মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
সলাত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৫১ টি
হাদীস নং: ৩৪১
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ লাশ দাফনের রীতিনীতি ও তার আদাব
৩৪১. হযরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, কবরে যখন লাশ রাখা হতো তখন নবী কারীম ﷺ বলতেন, بسْمِ اللهِ وَبِاللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ الله ("আল্লাহর নামে, আল্লাহর সাহায্যে এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মিল্লাতের উপর রেখে দিলাম।"
অন্য বর্ণনায় আছে, وَعَلَى سُنَّة رَسُولِ الله রাসূলুল্লাহ ﷺ এর তরীকার উপরে। (আহমাদ, তিরমিযী ইবনে মাজাহ ও আবু দাউদ)
অন্য বর্ণনায় আছে, وَعَلَى سُنَّة رَسُولِ الله রাসূলুল্লাহ ﷺ এর তরীকার উপরে। (আহমাদ, তিরমিযী ইবনে মাজাহ ও আবু দাউদ)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَدْخَلَ الْمَيِّتُ القَبْرَ ، وَقَالَ بِسْمِ اللهِ وَبِاللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللهِ وَفِىْ رِوَايَةٍ وَعَلَى سُنَّةِ رَسُولِ اللهِ. (رواه احمد والترمذى وابن اجة وابو داؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪২
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ লাশ দাফনের রীতিনীতি ও তার আদাব
৩৪২. জাফর ইবনে মুহাম্মাদ তাঁর পিতার সূত্রে নবী কারীম ﷺ থেকে মুরসাল সনদে বর্ণনা করেন, নবী কারীম ﷺ এক ব্যক্তির (কবরের) উপর দুই আঁজলা একত্র করে তিন কোষ মাটি দিয়েছেন এবং তিনি তাঁর পুত্র ইব্রাহীম (রা.)-এর কবরের উপরে পানি ছিটিয়ে দিয়েছেন এবং এর উপর কাঁকর স্থাপন করেছেন। (বাগাবীর শারহুস্ সুন্নাহ্)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِيهِ مُرْسَلًا ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَثَا عَلَى الْمَيِّتِ ثَلَاثَ حَثَيَاتٍ بِيَدَيْهِ جَمِيعًا وَأَنَّهُ رَشَّ عَلَى قَبْرِ اِبْنِهِ اِبْرَاهِيْمَ وَوَضَعَ عَلَيْهِ حَصْبَاء. (رواه البغوى فى شرح السنة)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৩
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ লাশ দাফনের রীতিনীতি ও তার আদাব
৩৪৩. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী কারীম ﷺ কে বলতে শুনেছি তোমাদের কেউ মারা গেলে তাকে ঘরে আবদ্ধ রাখবে না বরং তাকে অবিলম্বে কবর দিবে। তার পর মাথার দিকে সূরা বাকারার প্রথম অংশ (মুফলিহুন পর্যন্ত এবং পায়ের দিকে সূরা বাকারার শেষ অংশ আমানার রাসূলু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করবে। (রায়হাকীর শু'আবুল ঈমান, বিশুদ্ধমতে হাদীসটি মাওকূফ ইবনে উমর (রা.) এর উক্তি)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ عَبْدُاللهِ ابْنَ عُمَرَ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : « إِذَا مَاتَ أَحَدُكُمْ فَلَا تَحْبِسُوهُ ، وَأَسْرِعُوا بِهِ إِلَى قَبْرِهِ ، وَلْيُقْرَأْ عِنْدَ رَأْسِهِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ، وَعِنْدَ رِجْلَيْهِ بِخَاتِمَةِ الْبَقَرَةِ فِي قَبْرِهِ » (رواه البيهقى فى شعب الايمان وقال والصحيح انه موقوف)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৪
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর সম্পর্কে (নবী কারীম ﷺ এর) পথ নির্দেশ
৩৪৪. হযরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কবরে চুনকাম করতে, এর উপর ঘর নির্মাণ করতে এবং বসতে নিষেধ করেছেন। (মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : « نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُجَصَّصَ الْقَبْرُ ، وَأَنْ يُقْعَدَ عَلَيْهِ ، وَأَنْ يُبْنَى عَلَيْهِ » (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৫
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর সম্পর্কে (নবী কারীম ﷺ এর) পথ নির্দেশ
৩৪৫. হযরত আবূ মারসাদ গানাবী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: তোমরা কবরের উপর বসবে না এবং তার দিকে মুখ করে সালাতও আদায় করবে না। (মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ أَبِي مَرْثَدٍ الْغَنَوِيِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « لَا تَجْلِسُوا عَلَى الْقُبُورِ ، وَلَا تُصَلُّوا إِلَيْهَا » (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৬
