আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
৭- বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৩৮
- বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
একত্রে দুই বোন অথবা মা ও মেয়েকে বাঁদী হিসাবে নিজ মালিকানায় রাখা।
৫৩৮। কাবীসা ইবনে যুয়াইব (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি হযরত উছমান (রাযিঃ)-র কাছে জিজ্ঞেস করলো, দুই বোন একত্রে এক ব্যক্তির মালিকানায় এসেছে। তাদের উভয়ের সাথে সহবাস করা যাবে কি? তিনি বলেন, তাদেরকে একটি আয়াত জায়েয সাব্যস্ত করছে, কিন্তু অপর একটি আয়াত হারাম সাব্যস্ত করছে। কিন্তু আমি দুই বোন একত্র করা পছন্দ করি না। অতঃপর লোকটি চলে গেলো এবং নবী ﷺ -এর অপর একজন সাহাবীর সাথে সাক্ষাত করলো। সে তার কাছেও এসম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বলেন, আমার যদি কোনরূপ কর্তৃত্ব থাকতো এবং কাউকে এরূপ করতে দেখতাম, তবে আমি তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম। ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, আমার ধারণামতে এই সাহাবী ছিলেন হযরত আলী (রাযিঃ)।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা উল্লেখিত অভিমতগুলো গ্রহণ করেছি। একই ব্যক্তির মালিকানাধীন মা ও তার কন্যাকে এবং দুই বোনকে একত্র করা জায়েয নয়। আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ তাআলা স্বাধীন মেয়েদের (বৈবাহিক সম্পর্কের) ক্ষেত্রে যা কিছু হারাম করেছেন, বাঁদীদের ক্ষেত্রেও তা হারাম করেছেন। তবে তাদের একই ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত করা যেতে পারে অর্থাৎ যে ক'জন বাঁধী ইচ্ছা জমা করতে পারে। কিন্তু স্বাধীন মহিলাদের চারজনের অধিক একত্রে জমা করা যাবে না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-রও এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা উল্লেখিত অভিমতগুলো গ্রহণ করেছি। একই ব্যক্তির মালিকানাধীন মা ও তার কন্যাকে এবং দুই বোনকে একত্র করা জায়েয নয়। আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ তাআলা স্বাধীন মেয়েদের (বৈবাহিক সম্পর্কের) ক্ষেত্রে যা কিছু হারাম করেছেন, বাঁদীদের ক্ষেত্রেও তা হারাম করেছেন। তবে তাদের একই ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত করা যেতে পারে অর্থাৎ যে ক'জন বাঁধী ইচ্ছা জমা করতে পারে। কিন্তু স্বাধীন মহিলাদের চারজনের অধিক একত্রে জমা করা যাবে না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-রও এই মত।
كتاب النكاح
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، أَنَّ رَجُلا سَأَلَ عُثْمَانَ عَنِ الأُخْتَيْنِ مِمَّا مَلَكَتِ الْيَمِينُ هَلْ يُجْمَعُ بَيْنَهُمَا؟ فَقَالَ: «أَحلَّتْهُمَا آيَةٌ وَحَرَّمَتْهُمَا آيَةٌ، مَا كُنْتُ لِأَصْنَعَ ذَلِكَ» ، ثُمَّ خَرَجَ فَلَقِيَ رَجُلا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: لَوْ كَانَ لِي مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ، ثُمَّ أُتِيتُ بِأَحَدٍ فَعَلَ ذَلِكَ جَعَلْتُهُ نَكَالا، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: أُرَاهُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا كُلِّهِ نَأْخُذُ لا يَنْبَغِي أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَبَيْنَ ابْنَتِهَا، وَلا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَأُخْتِهَا فِي مِلْكِ الْيَمِينِ، قَالَ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ: مَا حَرَّمَ اللَّهُ تَعَالَى مِنَ الْحَرَائِرِ شَيْئًا إِلا وَقَدْ حَرَّمَ مِنَ الإِمَاءِ مِثْلَهُ إِلا أَنْ يَجْمَعَهُنَّ رَجُلٌ، يَعْنِي بِذَلِكَ أَنَّهُ يَجْمَعُ مَا شَاءَ مِنَ الإِمَاءِ، وَلا يَحِلُّ لَهُ فَوْقَ أَرْبَعِ حَرَائِرَ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى