মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ১১৬
পবিত্রতা অর্জন
(৪) পরিচ্ছেদঃ প্রকৃতির ডাকে সাড়াদানকারী শৌচাগারে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় যা বলবে
(১১৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শৌচাগার বা মলত্যাগের স্থান থেকে বের হতেন তখন বলতেন, 'আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি।'
(তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। ইবন হিব্বান, হাকিম ও ইবন খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলে গণ্য করেছেন।)
(তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। ইবন হিব্বান, হাকিম ও ইবন খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলে গণ্য করেছেন।)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما يقول المتخلي عند دخوله وخروجه
(116) عن عائشة رضى الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج من
الغائط (1) قال غفرانك (2)
الغائط (1) قال غفرانك (2)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
নবী কারীম ﷺ পায়খানা থেকে বের হওয়ার পর যে মাগফিরাত কামনা করতেন। তার ব্যাখ্যা বিভিন্ন রকম হতে পারে। তবে এর মধ্যে সর্বাধিক সূক্ষ্ম, হৃদয়গ্রাহী ব্যাখ্যা অধমের (গ্রন্থকার) কাছেই এই হতে পারে যে, মানুষের পেটে যে দুর্গন্ধময় পায়খানা জমা হয় তা প্রতিটি মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কাজেই যদি তা সময়মত বের করে না দেয়া যায় এবং বারবার পায়খানা করতে হয় তবে তা এক ধরনের রোগ বৈকি! পক্ষান্তরে সাধারণ সুস্থতার দাবি অনুসারে যদি পেট থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে যায় তাতে মানুষ মাত্রই শরীরে হালকা ও স্বস্তি অনুভব করে। আর এ অভিজ্ঞতা প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে। প্রত্যেক সচেতন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিবর্গের পেটের ময়লার মত গুনাহও বোঝা স্বরূপ। তাই সাধারণ মানুষ পেটের ময়লা দূর করতে যেমন সচেষ্ট, তারা তার চাইতে বেশী সচেষ্ট পিঠ থেকে দুর্ণামের বোঝ দূর করতে।
নবী কারীম ﷺ যখন তাঁর পেট থেকে অতিরিক্ত বস্তু বের করে দিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেন। তখন আল্লাহর মহান দরবারে এই বলে দু'আ করতেন- "হে আল্লাহ্! তুমি আমার শরীর থেকে অতিরিক্ত বস্তু বের করে যেমন হালকা করেছ এবং শান্তি স্বাচ্ছান্দ্য দান করেছ, তদ্রুপ গুনাহ্ থেকে আমার আত্মাকে পরিচ্ছন্ন কর এবং গুনাহর বোঝা থেকেও আমার পিঠ হালকা করে দাও।"
নবী কারীম ﷺ কে নিম্নবর্ণিত আয়াতসহ আরো অনেক আয়াত দ্বারা নিষ্পাপ ঘোষণা করা হয়েছে। আয়াতটি হচ্ছে এই: لِيَغْفِرَ لَكَ اللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ "যেন আল্লাহ্ আপনার অতীত ও ভবিষ্যৎ ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন।" (৪৮, সূরা ফাতহ : ২)
কুরআন মজীদে- এ ঘোষণা থাকার পরও নবী কারীম ﷺ কেন ইস্তিগফার পাঠ করতেন। ইনশাআল্লাহ্ সালাত অধ্যায়ের তাহাজ্জুদ অনুচ্ছেদে তার বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
নবী কারীম ﷺ যখন তাঁর পেট থেকে অতিরিক্ত বস্তু বের করে দিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেন। তখন আল্লাহর মহান দরবারে এই বলে দু'আ করতেন- "হে আল্লাহ্! তুমি আমার শরীর থেকে অতিরিক্ত বস্তু বের করে যেমন হালকা করেছ এবং শান্তি স্বাচ্ছান্দ্য দান করেছ, তদ্রুপ গুনাহ্ থেকে আমার আত্মাকে পরিচ্ছন্ন কর এবং গুনাহর বোঝা থেকেও আমার পিঠ হালকা করে দাও।"
নবী কারীম ﷺ কে নিম্নবর্ণিত আয়াতসহ আরো অনেক আয়াত দ্বারা নিষ্পাপ ঘোষণা করা হয়েছে। আয়াতটি হচ্ছে এই: لِيَغْفِرَ لَكَ اللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ "যেন আল্লাহ্ আপনার অতীত ও ভবিষ্যৎ ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন।" (৪৮, সূরা ফাতহ : ২)
কুরআন মজীদে- এ ঘোষণা থাকার পরও নবী কারীম ﷺ কেন ইস্তিগফার পাঠ করতেন। ইনশাআল্লাহ্ সালাত অধ্যায়ের তাহাজ্জুদ অনুচ্ছেদে তার বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)