মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১২৩২
নামাযের অধ্যায়
(১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৮) ছুমামা ইবন্ শারাহিল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-এর কাছে গেলাম। অতঃপর তাঁকে বললাম, মুসাফিরের সালাত কি? তিনি বললেন, দুই রাকাত দুই রাকাত করে তবে মাগরিবের সালাত তিন রাকাত। আমি বললাম, আমরা যদি জুলমাজাযে অবস্থান করি তবুও কি আপনি তাই বলবেন? তিনি বললেন, জুলমাজায কি? আমি বললাম, যেখানে আমরা একত্রিত হই এবং কেনাবেচা করি পনের কিংবা বিশ দিন অবস্থান করি (তাই হল জুলমাজায)। তিনি বললেন, হে লোক, আমি আজারবাইজানে ছিলাম। রাবী বলেন, তিনি কি দু'মাস না চার মাস বলেছিলাম আমার মনে নেই, সেখানে আমি তাদেরকে দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতে দেখেছি এবং নবী (সা)-কে নিজ চোখে দেখেছি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতে। অতঃপর তিনি এই আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ ‘‘নিশ্চয়ই রাসূল (সা) এর মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।’’
(বাইহাকী ও হাইছামী। এর সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1232) عن ثمامة بن شراحيل قال خرجت إلى ابن عمر فقلت ما صلاة المسافر؟ فقال ركعتين ركعتين إلاَّ صلاة المغرف ثلاثًا، قلت أرأيت إن كنَّا بذى المجاز، قال وما ذو المجاز؟ قلت مكان نجتمع فيه ونبيع فيه ونمكث عشرين ليلةً أو خمس عشرة ليلةً، قال يا أيُّها الرَّجل كنت بأذربيجان لا أدرى قال أربعة أشهر أو شهرين فرأيتم يصلُّونها ركعتين ركعتين، ورأيت نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم نصب عينىَّ يصلِّيهما ركعتين ركعتين، ثمَّ نزع هذه الآية {لقد كان لكم فى رسول الله أسوة حسنة} حتَّى فرغ من الآية
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান