আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
২- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ২৮৩
- নামাযের অধ্যায়
কিবলা পরিবর্তন এবং বাইতুল মুকাদ্দাস-এর কিবলা রহিত করা হয়েছে।
২৮৩। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাযিঃ) বলেন, একদা কিছু সংখ্যক লোক ফজরের নামায পড়ছিলো। এমন সময় তাদের কাছে এক ব্যক্তি এসে বললো, গত রাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর উপর কুরআনের আয়াত নাযিল হয়েছে। তাতে কিবলার দিকে মুখ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । অতএব লোকজন কিবলার দিকে মুখ করলো। তাদের মুখমণ্ডল ছিল সিরিয়ার দিকে এবং তারা কাবার দিকে ঘুরে গেলো।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, এই হাদীস অনুযায়ী আমরা আমল করি। কোন ব্যক্তি ভুল বশত কিবলা ছাড়া অন্য দিকে এক বা দুই রাকআত নামায পড়ে ফেললো। অতঃপর সে জানতে পারলো যে, সে কিবলার বিপরীত দিকে মুখ করে নামায পড়ছে। তখন সে সাথে সাথে কিবলার দিকে ফিরে যাবে এবং অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে। আর পূর্বে কিবলার বিপরীত দিকে মুখ করে যে নামায পড়া হয়েছে, তা হিসাবে ধরা হবে। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, এই হাদীস অনুযায়ী আমরা আমল করি। কোন ব্যক্তি ভুল বশত কিবলা ছাড়া অন্য দিকে এক বা দুই রাকআত নামায পড়ে ফেললো। অতঃপর সে জানতে পারলো যে, সে কিবলার বিপরীত দিকে মুখ করে নামায পড়ছে। তখন সে সাথে সাথে কিবলার দিকে ফিরে যাবে এবং অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে। আর পূর্বে কিবলার বিপরীত দিকে মুখ করে যে নামায পড়া হয়েছে, তা হিসাবে ধরা হবে। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
أبواب الصلاة
بَابُ: بَدْءِ أَمْرِ الْقِبْلَةِ وَمَا نُسِخَ مِنْ قِبْلَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: بَيْنَمَا النَّاسُ فِي صَلاةِ الصُّبْحِ إِذْ أَتَاهُمْ رَجُلٌ، فَقَالَ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ، وَقَدْ أُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ فَاسْتَقْبِلُوهَا، وَكَانَتْ وُجُوهُهُمْ إِلَى الشَّامِ فَاسْتَدَارُوا إِلَى الْكَعْبَةِ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ فِيمَنْ أَخْطَأَ الْقِبْلَةَ حَتَّى صَلَّى رَكْعَةً، أَوْ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ عَلِمَ أَنَّهُ يُصَلِّي إِلَى غَيْرِ الْقِبْلَةِ فَلْيَنْحَرِفْ إِلَى الْقِبْلَةِ فَيُصَلِّي مَا بَقِيَ وَيَعْتَدُّ بِمَا مَضَى، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، رَحِمَهُ اللَّهُ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** হিজরী দ্বিতীয় সনের রজব অথবা শাবান মাসে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ নাযিল হয়। ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন, নবী ﷺ বিশ্ব ইবনুল বারাআ ইবনে মারূর (রা)-এর বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। সেখানে যুহরের নামাযের সময় হলে তিনি নামায পড়তে দাঁড়ান। দুই রাকআত পড়ার পর তৃতীয় রাকআতে কিবলা পরিবর্তনের আয়াত নাযিল হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং সকল মুক্তাদী বাইতুল মাকদিস থেকে ঘুরে গিয়ে কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ান। অতঃপর কিবলা পরিবর্তনের এই সংবাদ মদীনা ও তার পাশের এলাকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
বারাআ ইবনে আযেব (রা) বলেন, এক স্থানে নামাযীগণ রুকূ অবস্থায় এই ঘোষণা শুনতে পায় এবং সাথে সাথে তারা কাবার দিকে ঘুরে যায়।
আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, বনু সালেমার লোকদের কাছে এই সংবাদ পৌঁছে পরের দিন ভোরবেলা। নামাযীগণ তখন এক রাকআত পড়েছিল। এমন সময় তাদের কানে কিবলা পরিবর্তনের ঘোষণা পৌঁছে। সঙ্গে সঙ্গে তার কাবার দিকে ঘুরে যায়। এখানে স্মরণ রাখা দরকার যে, বাইতুল মুকাদ্দাস মদীনার উত্তরদিকে এবং কাবাঘর মদীনার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত (অনুবাদক)।
বারাআ ইবনে আযেব (রা) বলেন, এক স্থানে নামাযীগণ রুকূ অবস্থায় এই ঘোষণা শুনতে পায় এবং সাথে সাথে তারা কাবার দিকে ঘুরে যায়।
আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, বনু সালেমার লোকদের কাছে এই সংবাদ পৌঁছে পরের দিন ভোরবেলা। নামাযীগণ তখন এক রাকআত পড়েছিল। এমন সময় তাদের কানে কিবলা পরিবর্তনের ঘোষণা পৌঁছে। সঙ্গে সঙ্গে তার কাবার দিকে ঘুরে যায়। এখানে স্মরণ রাখা দরকার যে, বাইতুল মুকাদ্দাস মদীনার উত্তরদিকে এবং কাবাঘর মদীনার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত (অনুবাদক)।