মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ২০৪
নামাযের অধ্যায়
ছুটে যাওয়া নামায কাযা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(২০৪) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলছেন, যে ব্যক্তি কোন নামায পড়তে ভুলে গেছে, অথবা ঘুমের কারণে নামায পড়তে পারে নি তার কাফ্ফারা হল, মনে পড়ার সাথে সাথে তা পড়ে নেয়া।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
أبواب قضاء الفوائت

(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(204) عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
من نسي صلاة أو نام عنها فإنمَّا كفارتها (وفى رواية فكفَّارتها) أن يصلَّيها اذا ذكرها.

হাদীসের ব্যাখ্যা:

কোন ব্যক্তি যদি (ওয়াক্ত যাওয়ার পর) ঘুম থেকে উঠে কিংবা সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে সে যেন সালাত আদায় করে নেয়। এমতাবস্থায় তার সালাত আদায় হিসেবে গণ্য হবে-কাযার গুনাহ হবে না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কোন কোন সফরে এমন ঘটনা সংঘটিত হয়। গভীর রাতে তিনি এবং তাঁর সাহাবীগণ পথ চলতেন। এরই মাঝে একটু অবসাদ কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে আরাম করতে যেয়ে শুয়ে পড়েন এবং হযরত বিলাল (রা) জেগে থাকার ও সবাইকে ফজরের জন্য ঘুম থেকে ওঠানোর দায়িত্বে থাকেন। কিন্তু আল্লাহরই অসীম কুদরত, সুবহে সাদিকের সময় স্বয়ং হযরত বিলাল (রা) ঘুমিয়ে পড়েন এমনকি সূর্য ওঠে যায়। সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ ﷺ চোখ খোলেন। তারপর সবাই ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় ঘুম থেকে উঠেন। সবার সালাত কাযা হওয়ায় প্রত্যেকেই বিষণ্ণ হন। রাসূলুল্লাহ ﷺ আযান দানের ব্যবস্থা করে সালাতের ইমামতি করেন এবং বলেন, নিদ্রাজনিত কারণে সালাতের সময় গড়িয়ে গেলে তাতে গুনাহ নেই। বরং জাগ্রত থেকে যদি কেউ সালাত কাযা করে, তবে তার জন্য রয়েছে গুনাহ। (মুসলিমের সংক্ষিপ্ত সার)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান