সূরা
পারা

Loading verses...

অন্যান্য

অনুবাদ
তেলাওয়াত

সূরা আন্‌ নাবা (الـنبإ) | মহাসংবাদ

মাক্কী

মোট আয়াতঃ ৪০

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

عَمَّ یَتَسَآءَلُوۡنَ ۚ ١

‘আম্মা ইয়াতাছাআলুন।

তারা (অর্থাৎ কাফেরগণ) কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

عَنِ النَّبَاِ الۡعَظِیۡمِ ۙ ٢

‘আনিন্নাবাইল ‘আজীম।

সেই মহা ঘটনা সম্পর্কে,

الَّذِیۡ ہُمۡ فِیۡہِ مُخۡتَلِفُوۡنَ ؕ ٣

আল্লাযী হুম ফীহি মুখতালিফূন।

যে সম্বন্ধে তারা বিভিন্ন রকম কথা বলে।

তাফসীরঃ

১. এর দ্বারা কিয়ামত ও আখেরাত বোঝানো হয়েছে। কাফেরগণ কিয়ামত সম্পর্কে নানা রকম কথা বলত। কেউ তা নিয়ে ঠাট্টা করত। কেউ তার বিরুদ্ধে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করত এবং কেউ তার খুঁটিনাটি সম্পর্কে প্রশ্ন করে মুসলিমদেরকে উত্যক্ত করত। প্রশ্নের উদ্দেশ্যও সত্যানুসন্ধান ছিল না। উদ্দেশ্য ছিল কেবল ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা। এ আয়াতের ইঙ্গিত তাদের সেই কার্যকলাপেরই দিকে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বিশ্ব জগতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা তাঁর বিভিন্ন নিদর্শনের উল্লেখপূর্বক বলছেন, তোমরা যখন স্বীকার কর এসব আল্লাহ তাআলাই সৃষ্টি করেছেন, তখন তিনি যে এ জগত ধ্বংস করে দেওয়ার পর পুনরায় সৃষ্টি করতে পারবেন তা স্বীকার করতে তোমাদের কষ্ট হচ্ছে কেন?

کَلَّا سَیَعۡلَمُوۡنَ ۙ ٤

কাল্লা-ছাইয়া‘লামূন।

সাবধান! তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

ثُمَّ کَلَّا سَیَعۡلَمُوۡنَ ٥

ছু ম্মা কাল্লা-ছাইয়া‘লামূন।

আবারও সাবধান! তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ مِہٰدًا ۙ ٦

আলাম নাজ‘আলিল আরদা মিহা-দা-।

আমি কি ভূমিকে শয্যা বানাইনি?

وَّالۡجِبَالَ اَوۡتَادًا ۪ۙ ٧

ওয়াল জিবা-লা আওতা-দা।

এবং পাহাড়সমূহকে (ভূমিতে প্রোথিত) কীলক?