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর সম্পর্কে (নবী কারীম ﷺ এর) পথ নির্দেশ
৩৪৬. হযরত আমর ইবনে হাযম (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ আমাকে একটি কবরের সাথে হেলান দিয়ে বসতে দেখে বললেন: কবরবাসীকে কষ্ট দিওনা অথবা তিনি বলেছেনঃ তাকে কষ্ট দিও না। (আহমাদ)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ ، قَالَ : رَآنِي النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَّكَأً عَلَى قَبْرٍ ، فَقَالَ : « لَا تُؤْذِ صَاحِبَ هَذَا الْقَبْرِ أَوْ لَا تُؤْذِهِ » (رواه احمد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৭
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর যিয়ারত
৩৪৭. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত করতে পার। কেননা তা দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ করে এবং আখিরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়। (ইবন মাজাহ)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ عَبْدِاللهِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : « كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ ، فَزُورُوهَا؛ فَإِنَّهَا تُزَهِّدُ فِي الدُّنْيَا ، وَتُذَكِّرُ الْآخِرَةَ » (رواه ابن ماجة)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৮
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর যিয়ারত
৩৪৮. হযরত বুরায়দা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যখন লোকেরা কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে বের হত তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদেরকে এই দু'আ-
السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ نَسْأَلُ اللهَ لَنَا وَلَكُمْ الْعَافِيَةَ
কবরবাসী! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমরাও ইনশা আল্লাহ্ তোমাদের সাথে মিলিত হবো। আমরা আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি" পাঠ করেন। (মুসলিম)
السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ نَسْأَلُ اللهَ لَنَا وَلَكُمْ الْعَافِيَةَ
কবরবাসী! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমরাও ইনশা আল্লাহ্ তোমাদের সাথে মিলিত হবো। আমরা আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি" পাঠ করেন। (মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ بُرَيْدَةَ قَالَ : " كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُهُمْ إِذَا خَرَجُوا إِلَى الْمَقَابِرِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ ، وَإِنَّا ، إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَلَاحِقُونَ ، نَسْأَلُ اللهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ " (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৯
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবর যিয়ারত
৩৪৯. হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম ﷺ মদীনার কতিপয় কবরের নিকট দিয়ে পথ চলাকালে তাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন-
«السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ أَنْتُمْ سَلَفُنَا وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ»
"হে কবরবাসী! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুন। তোমরা আমাদের পূর্বগামী এবং আমরা তোমাদের অনুগামী"। (তিরমিযী)
«السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ أَنْتُمْ سَلَفُنَا وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ»
"হে কবরবাসী! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুন। তোমরা আমাদের পূর্বগামী এবং আমরা তোমাদের অনুগামী"। (তিরমিযী)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : مَرَّ النَّبِىُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقُبُورِ الْمَدِينَةِ فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بِوَجْهِهِ ، فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ القُبُورِ ، يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا ، وَنَحْنُ بِالأَثَرِ.
