সূরা
পারা
Loading verses...
সূরা
পারা
Loading verses...
অন্যান্য
অনুবাদ
তেলাওয়াত
সূরা আশ শামস (الـشـمـس) | সূর্য
মাক্কী
মোট আয়াতঃ ১৫
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
وَالشَّمۡسِ وَضُحٰہَا ۪ۙ ١
ওয়াশ শামছি ওয়াদু হা-হা-।
শপথ সূর্যের ও তার বিস্তৃত রোদের। ১
তাফসীরঃ
১. الشمس (শামস) মানে সূর্য। সূরাটির প্রথমে ‘শামস’-এর শপথ করা হয়েছে। এ থেকেই সূরাটির নাম হয়েছে সূরা শামস। এ সূরায় মৌলিকভাবে বলা হয়েছে যে, মানুষের ভেতর সৃষ্টিগতভাবেই পাপ ও পুণ্য উভয়ের আগ্রহ রাখা হয়েছে এবং সেই সঙ্গে কোনটা পাপ ও কোনটা পুণ্য সেই জ্ঞানও তাকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন মানুষের কাজ হল পুণ্যের আগ্রহকে বাস্তবায়িত করা ও পাপের চাহিদাকে দমন করা। এ বিষয়টা বলার জন্য আল্লাহ তাআলা সূর্য, চন্দ্র, দিন ও রাতের শপথ করেছেন। সম্ভবত এর দ্বারা ইশারা করা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা যেভাবে সূর্য ও চন্দ্রের আলো এবং রাতের অন্ধকার সৃষ্টি করেছেন, তেমনি তিনি মানুষকে ভালো কাজেরও যোগ্যতা দিয়েছেন এবং মন্দ কাজেরও, যা তার আত্মার জন্য আলো ও অন্ধকার তুল্য।
قَدۡ اَفۡلَحَ مَنۡ زَکّٰىہَا ۪ۙ ٩
কাদ আফলাহা মান ঝাক্কা-হা-।
সে-ই সফলকাম হবে, যে নিজ আত্মাকে পরিশুদ্ধ করবে। ২
তাফসীরঃ
২. আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার অর্থ এটাই যে, অন্তরে যে ভালো-ভালো কাজের আগ্রহ ও প্রেরণা জাগে মানুষ তাকে আরো উজ্জীবিত করে সে অনুযায়ী কাজ করবে আর যেসব মন্দ চাহিদা দেখা দেয় তা দমন করে চলবে। এভাবে নিরবচ্ছিন্ন সাধনা চালাতে থাকলে আত্মা পরিশুদ্ধ হয়ে যায় এবং সে আত্মা আন-নাফসুল মুতমাইন্না বা প্রশান্ত চিত্তে পরিণত হয়, যার উল্লেখ সূরা ফাজরের শেষ দিকে আছে।
فَکَذَّبُوۡہُ فَعَقَرُوۡہَا ۪۬ۙ فَدَمۡدَمَ عَلَیۡہِمۡ رَبُّہُمۡ بِذَنۡۢبِہِمۡ فَسَوّٰىہَا ۪ۙ ١٤
ফাকাযযাবূহু ফা‘আকারূহা- ফাদামদামা ‘আলাইহিম রাব্বুহুম বিযামবিহিম ফাছাওওয়াহা-।
তথাপি তারা তাদের রাসূলকে প্রত্যাখ্যান করল এবং উটনীটিকে মেরে ফেলল। ৩ পরিণামে তাদের প্রতিপালক তাদের গুনাহের কারণে তাদেরকে ব্যাপকভাবে ধ্বংস করে সব একাকার করে ফেললেন। ৪
তাফসীরঃ
৩. অর্থাৎ সকলেই ধ্বংস হয়ে গেল, কেউ নিস্তার পেল না।
وَلَا یَخَافُ عُقۡبٰہَا ٪ ١٥
ওয়ালা-ইয়াখা-ফু‘উকবা-হা-।
আর তিনি এর কোন মন্দ পরিণামের ভয় করেন না। ৫
তাফসীরঃ
৫. কোন সৈন্যদল যখন কোন এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালায়, তখন তাদের এই ভয়ও থাকে যে, কেউ এর প্রতিশোধ নিতে পারে। বলাবাহুল্য মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তাআলা যখন কোন মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেন, তখন তাঁর কোন রকম প্রতিশোধের ভয় থাকে না।