وَّخَلَقۡنٰکُمۡ اَزۡوَاجًا ۙ ٨

ওয়া খালাকনা-কুম আঝওয়া-জা-

আর তোমাদেরকে (নর ও নারীর) যুগল রূপে সৃষ্টি করেছি।

وَّجَعَلۡنَا نَوۡمَکُمۡ سُبَاتًا ۙ ٩

ওয়া জা‘আলনা-নাওমাকুম ছুবা-তা।

আর তোমাদের ঘুমকে ক্লান্তি ঘুচানোর উপায় বানিয়েছি।
১০

وَّجَعَلۡنَا الَّیۡلَ لِبَاسًا ۙ ١۰

ওয়া জা‘আলনাল্লাইলা লিবা-ছা।

এবং রাতকে বানিয়েছি আবরণস্বরূপ।
১১

وَّجَعَلۡنَا النَّہَارَ مَعَاشًا ۪ ١١

ওয়া জা‘আলনান্নাহা-রা মা‘আ-শা-।

এবং দিনকে জীবিকা আহরণের সময় নির্ধারণ করেছি।
১২

وَّبَنَیۡنَا فَوۡقَکُمۡ سَبۡعًا شِدَادًا ۙ ١٢

ওয়া বানাইনা-ফাওকাকুম ছাব‘আন শিদা-দা-।

এবং আমিই তোমাদের উপর সাতটি সুদৃঢ় অস্তিত্ব (আকাশ) নির্মাণ করেছি।
১৩

وَّجَعَلۡنَا سِرَاجًا وَّہَّاجًا ۪ۙ ١٣

ওয়া জা‘আলনা-ছিরা-জাওঁ ওয়াহহা-জা-।

এবং আমিই এক প্রজ্বলিত প্রদীপ (সূর্য) সৃষ্টি করেছি।
১৪

وَّاَنۡزَلۡنَا مِنَ الۡمُعۡصِرٰتِ مَآءً ثَجَّاجًا ۙ ١٤

ওয়া আনঝালনা-মিনাল মু‘সিরা-তি মাআন ছাজ্জা-জা-।

আমি ভরা মেঘ থেকে মুষলধারায় বারি বর্ষণ করেছি,
১৫

لِّنُخۡرِجَ بِہٖ حَبًّا وَّنَبَاتًا ۙ ١٥

লিনুখরিজা বিহী হাব্বাওঁ ওয়া নাবা-তা-।

তা দ্বারা শস্য ও অন্যান্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করার জন্য
১৬

وَّجَنّٰتٍ اَلۡفَافًا ؕ ١٦

ওয়া জান্না-তিন আলফা-ফা-।

এবং নিবিড় ঘন বাগানও।
১৭

اِنَّ یَوۡمَ الۡفَصۡلِ کَانَ مِیۡقَاتًا ۙ ١٧

ইন্না ইয়াওমাল ফাসলি কা-না মীকাতা-।

নিশ্চয়ই বিচার দিবস হবে এক নির্ধারিত সময়ে।
১৮

یَّوۡمَ یُنۡفَخُ فِی الصُّوۡرِ فَتَاۡتُوۡنَ اَفۡوَاجًا ۙ ١٨

ইয়াওমা ইউনফাখুফিসসুরি ফাতা’তূনা আফওয়া-জা।

যে দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে অনন্তর তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।
১৯

وَّفُتِحَتِ السَّمَآءُ فَکَانَتۡ اَبۡوَابًا ۙ ١٩

ওয়া ফুতিহাতিছ ছামাউ ফাকা-নাত আবওয়া-বা-।

এবং আকাশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ফলে বহু দরজা হয়ে যাবে।
২০

وَّسُیِّرَتِ الۡجِبَالُ فَکَانَتۡ سَرَابًا ؕ ٢۰

ওয়া ছুইয়িরাতিল জিরা-লুফাকা-নাত ছারা-বা-।

এবং পাহাড়সমূহকে সঞ্চালিত করা হবে, ফলে তা মরীচিকা সদৃশ হয়ে যাবে।
২১

اِنَّ جَہَنَّمَ کَانَتۡ مِرۡصَادًا ۪ۙ ٢١

ইন্না জাহান্নামা কা-নাত মিরসা-দা-।

নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে রয়েছে।
২২

لِّلطَّاغِیۡنَ مَاٰبًا ۙ ٢٢

লিত্তা-গীনা মাআ-বা-।

তা উদ্ধতের ঠিকানা।
২৩

لّٰبِثِیۡنَ فِیۡہَاۤ اَحۡقَابًا ۚ ٢٣

লা-বিছীনা ফীহাআহকা-বা-।

যাতে তারা যুগ-যুগ ধরে এভাবে অবস্থান করবে

তাফসীরঃ

২. আয়াতে শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে احقاب এটি حقبة -এর বহুবচন। حقبة অর্থ সুদীর্ঘ কাল। বোঝানো হচ্ছে, জাহান্নামে তাদের অবস্থান কাল ক্রমশ বৃদ্ধিই পেতে থাকবে। এ শব্দের প্রতি লক্ষ্য করে কেউ কেউ বলতে চেয়েছেন, এখানে যে অবাধ্যদের কথা বলা হচ্ছে, তারাও সুদীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। কেননা কুরআন মাজীদ বিভিন্ন স্থানে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, তারা জাহান্নাম থেকে কোনও দিনই বের হতে পারবে না, যেমন দেখুন সূরা মায়েদা (৫ : ৩৭)।
২৪

