আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৬- মুসাফিরের নামায - কসর নামায
হাদীস নং: ১৬৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৭৬২-৩
- মুসাফিরের নামায - কসর নামায
১৯. শবে-ক’দরে রাত্রি জাগরনে উৎসাহ দান এবং তা যে সাতাশে রমাযান তার প্রমাণ
১৬৬০। উবাইদুল্লাহ ইবনে মু’আয (রাহঃ) ......... শু’বা (রাহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে শু’বা (রাহঃ) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং পরবর্তী বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেননি।
كتاب صلاة المسافرين وقصرها
وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ إِنَّمَا شَكَّ شُعْبَةُ . وَمَا بَعْدَهُ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত উবাই ইবনে কা'ব রাযি.-এর উত্তর দ্বারা বুঝা গেল যে, তিনি যে নিশ্চিতভাবে এ কথা বলেছেন যে, শবে ক্বদর নির্দিষ্টভাবে সাতাশতম রাতেই হয়, একথা তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেননি; বরং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যে একটি লক্ষণ বলে দিয়েছিলেন, তিনি যেহেতু এ লক্ষণ ও আলামতটি সাধারণতঃ সাতাশতম রাতের সকালেই দেখেছিলেন, এ জন্য প্রত্যয়ের সাথে তিনি এ মত পোষণ করে নিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনো তো এই বলেছেন যে, রমযানের শেষ দশ দিনে এর অনুসন্ধান কর, কখনো বলেছেন, শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে অনুসন্ধান কর, আবার কখনো শেষ দশকের পাঁচটি বেজোড় রাতের চার অথবা তিন রাতের কথা বলেছেন। কোন বিশেষ রাতকে তিনি নির্দিষ্ট করে দেননি। হ্যাঁ, অনেক অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের অভিজ্ঞতা এই যে, এটা প্রায়ই সাতাশতম রাতেই হয়ে থাকে। শবে ক্বদরকে এভাবে অনির্দিষ্ট রাখার মধ্যে হেকমত ও রহস্য এটাই যে, একটিমাত্র রাতের জন্য বসে না থেকে আল্লাহপ্রেমিক বান্দারা যেন বিভিন্ন রাতে ইবাদত, যিকির ও দু‘আয় মশগুল থাকে। যারা এমন করবে, তাদের সাফল্য সুনিশ্চিত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: