আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৯- দুই ঈদের নামায

হাদীস নং: ১৯৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮৯১-২
- দুই ঈদের নামায
৩. দুই ঈদের নামাযে কোন কিরা’আত পড়া হবে
১৯৩৩। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আবু ওয়াকিদ লায়সী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, উমর (রাযিঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদের নামাযে কোন সূরা পাঠ করতেন। আমি বললাম, ″ইকতারাবাতিস সা’আ″ ও ″ক্কাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ″ পাঠ করতেন।
كتاب صلاة العيدين
باب مَا يُقْرَأُ بِهِ فِي صَلاَةِ الْعِيدَيْنِ
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، عَنْ ضَمْرَةَ، بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أَبِي وَاقِدٍ اللَّيْثِيِّ، قَالَ سَأَلَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ عَمَّا قَرَأَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ الْعِيدِ فَقُلْتُ بِـ ( اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ) وَ ( ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আলোচ্য হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ উভয় ঈদের সালাতে সূরা কাফ ও সূরা কামার পাঠ করতেন। কোন কোন ভাষ্যকার লিখেছেন, হযরত উমর (রা)-এর এই জিজ্ঞাসা তাঁর অজানার কারণে বা ভুলে যাওয়ার কারণে ছিল না, কেননা তাঁর সম্পর্কে একথা চিন্তা করা যায় না। তার প্রশ্নের কারণ হয়ত হযরত আবূ ওয়াকিদ লায়সীর ইলম ও স্মরণ শক্তি সম্পর্কে অবগত হওয়া অথবা তাঁর মুখ থেকে অপরকে শুনানো অথবা নিজ জানা বিষয় সত্যায়িত করা।

সালাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিশেষ কোন সূরা পাঠের নির্দেশ দেননি এবং নিজে কার্যত এরূপ করেনও নি। তবে হ্যাঁ, কোন কোন সালাতে বিশেষ বিশেষ সূরা পাঠের বিষয়টি তাঁর থেকে প্রমাণিত।
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ্ (র) 'হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগায়' বলেন: "রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন কোন সালাতে বিশেষ গুরুত্ব ও উপকারিতা লক্ষ্য করে বিশেষ সূরা পাঠ করা পসন্দ করতেন। কিন্তু না তিনি অকাট্যভাবে নির্দিষ্ট করে গেছেন আর না অন্যকে তা করার তাগিদ দিয়েছেন। সুতরাং সালাতে যদি কেউ তাঁর অনুসরণ করে, তবে তা উত্তম, আর কেউ যদি তা না করে তবে তাতে কোন দোষ নেই।" (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা: দ্বিতীয় পর্ব)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)