لَا یَذُوۡقُوۡنَ فِیۡہَا بَرۡدًا وَّلَا شَرَابًا ۙ ٢٤

লা-ইয়াযূকূনা ফীহা-বারদাওঁ ওয়ালা-শারা-বা-।

যে, তাতে তারা আস্বাদন করবে না কোন শীতলতা এবং না কোন পানীয় বস্তু।
২৫

اِلَّا حَمِیۡمًا وَّغَسَّاقًا ۙ ٢٥

ইল্লা-হামীমাওঁ ওয়াগাছছা-কা-।

ফুটন্ত পানি ও রক্ত-পূঁজ ছাড়া।
২৬

جَزَآءً وِّفَاقًا ؕ ٢٦

জাঝাআওঁবিফা-কা-।

এটা হবে তাদের পরিপূর্ণ প্রতিফল।
২৭

اِنَّہُمۡ کَانُوۡا لَا یَرۡجُوۡنَ حِسَابًا ۙ ٢٧

ইন্নাহুম কা-নূলা-ইয়ারজুনা হিছা-বা-।

তারা (নিজেদের কর্মের) হিসাবকে বিশ্বাস করত না।
২৮

وَّکَذَّبُوۡا بِاٰیٰتِنَا کِذَّابًا ؕ ٢٨

ওয়া কাযযাবূবিআ-য়া-তিনা-কিযযা-বা।

এবং তারা আমার আয়াতসমূহ চরমভাবে প্রত্যাখ্যান করত।
২৯

وَکُلَّ شَیۡءٍ اَحۡصَیۡنٰہُ کِتٰبًا ۙ ٢٩

ওয়া কুল্লা শাইয়িন আহসাইনা-হু কিতা-বা-।

আমি প্রতিটি জিনিস লিপিবদ্ধভাবে সংরক্ষণ করেছি।
৩০

فَذُوۡقُوۡا فَلَنۡ نَّزِیۡدَکُمۡ اِلَّا عَذَابًا ٪ ٣۰

ফাযূকূফালান নাঝীদাকুম ইল্লা-‘আযা-বা-।

সুতরাং তোমরা মজা ভোগ কর! আমি তোমাদের কেবল শাস্তিই বৃদ্ধি করব।
৩১

اِنَّ لِلۡمُتَّقِیۡنَ مَفَازًا ۙ ٣١

ইন্না লিলমুত্তাকীনা মাফা-ঝা-।

যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে নিশ্চয়ই তাদের জন্য আছে সাফল্য
৩২

حَدَآئِقَ وَاَعۡنَابًا ۙ ٣٢

হাদাইকা ওয়া আ‘না-বা-।

উদ্যানরাজি ও আঙ্গুর,
৩৩

وَّکَوَاعِبَ اَتۡرَابًا ۙ ٣٣

ওয়া কাওয়া-‘ইবা আতরা-বা-।

সমবয়স্কা নব যৌবনা তরুণী,
৩৪

وَّکَاۡسًا دِہَاقًا ؕ ٣٤

ওয়া কা’ছান দিহা-কা-।

ছলকানো পান-পাত্র,
৩৫

لَا یَسۡمَعُوۡنَ فِیۡہَا لَغۡوًا وَّلَا کِذّٰبًا ۚ ٣٥

লা-ইয়াছমা‘উনা ফীহা-লাগওয়াওঁ ওয়ালা-কিযযা-বা-।

সেখানে তারা কোন অহেতুক কথা শুনবে না এবং কোন মিথ্যা কথাও না।
৩৬

جَزَآءً مِّنۡ رَّبِّکَ عَطَآءً حِسَابًا ۙ ٣٦

জাঝাআম মির রাব্বিকা ‘আতাআন হিছা-বা-।

তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে পুরস্কারস্বরূপ, (আল্লাহর) এমন দান, যা মানুষের কর্ম হিসাবে দেওয়া হবে।

তাফসীরঃ

৩. এ তরজমা করা হয়েছে হযরত আতা (রহ.) থেকে বর্ণিত একটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী। এর মর্ম এই যে, মুত্তাকীদের এই যা-কিছু দেওয়া হবে, এটা আল্লাহ তাআলার দান, যা তারা তাদের কোন অধিকার ছাড়াই লাভ করবে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা এটা প্রত্যেককে দেবেন তার আমল হিসাবে। এর দ্বিতীয় তরজমা হতে পারে এ রকম, (আল্লাহর) এমন দান হবে, যা প্রত্যেকের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে, অর্থাৎ তাদের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য তা যথেষ্ট হবে।
৩৭

رَّبِّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَیۡنَہُمَا الرَّحۡمٰنِ لَا یَمۡلِکُوۡنَ مِنۡہُ خِطَابًا ۚ ٣٧

