আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
৪- যাকাতের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩২৭
- যাকাতের অধ্যায়
ধারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের কি যাকাত দিতে হবে?
৩২৭। যুবাইর (রাযিঃ)-র মুক্তদাস মুহাম্মাদ ইবনে উকবা (রাহঃ) বলেন যে, তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মাদের কাছে তার মুকাতাব দাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। সে দাসত্বমুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে একটি মোটা অংক দেয়ার জন্য যুবাইরের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলো। ইবনে উকবা বলেন, আমি বললাম, এই অংকের উপর কি যাকাত ধার্য হবে? কাসিম (রাহঃ) বললেন, (আমার দাদা) আবু বাকর (রাযিঃ) এমন মালের যাকাত গ্রহণ করতেন না যার উপর দিয়ে এক বছর অতিবাহিত হয়নি। কাসিম (রাহঃ) বলেন, আবু বাকর (রাযিঃ) যখন লোকদের বাৎসরিক ভাতা প্রধান করতেন তখন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করতেন, তোমার কাছে কি যাকাত ওয়াজিব হওয়ার পরিমাণ মাল আছে? সে “হ্যাঁ’ বললে তিনি এই ভাতা থেকে ঐ মালের যাকাত কেটে রাখতেন। আর “না” বললে তিনি তার পূর্ণ ভাতা দিয়ে দিতেন ।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এবং ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এই মত গ্রহণ করেছি।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এবং ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এই মত গ্রহণ করেছি।
كتاب الزكاة
بَابُ: الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ الدَّيْنُ هَلْ عَلَيْهِ فِيهِ زَكَاةٌ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُقْبَةَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَأَلَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ مُكَاتَبٍ لَهُ قَاطَعَهُ بِمَالٍ عَظِيمٍ؟ قَالَ: قُلْتُ: هَلْ فِيهِ زَكَاةٌ؟ قَالَ الْقَاسِمُ: إِنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ " لا يَأْخُذُ مِنْ مَالٍ صَدَقَةً حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ، قَالَ الْقَاسِمُ: وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ إِذَا أَعْطَى النَّاسَ أُعْطِياتِهِمْ يَسْأَلُ الرَّجُلَ هَلْ عِنْدَكَ مِنْ مَالٍ قَدْ وَجَبَتْ فِيهِ الزَّكَاةُ؟ فَإِنْ قَالَ: نَعَمْ، أَخَذَ مِنْ عَطَائِهِ زَكَاةَ ذَلِكَ الْمَالِ، وَإِنْ قَالَ لا، سَلَّمَ إِلَيْهِ عَطَاءَهُ "، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** হযরত আবু বাকর (রা) ও উছমান (রা)-র কর্মনীতি অনুযায়ী সরকার ইচ্ছা করলে তার কর্মচারীদের বেতন-ভাতা থেকে তার সম্পদের যাকাত কেটে রাখতে পারে কর্মচারীর সম্মতি সাপেক্ষে (অনুবাদক)।