আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৪- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৮১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪১৬
- নামাযের অধ্যায়
২০. তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ইমামের অগ্রগামী হওয়া নিষেধ
৮১৯। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার ও উবাইদুল্লাহ ইবনে মু’আয (রাহঃ) ......... অবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইমাম হলেন ঢালস্বরূপ। তিনি বসে নামায আদায় করলে তোমরাও বসে নামায আদায় করবে। তিনি سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললে তোমরা اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। পৃথিবীবাসীর (মুসল্লীর) কথা যখন আকাশবাসীর (ফিরিশতার) কথার সাথে যুগপৎ হয়, তখন তার বিগত সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।
كتاب الصلاة
باب النَّهْىِ عَنْ مُبَادَرَةِ الإِمَامِ، بِالتَّكْبِيرِ وَغَيْرِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى، - وَهُوَ ابْنُ عَطَاءٍ - سَمِعَ أَبَا عَلْقَمَةَ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا الإِمَامُ جُنَّةٌ فَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ . فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ . فَإِذَا وَافَقَ قَوْلُ أَهْلِ الأَرْضِ قَوْلَ أَهْلِ السَّمَاءِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইমাম যখন রুকু থেকে উঠার সময় 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে, তখন ফিরিশতাকুল 'আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ' বলেন। এই হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইমামের পেছনের মুক্তাদীদের এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারাও যেন এই বাক্যটি বলে। তিনি আরো বলেন যার এই বাক্যটি ফিরিশতাগণের ন্যায় হবে তার পূববর্তী গুনাহ ক্ষমা করা হবে। তাদের অনুরূপ হওয়ার মর্ম হলো, আগে পরে না করে তাঁদের সাথে সাথে বলা।
মা'আরিফুল হাদীসের বিভিন্ন স্থানে আমি (গ্রন্থকার) একথা বার বার লিখেছি যে সব হাদীসে বিশেষ কোন কাজের বরকতে গুনাহ ক্ষমা করার সুসংবাদ শুনান হয়েছে তাতে মূলত: সাগীরা গুনাহ বুঝানো হয়েছে। কাবীরা গুনাহের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ্ সূত্রে জানা যায় যে, এ গুনাহ থেকে ক্ষমা পাবার পথ হলো তাওবা। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে আল্লাহর পূর্ণ ইখতিয়ার। তিনি নিজ দয়ায় যাকে ইচ্ছা তার বড় বড় গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
মা'আরিফুল হাদীসের বিভিন্ন স্থানে আমি (গ্রন্থকার) একথা বার বার লিখেছি যে সব হাদীসে বিশেষ কোন কাজের বরকতে গুনাহ ক্ষমা করার সুসংবাদ শুনান হয়েছে তাতে মূলত: সাগীরা গুনাহ বুঝানো হয়েছে। কাবীরা গুনাহের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ্ সূত্রে জানা যায় যে, এ গুনাহ থেকে ক্ষমা পাবার পথ হলো তাওবা। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে আল্লাহর পূর্ণ ইখতিয়ার। তিনি নিজ দয়ায় যাকে ইচ্ছা তার বড় বড় গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)