আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

২- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ২১৮
- নামাযের অধ্যায়
নামাযরত অবস্থায় কারো কাযা নামাযের কথা স্মরণ হলে।
২১৮। নাফে (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাযিঃ) বলতেন, কোন ব্যক্তির ইমামের সাথে নামাযরত অবস্থায় তার ভুলে যাওয়া নামাযের কথা স্মরণ হলে ইমামের সালাম ফিরানোর পর সে উঠে দাঁড়িয়ে তার ভুলে যাওয়া নামায পড়বে। এরপর অন্য নামায পড়বে (অর্থাৎ ইমামের সাথে যে নামায পড়েছিল তা পুনরায় পড়বে)।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। শুধু একটি অবস্থায়ই এর ব্যক্তিক্রম আছে। এমন সংকীর্ণ সময় ছুটে যাওয়া নামাযের কথা স্মরণ হলো যে, তখন তা আদায় করতে গেলে ওয়াক্তিয়া নামায কাযা হওয়ার আশংকা আছে, এই অবস্থায় ওয়াক্তিয়া নামায আগে পড়তে হবে। অতঃপর ছুটে যাওয়া নামায পড়বে। ইমাম আবু হানীফা এবং সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাবেরও এই মত।
أبواب الصلاة
بَابُ: الرَّجُلِ يُصَلِّي فَيَذْكُرُ أَنَّ عَلَيْهِ صَلاةً فَائِتَةً
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «مَنْ نَسِيَ صَلاةً مِنْ صَلاتِهِ، فَلَمْ يَذْكُرْ إِلا وَهُوَ مَعَ الإِمَامِ، فَإِذَا سَلَّمَ الإِمَامُ، فَلْيُصَلِّ صَلاتَهُ الَّتِي نَسِيَ، ثُمَّ لُيَصَلِّ بَعْدَهَا الصَّلاةَ الأُخْرَى» .
قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ إِلا فِي خِصْلَةٍ وَاحِدَةٍ، إِذَا ذَكَرَهَا وَهُوَ فِي صَلاةٍ فِي آخِرِ وَقْتِهَا يَخَافُ إِنْ بَدَأَ بِالأُولَى، أَنْ يَخْرُجَ وَقْتُ هَذِهِ الثَّانِيَةِ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيهَا، فَلْيَبْدَأْ بِهَذِهِ الثَّانِيَةَ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْهَا، ثُمَّ يُصَلِّي الأُولَى بَعْدَ ذَلِكَ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** ইমাম যুহরী, ইবরাহীম নাখঈ, মালেক, আহমাদ, আবু হানীফা, ইবনে উমার (রা) প্রমুখের মতে তরবীব ওয়াজিব। হেদায়া গ্রন্থের রচয়িতা শায়খুল ইসলাম আলী ইবনে আবু বাকর আল-মারগীনানী (মৃ. ৫৯৩ হি.) ইবনে উমার (রা)-র সূত্রে উল্লেখ করেছেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ

من نسى صلوة فلم يذكرها الا وهو مع الإمام فليتم صلوته فاذا فرغ فليعد الذي نسى ثم ليعد التي صلاها مع الامام

“কোন ব্যক্তি নামায পড়তে ভুলে গেছে। ইমামের সাথে নামাযরত অবস্থায় তা তার স্মরণ হলো। এ অবস্থায় সে ইমামের সাথে তার নামায সমাপ্ত করবে। অতঃপর যখন অবসর হবে, সে তার ভুলে যাওয়া নামায পড়বে, অতঃপর ইমামের সাথে পড়া নামায পুনরায় পড়বে” (দারু কুতনী, বায়হাদী)।
অপরদিকে তাউস (র) বলেছেন, তরতীব ওয়াজিব নয়। শাফিঈ এবং যাহেরী মাযহাবের ইমামদেরও এই মত (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান