রোযা একটা চমৎকার ইবাদত। রোযার প্রতিদান আল্লাহ সরাসরি নিজ হাতে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন: রোযা ছাড়া প্রতি
সালাত এমন এক ইবাদত, যা আদায়ে শুধু লাভই লাভ। ইসলামের প্রতিটি বিধানই পাশর্^প্রতিক্রিয়াহীন। সালাতও তাই।
মসজিদ আল্লাহ তা‘আলার ঘর। সমাজের শ্রেষ্ঠ স্থান। পবিত্র স্থান। এখানে যেতে হলে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তু
কবরের আযাব হক। কবরের আযাবের অস্তিত্বে বিশ্বাস করা আকীদার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ইলমুল গাইবের প্রতি বিশ্ব
রাতে ঘুম কার না ভাঙে! এপাশ ওপাশ করতে গিয়ে ঘুম ভাঙে! মশার কামড়ে ঘুম ভাঙে! টেলিফোনের আওয়াজে ঘুম ভাঙ
নবীজি সা. বিশেষ দু‘আ পড়ার মাধ্যমে তাহাজ্জুদ শুরু করতেন। তাহাজ্জুদ শেষেও নবীজি বিশেষ দু‘আ পড়তেন। আমলট
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। কিসে বান্দার সুবিধা হবে, সেদিকে তিনি সদা সজাগ দৃষ্টি রাখে
যান্ত্রিক সভ্যতা চলছে এখন। মানুষকেও যন্ত্রের মতো উদয়াস্ত খেটে মরতে হয়। দম ফেলার ফুরসত নেই। একটু থেমে
ঘুম ভেঙে একটি দিনের সূচনা হয়। ঘুম দিয়ে একটি দিনের সমাপ্তি ঘটে। আল্লাহর রাসূল সা. সারাদিনে অসংখ্য আমল
জুমাবার সপ্তাহের সেরা দিন। কুরআন কারীমেও এই দিনের নাম আছে। (يوم الجمعة) জুমু‘আর দিন। বলা হয়ে থাকে জু
খুশু-খুযু সলাতের প্রাণ। খুশু-খুযু মানে গভীর মনোযোগ বা অনুধ্যান। আমাদের উচিত, এমনভাবে সলাত আদায় করা,
সলাত মুমিনের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সলাত মুমিনের অষ্টপ্রহরকে আলোকময় করে রাখে। জামাতের সাথে সলাত
আমরা হয়তো খেয়াল করে থাকবো! এক ইবাদতের এক স্বাদ! এক রঙ! এক রূপ! সালাতের স্বাদ এক, সিয়ামের স্বাদ আরেক।
কালিমায়ে শাহাদাহর গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। কালিমায়ে শাহাদাহ হল ইসলামে প্রবেশের দ্বার। কালিমায়ে শাহ
দূর-দূরান্তের গন্তব্যে একাকি পথচলা কঠিন। একাকী সফরে বের হতে নিষেধ করেছেন নবীজি সা। দুনিয়াতে আমরা সফর
আখেরাতে আমরা জান্নাত লাভ করব। ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে আমলের প্রতিদানস্বরূপ জান্নাত দান কর
আল্লাহ এক। তার কোনও শরীক নেই। আল্লাহ আমাদের একমাত্র রব। একমাত্র উপাস্য। আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করার
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামাজিক সুসম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দিতেন। পারস্পরিক লেনদেনের ক
আমার জন্যে একটি ঘর নির্মাণ করুন। কোথায়? জান্নাতে! আবার কোথায়! কথাটা আসিয়া (আ.)-এর। তিনি রাব্বে কারীম
‘আতর’ শব্দটাতেই কেমন যেন আরাম আর সুখ জড়িয়ে আছে। আতর হলো ফুটফুটে শিশুর মতো! দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে হয়।