রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين
৮. সফরের আদব-বিধান - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৫ টি
হাদীস নং: ৯৭৬
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মুসাফির যখন টিলা বা অনুরূপ কোনও উঁচু স্থানে চড়ে, তখন তার আল্লাহু আকবার বলা; যখন উপত্যকা বা অনুরূপ কোনও নিচু স্থানে নামে, তখন সুবহানাল্লাহ বলা এবং তাকবীর ও তাসবীহতে আওয়াজ বেশি উঁচু না করা
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
৯৭৬. হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর বাহিনী যখন টিলার উপর উঠতেন, আল্লাহু আকবার বলতেন। আর যখন নিচে নামতেন, সুবহানাল্লাহ বলতেন। -আবু দাউদ
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
976 - وعن ابن عمرَ رضي اللهُ عنهما، قَالَ: كَانَ النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم - وجيُوشُهُ إِذَا عَلَوا الثَّنَايَا كَبَّرُوا، وَإِذَا هَبَطُوا سَبَّحُوا. رواه أَبُو داود بإسناد صحيح. (1)
হাদীস নং: ৯৭৭
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মুসাফির যখন টিলা বা অনুরূপ কোনও উঁচু স্থানে চড়ে, তখন তার আল্লাহু আকবার বলা; যখন উপত্যকা বা অনুরূপ কোনও নিচু স্থানে নামে, তখন সুবহানাল্লাহ বলা এবং তাকবীর ও তাসবীহতে আওয়াজ বেশি উঁচু না করা
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
৯৭৭. হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হজ্জ বা উমরা থেকে ফিরতেন, তখন পথে যখনই কোনও টিলায় বা উঁচু স্থানে উঠতেন, তখন তিনবার আল্লাহু আকবার বলতেন। তারপর বলতেন-
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كلِّ شيءٍ قديرٌ آيِبونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَه
'আল্লাহ ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনও শরীক নেই। তাঁরই রাজত্ব এবং তাঁরই সকল প্রশংসা। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী। আমরা তাওবাকারী। আমরা ইবাদতকারী। আমরা সিজদাকারী এবং আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তিনি তাঁর বান্দার সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুবাহিনীদের পরাজিত করেছেন'। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ২৯৯৫, ৪১১৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৪৪; সুনানে আবু দাউদ: ২৭৭০: জামে' তিরমিযী: ৯৫০; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ১০২৯৭; মুসনাদে আহমাদ: ৪৭১৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৩৬২৯: মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৩৫; মুসনাদুল হুমায়দী: ৬৫৭)
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كلِّ شيءٍ قديرٌ آيِبونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَه
'আল্লাহ ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনও শরীক নেই। তাঁরই রাজত্ব এবং তাঁরই সকল প্রশংসা। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী। আমরা তাওবাকারী। আমরা ইবাদতকারী। আমরা সিজদাকারী এবং আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তিনি তাঁর বান্দার সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুবাহিনীদের পরাজিত করেছেন'। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ২৯৯৫, ৪১১৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৪৪; সুনানে আবু দাউদ: ২৭৭০: জামে' তিরমিযী: ৯৫০; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ১০২৯৭; মুসনাদে আহমাদ: ৪৭১৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৩৬২৯: মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৩৫; মুসনাদুল হুমায়দী: ৬৫৭)
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
977 - وعنه، قَالَ: كَانَ النَّبي - صلى الله عليه وسلم - إِذَا قَفَلَ مِنَ الحَجِّ أَوْ العُمْرَةِ، كُلَّمَا أوْفَى عَلَى ثَنِيَّةٍ أَوْ فَدْفَدٍ كَبَّرَ ثَلاثًا، ثُمَّ قَالَ: «لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ. آيِبُونَ، تَائِبُونَ، عَابِدُونَ، سَاجِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، صَدَقَ اللهُ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
وفي رواية لمسلم: إِذَا قَفَلَ مِنَ الجيُوشِ أَو السَّرَايَا أَو الحَجِّ أَو العُمْرَةِ.
قَوْلهُ: «أوْفَى» أيْ: ارْتَفَعَ، وَقَوْلُه: «فَدْفَدٍ» هُوَ بفتح الفائَينِ بينهما دال مهملة ساكِنة، وَآخِره دال أخرى وَهُوَ: «الغَليظُ المُرْتَفِعُ مِنَ الأرضِ».
وفي رواية لمسلم: إِذَا قَفَلَ مِنَ الجيُوشِ أَو السَّرَايَا أَو الحَجِّ أَو العُمْرَةِ.
قَوْلهُ: «أوْفَى» أيْ: ارْتَفَعَ، وَقَوْلُه: «فَدْفَدٍ» هُوَ بفتح الفائَينِ بينهما دال مهملة ساكِنة، وَآخِره دال أخرى وَهُوَ: «الغَليظُ المُرْتَفِعُ مِنَ الأرضِ».
