সূরা
পারা

Loading verses...

অন্যান্য

অনুবাদ
তেলাওয়াত

সূরা আল ফালাক্ব (الـفلق) | নিশিভোর

মাক্কী

মোট আয়াতঃ ৫

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِ ۙ ١

কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক

বল, আমি ভোরের মালিকের আশ্রয় গ্রহণ করছি

তাফসীরঃ

১. কুরআন মাজীদের এই শেষের দুই সূরাকে ‘মুআউবিযাতায়ন’ বলা হয়। এ সূরা দু’টি নাযিলের প্রেক্ষাপট এই যে, ইয়াহুদীরা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যাদু করার চেষ্টা করেছিল। তাদের যাদুর কিছু ক্রিয়া তাঁর উপর প্রকাশও পেয়েছিল। তখন এ সূরা দু’টি নাযিল করা হয়। যাদু-টোনা থেকে হেফাজতের জন্য তাকে এ সূরা দু’টিতে ব্যবহৃত শব্দাবলীর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে আশ্রয় গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিছু হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, এ সূরা দু’টি পাঠ করে দম করলে যাদুর ক্রিয়া নষ্ট হয়ে যায়। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে শোওয়ার আগে এ দু’টি পড়ে নিজের হাতে দম করতেন তারপর সেই হাত দ্বারা সমস্ত শরীর মুছতেন।

مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ ٢

মিন শাররি মা-খালাক।

তিনি যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে

وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ ٣

ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব।

এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা ছেয়ে যায়

তাফসীরঃ

২. বিশেষভাবে অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে পানাহ চাওয়া হয়েছে এ কারণে যে, যাদুকরগণ তাদের কর্মকাণ্ড সাধারণত রাতের অন্ধকারেই করে থাকে।

وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الۡعُقَدِ ۙ ٤

ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।

এবং সেই সব ব্যক্তির অনিষ্ট হতে, যারা (তাগা বা সুতার) গিরায় ফুঁ দেয়

তাফসীরঃ

৩. ‘ব্যক্তি’ শব্দ দ্বারা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝানো হয়েছে। যাদুকর পুরুষও হয়, নারীও এবং উভয় শ্রেণীর যাদুকরই সুতা বা তাগায় গিরা দিয়ে তাতে মন্ত্র পড়ে ফুঁ দিয়ে থাকে। এ আয়াতে তাদের অনিষ্ট থেকে পানাহ চাওয়া হয়েছে।

وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ٪ ٥

ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।

এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।