আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

২- পবিত্রতা অর্জনের অধ্যায়

হাদীস নং: ৪৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ২২৮
- পবিত্রতা অর্জনের অধ্যায়
৪. উযু এবং তারপর নামায আদায়ের ফযীলত
৪৩৬। আব্দ ইবনে হুমায়দ ও হাজ্জাজ ইবনে শাইর (রাহঃ) ......... আমর ইবনে সাঈদ ইবনুল আতা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উসমান (রাযিঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময়ে তিনি পানি আনার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলিম ব্যক্তির যখন কোন ফরয নামাযের ওয়াক্ত হয় আর সে নামাযের উযু-কে উত্তমরূপে আদায় করে, নামাযের বিনয় ও রুকুকে উত্তমরূপে আদায় করে তা হলে যতক্ষণ না সে কোন কবীরা গুনাহে লিপ্ত হবে, তার এই নামায তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহের জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আর এ অবস্থা সর্বযুগেই বিদ্যমান।
كتاب الطهارة
باب فَضْلِ الْوُضُوءِ وَالصَّلاَةِ عَقِبَهُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، وَحَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، كِلاَهُمَا عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ، قَالَ عَبْدٌ حَدَّثَنِي أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عُثْمَانَ فَدَعَا بِطَهُورٍ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَا مِنِ امْرِئٍ مُسْلِمٍ تَحْضُرُهُ صَلاَةٌ مَكْتُوبَةٌ فَيُحْسِنُ وُضُوءَهَا وَخُشُوعَهَا وَرُكُوعَهَا إِلاَّ كَانَتْ كَفَّارَةً لِمَا قَبْلَهَا مِنَ الذُّنُوبِ مَا لَمْ يُؤْتِ كَبِيرَةً وَذَلِكَ الدَّهْرَ كُلَّهُ " .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস থেকে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সালাত যথা নিয়মে আদায়ের ফলে তা পূর্ববর্তী গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যায় এবং পরবর্তী গুনাহসমূহও দূর হয়ে যায়। তবে শর্ত হল এই যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেন কবীরা গুনাহকারী না হয়। কারণ কবীরা গুনাহ নাপাকী এত মারাত্মক ক্রিয়াশীল ও প্রভাবময়ী যে, যার ক্ষতিপূরণ কেবল তাওবার মাধ্যমেই হতে পারে। তবে আল্লাহ্ যদি নিজ দয়ায় এমনি ক্ষমা করে দেন, তবে তাতে কিছু বলার নেই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)