আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৫- মসজিদ ও নামাযের স্থান সমূহের বর্ণনা

হাদীস নং: ১২৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬২১-২
- মসজিদ ও নামাযের স্থান সমূহের বর্ণনা
৩৪. আসরের নামায আগেভাগে আদায় করা মুস্তাহাব
১২৮৫। হারুন ইবনে সাঈদ আল আয়লী (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসরের নামায আদায় করতেন যখন প্রতিটি বস্তুর ছায়া তার সমান হত।
كتاب المساجد ومواضع الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّبْكِيرِ بِالْعَصْرِ
وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسٍ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ بِمِثْلِهِ سَوَاءً .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হযরত আনাস (রা) দীর্ঘজীবি ছিলেন। তিনি হিজরী প্রথম শতাব্দীর শেষদিকে ইন্তিকাল করেন। তিনি খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগের অবসানের পর উমায়্যা খিলাফতের প্রায় পঁচিশ বছর জীবিত ছিলেন। তাঁর জীবদ্দশায় বনু উমায়‍্যার অনেক শাসক আসরের সালাত বিলম্বে আদায় করত। হযরত আনাস (রা) এ কাজকে ভুল এবং সুন্নাত পরিপন্থী মনে করতেন এবং সময়-সুযোগমত তিনি এ বিষয়ে অভিমত প্রকাশ করতেন। এই হাদীস বর্ণনার মূলে তাঁর এ উদ্দেশ্য ছিল যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ এত বিলম্বে কখনো আসরের সালাত আদায় করতেন না। তিনি যখন আসরের সালাত আদায় করতেন তখন সূর্য ঊর্ধ্বাকাশে থাকত। দীপ্তিও অপরিবর্তিত থাকত। এমনকি তাঁর সাথে সালাত আদায় করে যদি কেউ মদীনার উপকণ্ঠে যেত তখনো সূর্য ঊর্ধ্বাকাশে দীপ্তিমানই প্রতিভাত হতো। 'আওয়ালী' মদীনার নিকটবর্তী উপকণ্ঠকে বলা হয়। এটি মদীনা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত। এসবের মধ্যে যেটি অদূরে সেটির ব্যবধান দুই মাইল আর যা দূরে তার দূরত্ব পাঁচ থেকে ছয় মাইল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)