৪০ দিনের আগেই নেফাস শেষ হলে রোযার হুকুম
প্রশ্নঃ ১৩৬৯১৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার ডেলিভারি হয়েছে15জানুয়ারি আমি কি রোজা রাখতে পারবি 41দিন না হলেও যদি নেফাস সেরে যায়
৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নওয়াপাড়া
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
শরিয়তের দৃষ্টিতে নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৪০ দিন। তবে সর্বনিম্ব সময়সীমা সুনির্দিষ্ট নয়। বরং ৪০ দিনের পূর্বে যে কোন দিন ব্লিডিং বন্ধ হয়ে নেফাস শেষ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে নেফাস সেরে গেলেই নামায রোযার স্বাভাবিক বিধান চলে আসবে। অর্থাৎ ৪০ দিনের কম যে কোন দিন নেফাস শেষ হয়ে গেলে রোযা রাখতে পারবে। এবং নামাযও আদায় করতে হবে।
সুতরাং প্রশ্নোক্ত বিবরণ মোতাবেক ৪০ দিনের পূর্বেই ব্লিডিং বন্ধ হয়ে নেফাস শেষ হয়ে গেলে আপনি রোযা রাখতে পারবেন। এতে কোন অসুবিধা নেই। সেই সাথে নামাযও আদায় করতে হবে।
المستندات الشرعية
(١) صحيح البخاري (٢٢٨) مكتبة الفتح
عن عائشة قالت: جاءت فاطمة ابنة أبي حبيش إلي النبي ﷺ فقالت يا رسول اللَّه إني امرأة استحاض، فلا أطهر، أفأدع الصلاة؟ قال: «لا، إنما ذلك عرق، وليس بالحيضة، فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة، فإذا أدبرت؛ (فاغسلي) عنك الدم، وصلي»
** «صحيح مسلم» (335):
عَنْ مُعَاذَةَ؛ قَالَتْ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ فَقُلْتُ: مَا بَالُ الْحَائِضِ تَقْضِي الصَّوْمَ وَلَا تَقْضِي الصَّلَاةَ؟ فَقَالَتْ: أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ؟ قُلْتُ: لَسْتُ بِحَرُورِيَّةٍ. وَلَكِنِّي أَسْأَلُ. قَالَتْ: كَانَ يُصِيبُنَا ذَلِكَ فَنُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّوْمِ وَلَا نُؤْمَرُ بقضاء الصلاة.»
(٢) رد المحتار (١/٣٠٠) سعيد
(وأكثره أربعون يوما) كذا رواه الترمذي وغيره ، ولان أكثره أربعة أمثال أكثر الحيض .
(والزائد) على أكثره (استحاضة) لو مبتدأة .
** «حاشية ابن عابدين = رد المحتار - ط الحلبي» (1/ 299):
«(والنفاس) لغة: ولادة المرأة. وشرعا (دم) فلو لم تره هل تكون نفساء؟ المعتمد نعم (ويخرج) من رحمها فلو ولدته من سرتها إن سال الدم من الرحم فنفساء وإلا فذات جرح وإن ثبت له أحكام الولد (عقب ولد) أو أكثره ولو متقطعا عضوا عضوا لا أقله، فتتوضأ إن قدرت أو تتيمم وتومئ بصلاة ولا تؤخر، فما عذر الصحيح القادر؟ . وحكمه كالحيض في كل شيء إلا في سبعة ذكرتها في الخزائن وشرحي للملتقى: منها أنه (لا حد لأقله)
** «المجموع شرح المهذب» (2/ 354 ط المنيرية):
«فأجمعت الأمة على تحريم الصوم على الحائض والنفساء وعلى أنه لا يصح صومها كما قدمنا»
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১