ২০৭
- নামাযের অধ্যায়
সফরে এবং বৃষ্টির সময় দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
২০৭। ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা হযরত উমার (রাযিঃ) সম্পর্কে জানতে পেরেছি যে, তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই মর্মে লিখিত আদেশ পাঠান যে, “একই ওয়াক্তে একত্রে দুই নামায পড়া যাবে না। এটা বড়ো ধরনের অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে”। এই কথা নির্ভরযোগ্য রাবীগণ আলা ইবনে হারিসের সূত্রে তিনি মাকহূলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।**
أبواب الصلاة
قَالَ مُحَمَّدٌ: بَلَغَنَا , عَنْ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ , أَنَّهُ «كَتَبَ فِي الآفَاقِ، يَنْهَاهُمْ أَنْ يَجْمَعُوا بَيْنَ الصَّلاتَيْنِ، وَيُخْبِرُهُمْ أَنَّ الْجَمْعَ بَيْنَ الصَّلاتَيْنِ فِي وَقْتٍ وَاحِدٍ كَبِيرَةٌ مِنَ الْكَبَائِرِ» , أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ الثِّقَاتُ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَكْحُولٍ.
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** হানাফী মাযহার মতে হজ্জের সময় ছাড়া অন্য কোন সময় দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে জমা করে পড়া জায়েয নয়। হজ্জের সময় আরাফাতে যুহর ও আসরের নামায এবং মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার নামায একত্রে পড়ার ব্যাপারে সকল ইমামই একমত। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ইবনে হাম্বল এবং জুমহুর আলেমদের মতে সফর এবং বৃষ্টির সময় দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে পড়ার অনুমতি আছে। একদল আলেম বিশেষ ওজর বশত দুই নামাযে একত্রে পড়ার অনুমতি দিয়েছেন। হযরত উমার (রা) কর্তৃক দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে পড়াকে কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত করাটা ওজরহীন অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেননা বৃষ্টি, সফর ইত্যাদি সময় দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করে পড়ার বৈধতা রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং সাবাহাবাদের কর্মনীতি থেকেই প্রমাণিত (অনুবাদক)।