রাব্বিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামা-বাইনাহুমাররাহমা-নি লা-ইয়ামলিকূনা মিনহু খিতা-বা-।

সেই প্রতিপালকের পক্ষ থেকে, যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও এর মধ্যবর্তী সবকিছুর মালিক, দয়াময়! তার সামনে কিছু বলার সাধ্য তাদের হবে না।

তাফসীরঃ

৪. অর্থাৎ যাকে যা দেওয়া হবে তার বিপরীতে কারও কিছু বলার শক্তি হবে না।
৩৮

یَوۡمَ یَقُوۡمُ الرُّوۡحُ وَالۡمَلٰٓئِکَۃُ صَفًّا ؕ٭ۙ لَّا یَتَکَلَّمُوۡنَ اِلَّا مَنۡ اَذِنَ لَہُ الرَّحۡمٰنُ وَقَالَ صَوَابًا ٣٨

ইয়াওমা ইয়াকূমুর রূহুওয়াল মালাইকাতুসাফফাল লা-ইয়াতাকাল্লামূনা ইল্লা-মান আযিনা লাহুর রাহমা-নুওয়া কা-লা সাওয়া-বা-।

যে দিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে, সে দিন দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন, সে ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে বলবে সঠিক কথা।

তাফসীরঃ

৫. অর্থাৎ কোন মানুষ বা ফেরেশতা কারও অনুকূলে সুপারিশ করার জন্য আল্লাহ তাআলার অনুমতি ছাড়া কিছু বলতে পারবে না। আল্লাহ তাআলা অনুমতি দিলেই বলতে পারবে এবং তাও সেই সময়, যখন সঠিকভাবে সুপারিশ করবে অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা যে পন্থা ঠিক করে দেবেন সেই পন্থায় করবে।
৩৯

ذٰلِکَ الۡیَوۡمُ الۡحَقُّ ۚ فَمَنۡ شَآءَ اتَّخَذَ اِلٰی رَبِّہٖ مَاٰبًا ٣٩

যা-লিকাল ইয়াওমুল হাক্কু ফামান শাআত্তাখাযা ইলা-রাব্বিহী মাআ-বা-।

সে দিন সত্য দিন। সুতরাং যার ইচ্ছা, সে তার প্রতিপালকের কাছে আশ্রয়স্থল বানিয়ে রাখুক।
৪০

اِنَّاۤ اَنۡذَرۡنٰکُمۡ عَذَابًا قَرِیۡبًا ۬ۚۖ  یَّوۡمَ یَنۡظُرُ الۡمَرۡءُ مَا قَدَّمَتۡ یَدٰہُ وَیَقُوۡلُ الۡکٰفِرُ یٰلَیۡتَنِیۡ کُنۡتُ تُرٰبًا ٪ ٤۰

ইন্নাআনযারনা-কুম ‘আযা-বান কারীবাইঁ ইয়াওমা ইয়ানযু রুল মারউ মা-কাদ্দামাত ইয়াদা-হু ওয়া ইয়াকূলুল কা-ফিরু ইয়া-লাইতানী কুনতুতুরা-বা।

বস্তুত আমি এক আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে সতর্ক করে দিলাম। সে দিন প্রত্যেক ব্যক্তি তার স্বহস্তে সামনে পাঠানো কর্মসমূহ প্রত্যক্ষ করবে আর কাফের ব্যক্তি বলবে, হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।

তাফসীরঃ

৬. কোন কোন বর্ণনায় আছে, যে সকল জীবজন্তু দুনিয়ায় একে অন্যের উপর জুলুম করেছিল, হাশরের ময়দানে তাদেরকেও একত্র করতঃ তাদের জুলুমের প্রতিশোধ গ্রহণ করিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি কোন শিং বিশিষ্ট ছাগল যদি শিংবিহীন ছাগলকে গুঁতো দিয়ে থাকে, তবে হাশরে তারও প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে। যখন প্রতিশোধ গ্রহণ শেষ হয়ে যাবে, সমস্ত পশুকে মাটিতে পরিণত করা হবে। সে দিন কাফেরগণ যখন জাহান্নামের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন আক্ষেপ করে বলবে, আহা! আমরাও যদি মাটি হয়ে যেতাম (মুসলিম, তিরমিযী)।