(رواه الترمذى)
(رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কারো মৃত্যুর পর তার জন্য মাগফিরাত ও রহমতের দু’আ করা, দয়া-করুণা প্রার্থনা করা—এসবই তার প্রতি সদাচরণের সর্বোত্তম পদ্ধতি। জানাযার সালাত আদায় করার মূল উদ্দেশ্যও এটাই। কবর যিয়ারত বিষয়ক হাদীস সমূহের মধ্যে দু'টি হাদীসে কবরবাসীকে সালাম দেওয়ার সাথে সাথে মাগফিরাত চাওয়ার বিষয়ও বর্ণিত হয়েছে। মৃতের কল্যাণে দু'আ করার আরো একটি ফলদায়ক পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ ﷺ শিক্ষা দিয়েছেন। আর তা হল, মৃতের পক্ষ থেকে দান-সাদাকা অথবা সাওয়াবের কোন কাজ করা। একেই বলে ইসালে সাওয়াব। এ পর্যায়ে নিম্নবর্ণিত দু'টি সাহীস পাঠ করে নেয়া যেতে পারে।
৩৫০. হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, সা'দ ইবনে উবায়দা (রা.)-এর মা যখন ইন্তিকাল করেন তখন তিনি উপস্থিত ছিলেন না। সেমতে তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার মায়ের কাছে অনুপস্থিত থাকাকালে তিনি ইন্তিকাল করেছেন। সুতরাং আমি যদি তাঁর নামে দান সাদাকা করি তাতে তিনি উপকৃত হবেন কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তখন সা'দ বললেন, আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাঁর নামে আমার (মিখরাফ নামক) একটি বাগান দান করে দিলাম। (বুখারী)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا : أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تُوُفِّيَتْ أُمُّهُ وَهُوَ غَائِبٌ عَنْهَا ، فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي تُوُفِّيَتْ وَأَنَا غَائِبٌ عَنْهَا ، أَيَنْفَعُهَا شَيْءٌ إِنْ تَصَدَّقْتُ بِهِ عَنْهَا؟ قَالَ : « نَعَمْ » ، قَالَ : فَإِنِّي أُشْهِدُكَ أَنَّ حَائِطِيَ المِخْرَافَ صَدَقَةٌ عَلَيْهَا. (رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫১
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মৃতদের জন্য ইসালে সাওয়াব
৩৫১. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আ'স (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আস ইবনে ওয়াইল (রা) মৃত্যুর সময় এই মর্মে ওয়াসীয়্যাত করে যায় যে, তার পক্ষ থেকে যেন একশ' দাস মুক্ত করা হয়। সেমতে (তার এক পুত্র) হিশাম ইবনুল আস (রা) তার পক্ষ থেকে পঞ্চাশজন দাস মুক্ত করে। দ্বিতীয় পুত্র আমর ইবনুল আস (রা) অবশিষ্ট পঞ্চাশজন দাস মুক্ত করার সংকল্প ব্যক্ত করেন। কিন্তু তিনি এ বিষয় নবী কারীম ﷺ-এর কাছে প্রশ্ন করে বিষয়টি জেনে নিতে চাইলেন। তারপর আমর তাঁর নিকট গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের পিতা একশ' দাস মুক্ত করার ওয়াসীয়্যাত করেছিলেন। হিশাম তার পক্ষ থেকে পঞ্চাশজন দাস মুক্ত করে দিয়েছে এবং অবশিষ্ট পঞ্চাশ জনকে আমি কি তার পক্ষ থেকে মুক্ত করে দিব? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেনঃ তোমাদের পিতা যদি মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করত এবং তোমরা তার পক্ষ থেকে দাস মুক্ত করতে অথবা অন্য কোন কিছু দান করতে অথবা তার পক্ষে হজ্জ করতে তাহলে সে আমালের সাওয়াব তার আত্মায় পৌঁছত। (আবু দাউদ)।
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ عَبْدِاللهِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّ الْعَاصَ بْنَ وَائِلٍ أَوْصَى أَنْ يُعْتِقَ عَنْهُ مِائَةُ رَقَبَةٍ ، فَأَعْتَقَ ابْنُهُ هِشَامٌ خَمْسِينَ رَقَبَةً ، فَأَرَادَ ابْنُهُ عَمْرٌو أَنْ يُعْتِقَ عَنْهُ الْخَمْسِينَ الْبَاقِيَةَ ، فَقَالَ : حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبِي أَوْصَى بِعَتْقِ مِائَةِ رَقَبَةٍ ، وَإِنَّ هِشَامًا أَعْتَقَ عَنْهُ خَمْسِينَ وَبَقِيَتْ عَلَيْهِ خَمْسُونَ رَقَبَةً ، أَفَأُعْتِقُ عَنْهُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِنَّهُ لَوْ كَانَ مُسْلِمًا فَأَعْتَقْتُمْ عَنْهُ أَوْ تَصَدَّقْتُمْ عَنْهُ أَوْ حَجَجْتُمْ عَنْهُ بَلَغَهُ ذَلِكَ » (رواه ابوداؤد)
তাহকীক: