ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৩৩. জবাইয়ের নিয়মাবলি
হাদীস নং: ২২৭৫
জবাইয়ের নিয়মাবলি
হায়েনা, নেকড়ে, শৃগাল, খেকশিয়াল ভক্ষণের নিষেধাজ্ঞা
(২২৭৫) তাবিয়ি ইবন আবু আম্মার বলেন, আমি জাবির রা.কে বললাম, হায়েনা কি শিকার? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, আমি কি হায়েনা ভক্ষণ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, এ কথা কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
كتاب الذبائح
عن ابن أبي عمار قال قلت لجابر رضي الله عنه: الضبع أصيد هي؟ قال نعم قال قلت اكلها؟ قال: نعم قال: قلت أقاله رسول الله صلى الله عليه وسلم ؟ قال: نعم
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(তিরমিযি, নাসায়ি, ইবন মাজাহ, আহমাদ । তিরমিযি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। বুখারি এবং ইবন হিব্বানও হাদীসটি সহীহ বলেছেন। তাহাবি হাদীসটির দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছেন । আবু দাউদও হাদীসটি সঙ্কলন করেছেন। তার বর্ণনায় ভক্ষণ করার কথা উল্লেখ করা হয় নি। শুধু উল্লেখ করা হয়েছে যে, হায়েনা একটি শিকার্য পশু। কোনো ব্যক্তি হজ্জ বা উমরার ইহরাম অবস্থায় তা শিকার করলে তাকে সে জন্য একটি দুম্বা বা ছাগল কাফফারা দিতে হবে)। [সুনান তিরমিযি, হাদীস-৮৫১; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস-৩২৩৬; মুসনাদ আহমাদ, হাদীস-১৪১৬৫; সুনান আবু দাউদ, হাদীস-৩৮০১]
হাদীসের ব্যাখ্যা:
গ্রন্থকার বলেন, অখাদ্য বা অবৈধ পশুও শিকার হতে পারে। আলী রা. এক কবিতায় বলেন: صيد الملوك أرانب وثعالب • وإذا ركبت فصيدي الأبطال ‘রাজা-বাদশাগণ শিকার করেন খরগোশ ও শৃগাল। আর আমি যখন আরোহণ করি তখন আমি শিকার করি বীরগণকে'।