আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
১১- শরীআতে চুরির দন্ড বিধি
হাদীস নং: ৬৮৬
- শরীআতে চুরির দন্ড বিধি
মামলা দায়েরের পর চুরি যাওয়া মাল চোরকে দান করার বর্ণনা।
৬৮৬। সাফওয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (তার দাদা) সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া (রাযিঃ)-কে বলা হলো, “যে ব্যক্তি হিজরত করেনি সে ধ্বংস হয়েছে।” তিনি একটি জন্তুযান নিয়ে ডাকলেন এবং তাতে সওয়ার হয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে গেলেন। তিনি বললেন, আমাকে বলা হয়েছে, “যে ব্যক্তি হিজরত করেনি সে ধ্বংস হয়েছে।” রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বলেনঃ “আবু ওয়াহ্ব! তুমি মক্কার কংকরময় জমীনে চলে যাও। সাফওয়ান (রাযিঃ) মসজিদে (নববী অথবা মসজিদুল হারাম) এসে নিজের চাদর দিয়ে বালিশ বানিয়ে সেখানে ঘুমিয়ে পড়লেন। এ সময় একটি চোর এসে তার চাদর চুরি করলো। তিনি চোরকে গ্রেপ্তার করে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে নিয়ে এলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ চোরের হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। তখন সাফওয়ান (রাযিঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটা আশা করিনি। আমি চাদরটি তাকে দান করলাম। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ “আমার কাছে নিয়ে আসার পূর্বেই তুমি তা করলে না কেন?” (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজা, মুসনাদে আহমাদ)।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, চোর অথবা যেনার অপবাদ আরোপকারীকে বিচারকের কাছে সোপর্দ করার পর বাদী তার দাবি প্রত্যাহার করে নিলেও বিচারককে দণ্ড বিধান করতে হবে। তিনি অপরাধীকে রেহাই দিতে পারবেন না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং হানাফী ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, চোর অথবা যেনার অপবাদ আরোপকারীকে বিচারকের কাছে সোপর্দ করার পর বাদী তার দাবি প্রত্যাহার করে নিলেও বিচারককে দণ্ড বিধান করতে হবে। তিনি অপরাধীকে রেহাই দিতে পারবেন না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং হানাফী ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الحدود والسرقة
بَابُ: الرَّجُلِ يُسْرَقُ مِنْهُ الشَّيْءُ يَجِبُ فِيهِ الْقَطْعُ فَيَهَبُهُ السَّارِقَ بَعْدَمَا يَرْفَعُهُ إِلَى الإِمَامِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ: قِيلَ لِصَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ: إِنَّهُ مَنْ لَمْ يُهَاجِرْ هَلَكَ، فَدَعَا بِرَاحِلَتِهِ، فَرَكِبَهَا حَتَّى قَدِمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنَّهُ قَدْ قِيلَ لِي: إِنَّهُ مَنْ لَمْ يُهَاجِرْ هَلَكَ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ارْجِعْ أَبَا وَهْبٍ إِلَى أَبَاطِحِ مَكَّةَ» ، فَنَامَ صَفْوَانُ فِي الْمَسْجِدِ مُتَوَسِّدًا رِدَاءَهُ، فَجَاءَهُ سَارِقٌ، فَأَخَذَ رِدَاءَهُ، فَأَخذَ السَّارِقَ، فَأَتَى بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالسَّارِقِ أَنْ تُقْطَعَ يَدُهُ» ، فَقَالَ صَفْوَانُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي لَمْ أُرِدْ هَذَا، هُوَ عَلَيْهِ صَدَقَةٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَهَلا قَبْلَ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ» .
قَالَ مُحَمَّدٌ: إِذَا رُفِعَ السَّارِقُ إِلَى الإِمَامِ، أَوِ الْقَاذِفِ، فَوَهَبَ صَاحِبُ الْحَدِّ حَدَّهُ، لَمْ يَنْبَغِ لِلإِمَامِ أَنْ يُعَطِّلَ الْحَدَّ، وَلَكِنَّهُ يُمْضِيهِ.
وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
قَالَ مُحَمَّدٌ: إِذَا رُفِعَ السَّارِقُ إِلَى الإِمَامِ، أَوِ الْقَاذِفِ، فَوَهَبَ صَاحِبُ الْحَدِّ حَدَّهُ، لَمْ يَنْبَغِ لِلإِمَامِ أَنْ يُعَطِّلَ الْحَدَّ، وَلَكِنَّهُ يُمْضِيهِ.
وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا