ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
১১. ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি
হাদীস নং: ১৮৪০
ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি
দশ দিরহামের কমে হস্তকর্তন হয় না এবং এর বিপরীত বর্ণনার ব্যাখ্যা
(১৮৪০) আব্দুল্লাহ ইবন আমর রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দশ দিরহামের কমে কর্তন নেই।
كتاب الحدود
عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنه مرفوعا: لا قطع فيما دون عشرة دراهم
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(আহমাদ। হাদীসটির সনদ একেবারে আপত্তিকর নয় ।**উমার রা., উসমান রা., আলী রা. ও ইবন মাসউদ রা. থেকে এইরূপ মতামত বর্ণিত হয়েছে)। [মুসনাদ আহমাদ, হাদীস-৬৯০০; সুনান দারাকুতনি, হাদীস-৩৪২৮]
** হাদীসটির একমাত্র বর্ণনাকারী ইমাম আহমাদের উস্তাদ নাসর ইবন বার (১৯৩ হি.)। ইমাম বুখারি, নাসায়ি, ইবন মাঈন, ইবনুল মাদীনি ও অন্যান্য মুহাদ্দিস তাকে মিথ্যাবাদী ও পরিত্যাক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। এক বর্ণনায় ইমাম আহমাদ বলেন, লোকটি একেবারে অগ্রহণযোগ্য ছিল না। ইবন সা'দ বলেন, প্রথমে লোকটির হাদীস মানুষ গ্রহণ করত। কিন্তু পরে তার হাদীসের মধ্যে মিথ্যা পরিলক্ষিত হওয়ায় তাকে মুহাদ্দিসগণ পরিত্যাগ করেন। একমাত্র তিনিই দাবি করেন যে, হাজ্জাজ ইবন আরতা নামক তাবিয়ি আমর ইবন শুআইবের সূত্রে এই হাদীসটি বলেছেন। (গ্রন্থকারের টীকার আলোকে)
** হাদীসটির একমাত্র বর্ণনাকারী ইমাম আহমাদের উস্তাদ নাসর ইবন বার (১৯৩ হি.)। ইমাম বুখারি, নাসায়ি, ইবন মাঈন, ইবনুল মাদীনি ও অন্যান্য মুহাদ্দিস তাকে মিথ্যাবাদী ও পরিত্যাক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। এক বর্ণনায় ইমাম আহমাদ বলেন, লোকটি একেবারে অগ্রহণযোগ্য ছিল না। ইবন সা'দ বলেন, প্রথমে লোকটির হাদীস মানুষ গ্রহণ করত। কিন্তু পরে তার হাদীসের মধ্যে মিথ্যা পরিলক্ষিত হওয়ায় তাকে মুহাদ্দিসগণ পরিত্যাগ করেন। একমাত্র তিনিই দাবি করেন যে, হাজ্জাজ ইবন আরতা নামক তাবিয়ি আমর ইবন শুআইবের সূত্রে এই হাদীসটি বলেছেন। (গ্রন্থকারের টীকার আলোকে)