ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৩. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৬১৮
নামাযের অধ্যায়
কুরআন পাঠে পারং্গমের মর্যাদা এবং কুরআন পাঠ ও শ্রবণের মর্যাদা
(৬১৮) ইবন মাসউদ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর গ্রন্থের একটি বর্ণ পাঠ করবে তার জন্য একটি পুণ্য আর পুণ্য দশগুণ দেওয়া হবে । আমি বলছি না যে, আলিফ-লাম-মীম' একটি বৰ্ণ । কিন্তু 'আলিফ' একটি বর্ণ, ‘লাম’ একটি বর্ণ এবং ‘মীম' একটি বর্ণ।
كتاب الصلاة
عن ابن مسعود رضي الله عنه مرفوعا: من قرأ حرفا من كتاب الله فله به حسنة والحسنة بعشر أمثالها لا أقول الم حرف ولكن ألف حرف ولام حرف وميم حرف
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(তিরমিযি । তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) (সুনান তিরমিযি, হাদীস-২৯১০]
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আল্লাহ্ তা'আলার এ অনুগ্রহমূলক বিধানটি যে একটি নেকীর কাজের উপর দশটি নেকীর সমান সওয়াব দান করা হবে, কুরআন মজীদেও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সূরা আন'আমে বলা হয়েছে: من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها অর্থাৎ, যে ব্যক্তি একটি নেকীর কাজ করবে, তাকে এমন দশটি নেকীর সওয়াব দান করা হবে।
উপরের হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ উম্মতকে এ সুসংবাদ শুনিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এখলাসের সাথে কুরআন মজীদ তেলাওয়াত করবে, তার প্রতিটি অক্ষরের তেলাওয়াত একটি নেকী হিসাবে গণ্য হবে, যা প্রতিদানের দিক দিয়ে দশটি নেকীর সমান হবে। এ হাদীসেরই বায়হাকীর এক রেওয়ায়তে রয়েছে যে, হুযুর ﷺ বলেছেন: আমি বলছি না যে, "বিসমিল্লাহ" একটি অক্ষর; বরং 'বা একটি অক্ষর, 'সীন' একটি অক্ষর ও 'মীম' একটি অক্ষর। আর আমি একথাও বলছি না যে, 'আলিফ-লাম-মীম' একটি অক্ষর; বরং 'আলিফ' একটি অক্ষর, 'লাম' একটি অক্ষর ও 'মীম' একটি অক্ষর। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদেরকে ইয়াকীন ও বিশ্বাসের দৌলত দান করুন। এ আয়াতে আল্লাহর পাক কালাম তেলাওয়াতকারীদের জন্য বড়ই সুসংবাদ রয়েছে। সত্যিই তারা কত বড় ভাগ্যবান।
এ হাদীস থেকে একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত এও পাওয়া গেল যে, কুরআন শরীফ তেলাওয়াতে সওয়াব লাভের জন্য এটা জরুরী নয় যে, এ তেলাওয়াত অর্থ ও মর্ম বুঝেই করতে হবে। কেননা, আলিফ-লাম-মীম ও সকল হরফে মুকাত্তাআত এর তেলাওয়াত অর্থ ও মর্ম না বুঝেই করা হয়ে থাকে, অথচ হাদীসে স্পষ্ট বলে দিয়েছে যে, এ সকল অক্ষর পাঠকারীদেরকেও প্রতি অক্ষরে দশটি করে নেকী দান করা হয়।
উপরের হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ উম্মতকে এ সুসংবাদ শুনিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এখলাসের সাথে কুরআন মজীদ তেলাওয়াত করবে, তার প্রতিটি অক্ষরের তেলাওয়াত একটি নেকী হিসাবে গণ্য হবে, যা প্রতিদানের দিক দিয়ে দশটি নেকীর সমান হবে। এ হাদীসেরই বায়হাকীর এক রেওয়ায়তে রয়েছে যে, হুযুর ﷺ বলেছেন: আমি বলছি না যে, "বিসমিল্লাহ" একটি অক্ষর; বরং 'বা একটি অক্ষর, 'সীন' একটি অক্ষর ও 'মীম' একটি অক্ষর। আর আমি একথাও বলছি না যে, 'আলিফ-লাম-মীম' একটি অক্ষর; বরং 'আলিফ' একটি অক্ষর, 'লাম' একটি অক্ষর ও 'মীম' একটি অক্ষর। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদেরকে ইয়াকীন ও বিশ্বাসের দৌলত দান করুন। এ আয়াতে আল্লাহর পাক কালাম তেলাওয়াতকারীদের জন্য বড়ই সুসংবাদ রয়েছে। সত্যিই তারা কত বড় ভাগ্যবান।
এ হাদীস থেকে একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত এও পাওয়া গেল যে, কুরআন শরীফ তেলাওয়াতে সওয়াব লাভের জন্য এটা জরুরী নয় যে, এ তেলাওয়াত অর্থ ও মর্ম বুঝেই করতে হবে। কেননা, আলিফ-লাম-মীম ও সকল হরফে মুকাত্তাআত এর তেলাওয়াত অর্থ ও মর্ম না বুঝেই করা হয়ে থাকে, অথচ হাদীসে স্পষ্ট বলে দিয়েছে যে, এ সকল অক্ষর পাঠকারীদেরকেও প্রতি অক্ষরে দশটি করে নেকী দান করা হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)