আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

৪- যাকাতের অধ্যায়

হাদীস নং: ৩২৩
- যাকাতের অধ্যায়
ধন-সম্পদের যাকাত।
৩২৩। আস-সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। উছমান ইবনে আফ্‌ফান (রাযিঃ) বলতেন, এটা তোমাদের যাকাত আদায় করার মাস। অতএব যার ঋণ রয়েছে সে যেন প্রথমে তা পরিশোধ করে, অতঃপর অবশিষ্ট মালের যাকাত দেয় ।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। যে ব্যক্তির দেনা রয়েছে, সে তার মাল থেকে প্রথমে সেই দেনা পরিশোধ করবে, অতঃপর যাকাত ফরয হওয়ার পরিমাণ মাল অবশিষ্ট থাকলে তার যাকাত দিবে। তার পরিমাণ যদি দুই শত দিরহাম অথবা বিশ মিছকাল সোনা বা তার অধিক হয়, তবে তার যাকাত আদায় করতে হবে।** যদি অবশিষ্ট মালের পরিমাণ এর কম হয় তবে তার উপর যাকাত ধার্য হবে না। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
كتاب الزكاة
بَابُ: زَكَاةِ الْمَالِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، كَانَ يَقُولُ: «هَذَا شَهْرُ زَكَاتِكُمْ، فَمَنْ كَانَ عَلَيْهِ دَيْنٌ، فَلْيُؤَدِّ دَيْنَهُ حَتَّى تُحَصَّلَ أَمْوَالُكُمْ، فَتُؤَدُّوا مِنْهَا الزَّكَاةَ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، مَنْ كَانَ عَلَيْهِ دَيْنٌ وَلَهُ مَالٌ فَلْيَدْفَعْ دَيْنَهُ مِنْ مَالِهِ، فَإِنْ بَقِيَ بَعْدَ ذَلِكَ مَا تَجِبُ فِيهِ الزَّكَاةُ فَفِيهِ زَكَاةٌ، وَتِلْكَ مِائَتَا دِرْهَمٍ، أَوْ عِشْرُونَ مِثْقَالا ذَهَبًا فَصَاعِدًا، وَإِنْ كَانَ الَّذِي بَقِيَ أَقَلَّ مِنْ ذَلِكَ، بَعْدَ مَا يَدْفَعُ مِنْ مَالِهِ الدَّيْنَ فَلَيْسَتْ فِيهِ الزَّكَاةُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “তোমার কাছে যদি দুই শত দিরহার থাকে এবং তার উপর দিয়ে এক বছর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তাহলে এর উপর পাঁচ দিরহাম যাকাত ধার্য হবে। তোমাকে সোনার উপর যাকাত দিতে হবে না, যতক্ষণ তা বিশ দীনারে না পৌঁছবে। যখন তোমার কাছে বিশ দীনার থাকে এবং তার উপর যদি এক বছর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তাহলে এর উপর অর্ধ দীনার যাকাত ধার্য হবে। যদি তার পরিমাণ এর বেশী হয়, তাহলে উল্লেখিত হারে এর উপর যাকাত ধার্য হবে” (আবু দাউদ)। একদল সাহাবীর বর্ণনামতে, সোনার পরিমাণও দুই শত দিরহামের সমান হলে তার উপর নির্দিষ্ট হারে যাকাত ধার্য হবে (দারু কুতনী) (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান