মুসনাদে ইমাম আযম আবু হানীফা রহঃ
২৫. ফিতনাসমূহের বিবরণ
হাদীস নং: ৪৯৭
ফিতনাসমূহের বিবরণ
ফিতনার বিবরণ
হাদীস নং- ৪৯৭
হযরত ইব্ন উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার উম্মতের উপর যে ব্যক্তি তরবারী কোষমুক্ত করে, তাহলে দোযখের সাতটি দরওয়াযার মধ্যে একটি দরওয়াযা তার জন্য (নির্ধারিত) থাকবে, যে তরবারী কোষমুক্ত করে।
হযরত ইব্ন উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার উম্মতের উপর যে ব্যক্তি তরবারী কোষমুক্ত করে, তাহলে দোযখের সাতটি দরওয়াযার মধ্যে একটি দরওয়াযা তার জন্য (নির্ধারিত) থাকবে, যে তরবারী কোষমুক্ত করে।
كتاب الفتن
عَنْ يَحْيَى، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ سَلَّ السَّيْفَ عَلَى أُمَّتِيْ، فَإِنَّ لِجَهَنَّمَ سَبْعَةَ أَبْوَابٍ: بَابٌ مِنْهَا لِمَنْ سَلَّ السَّيْفَ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
বুখারী শরীফে হযরত ইব্ন উমর (রা) থেকে মরফু হাদীস বর্ণনা করেন, হুযূর (সা) বলেছেনঃمن حمل علينا السلاح فليس منا (যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র উত্তোলন করবে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।) এটা হলো ভীতি প্রদর্শন ও নির্দেশ, যাতে মুসলমানগণ পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত না হয়। পরস্পরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার না করে এবং ভাই ভাই-এর রক্ত প্রবাহিত না করে, নিজ শক্তিকে নিজের হাতে ধ্বংস না করে। যেমন কুরআন মজীদে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ وَلَا تَنَازَعُوا فَتَفْشَلُوا وَتَذْهَبَ رِيحُكُمْ ( তোমরা পরস্পর বিবাদ কর না, তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে যাবে এবং তোমাদের শক্তি ও ক্ষমতা হ্রাস পেয়ে যাবে।)