আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৭৯- আহকাম (রাষ্ট্রনীতি) অধ্যায়
হাদীস নং: ৬৬৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৭৯
- আহকাম (রাষ্ট্রনীতি) অধ্যায়
৩০৩১. শাসকের প্রশংসা করা এবং তার নিকট থেকে বেরিয়ে এলে তার বিপরীত কিছু বলা নিন্দনীয়।
৬৬৯০। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, দ্বীমুখী লোকেরা সবচাইতে নিকৃষ্ট, তারা এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে উপস্থিত হয় আবার ওদের কাছে আরেক চেহারা নিয়ে উপস্থিত হয়।
كتاب الأحكام
باب مَا يُكْرَهُ مِنْ ثَنَاءِ السُّلْطَانِ، وَإِذَا خَرَجَ قَالَ غَيْرَ ذَلِكَ
7179 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عِرَاكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «إِنَّ شَرَّ النَّاسِ ذُو الوَجْهَيْنِ، الَّذِي يَأْتِي هَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ، وَهَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যারা প্রকাশ্যে নিজেদেরকে মুসলমান বলে, অথচ নিজেদের স্বার্থ ও সুযোগ সুবিধা সংরক্ষণের জন্য ইসলামের শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করে বা তাদের সাথে মিলিত হয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থের বিপরীত কাজ করে, তাদেরকে ইসলামের পরিভাষায় মুনাফিক বলা হয়। এ ধরনের লোক নামায-রোযা পালন করলেও মুসলমানদের সমাজভুক্ত নয়। তাদের জন্য জাহান্নামের নিকৃষ্টতম আযাব রয়েছে।
আলোচ্য হাদীসে মুনাফিকদের সদৃশ আমলের কথা বলা হয়েছে। যারা নিজেদের পার্থিব সুযোগ-সুবিধা এবং লোভ-লালসার জন্য সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের সাথে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করে, এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে উষ্কানি দেয়, দুই বন্ধুর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করার জন্য পরস্পর বিরোধী কথাবার্তা বলে, তারা দীনী পরিভাষায় মুনাফিকের দলভুক্ত না হলেও তাদের মুনাফিকসুলভ আমল ও আচরণের জন্য কিয়ামতের দিন নিকৃষ্ট মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং কঠিন শাস্তি ভোগ করবে। হাদীসে 'বিভিন্ন চেহারায় আবির্ভূত হওয়া' দ্বারা এ কথাই বুঝান হয়েছে।
আলোচ্য হাদীসে মুনাফিকদের সদৃশ আমলের কথা বলা হয়েছে। যারা নিজেদের পার্থিব সুযোগ-সুবিধা এবং লোভ-লালসার জন্য সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের সাথে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করে, এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে উষ্কানি দেয়, দুই বন্ধুর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করার জন্য পরস্পর বিরোধী কথাবার্তা বলে, তারা দীনী পরিভাষায় মুনাফিকের দলভুক্ত না হলেও তাদের মুনাফিকসুলভ আমল ও আচরণের জন্য কিয়ামতের দিন নিকৃষ্ট মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং কঠিন শাস্তি ভোগ করবে। হাদীসে 'বিভিন্ন চেহারায় আবির্ভূত হওয়া' দ্বারা এ কথাই বুঝান হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)