হাদীস নং: ৯৭৮
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ সফরে যাওয়ার সময় উপদেশকামনা ও সফরযাত্রীকে উপদেশদান
৯৭৮. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি সফর করব বলে ইচ্ছা করেছি। আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, তুমি অবশ্যই তাকওয়া অবলম্বন করবে, প্রত্যেক উঁচু স্থানে তাকবীর বলবে। তারপর লোকটি যখন চলে যাচ্ছিল, তখন তিনি বললেন- اللَّهُمَّ اطْوِ لَهُ الْبُعْدَ، وَهَوْنَ عَلَيْهِ السَّفَرَ (হে আল্লাহ! তার জন্য দূরত্বকে গুটিয়ে দিন এবং সফরকে তার জন্য সহজ করে দিন)।-তিরমিযী (জামে' তিরমিযী: ৩৪৪৫; মুসনাদে আহমাদ: ৮৩৬৭; মুসনাদুল বাযযার: ৮৫২৮; সহীহ ইবন খুযায়মা : ২৫৬১; সহীহ ইবন হিব্বান ২৬৯২; হাকিম, আল মুসতাদরাক: ১৬৩৩: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩১৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৩৪৬)
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
978 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه: أنَّ رجلًا قَالَ: يَا رسول الله، إنّي أُريدُ أَنْ أُسَافِرَ فَأوْصِني، قَالَ: «عَلَيْكَ بِتَقْوَى اللهِ، وَالتَّكْبِيرِ عَلَى كلِّ شَرَفٍ» فَلَمَّا وَلَّى الرَّجُلُ، قَالَ: «اللَّهُمَّ اطْوِ لَهُ البُعْدَ، وَهَوِّنْ عَلَيْهِ السَّفَرَ». رواه الترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».
হাদীস নং: ৯৭৯
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ ইবাদত-বন্দেগীতে অপ্রয়োজনীয় কষ্ট না করা এবং যিকিরে অহেতুক আওয়াজ উঁচু না করা
৯৭৯. হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। তখন আমরা যখনই কোনও উপত্যকায় পৌঁছতাম, তখন বলতাম লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। তাতে আমাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে যেত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে লোকসকল! নিজেদের প্রতি সদয় হও। তোমরা তো কোনও বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছ না। তিনি তো তোমাদের সঙ্গেই আছেন। তিনি সবকিছু শোনেন, তিনি নিকটবর্তী। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ২৯৯২; সহীহ মুসলিম: ২৭০৪; মুসনাদুল বাযযার ২৯৯৪; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৭৬৩২; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৭২৫২; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ৫৭৮৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ৩০১২; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৪৪: মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৮৪৬৩)
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
979 - وعن أَبي موسى الأشعريِّ - رضي الله عنه - قَالَ: كنّا مَعَ النبيِّ - صلى الله عليه وسلم - في سَفَرٍ، فَكُنَّا إِذَا أشْرَفْنَا عَلَى وَادٍ هَلَّلْنَا وَكَبَّرْنَا وَارتَفَعَتْ أصْوَاتُنَا، فَقَالَ النبيُّ - صلى الله عليه وسلم: «يَا أيُّهَا النَّاسُ، ارْبَعُوا عَلَى أنْفُسِكُمْ، فَإنَّكُمْ لاَ تَدْعُونَ أصَمَّ وَلاَ غَائِبًا، إنَّهُ مَعَكُمْ، إنَّهُ سَمِيعٌ قَرِيبٌ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
«ارْبَعُوا» بفتحِ الباءِ الموحدةِ أيْ: ارْفُقُوا بِأَنْفُسِكُمْ.
«ارْبَعُوا» بفتحِ الباءِ الموحدةِ أيْ: ارْفُقُوا بِأَنْفُسِكُمْ.
হাদীস নং: ৯৮০
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ সফরে দুআ করা মুস্তাহাব: তিন ব্যক্তির দুআ অবশ্যই কবুল হয়
৯৮০. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তিনটি দুআ কবুল হয়। তাতে কোনও সন্দেহ নেই। মজলুম ব্যক্তির দুআ, মুসাফিরের দুআ এবং সন্তানের বিপক্ষে পিতার দুআ। -আবু দাউদ ও তিরমিযী (সুনানে আবূ দাউদ: ১৫৩৬; জামে তিরমিযী: ১৯০৫; সুনানে ইবন মাজাহ : ৩৮৬২; খারাইতী, মাসাবিউল আখলাক: ৫৯৯; বুখারী, আল আদাবুল মুফরাদ: ৩২, ৪৮১; মুসনাদে আবূ দাউদ তয়ালিসী: ২৬৩৯; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৯৮৩০; মুসনাদে আহমাদ: ৭৫০২)
كتاب آداب السفر
باب استحباب الدعاء في السفر
980 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «ثلاثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَات لاَ شَكَّ فِيهِنَّ: دَعْوَةُ المَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ المُسَافِرِ، وَدَعْوَةُ الوَالِدِ عَلَى وَلَدِهِ». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن». وليس في رواية أَبي داود: «عَلَى وَلَدِهِ».
হাদীস নং: ৯৮১
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ কোনও মানুষ বা অন্য কোনওকিছুকে ভয় করলে যে দুআ পড়বে
৯৮১. হযরত আবূ মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনও সম্প্রদায়কে ভয় করলে দুআ করতেন-
اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُوْرِهِمْ، وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ.
'হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে রাখছি তাদের গলদেশে (জবাইয়ের স্থানে) এবং আমরা তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি'। -আবু দাউদ ও নাসাঈ (সুনানে আবূ দাউদ: ১৫৩৭। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৮৫৭৭; মুসনাদে আহমাদ: ১৯৭১৯। সহীহ ইবন হিব্বান: ৪৭৬৫; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ২৫৩১; হাকিম, আল মুসতাদরাক: ২৬২৯: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩২৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৩৫৩)
اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُوْرِهِمْ، وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ.
'হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে রাখছি তাদের গলদেশে (জবাইয়ের স্থানে) এবং আমরা তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি'। -আবু দাউদ ও নাসাঈ (সুনানে আবূ দাউদ: ১৫৩৭। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৮৫৭৭; মুসনাদে আহমাদ: ১৯৭১৯। সহীহ ইবন হিব্বান: ৪৭৬৫; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ২৫৩১; হাকিম, আল মুসতাদরাক: ২৬২৯: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩২৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৩৫৩)
كتاب آداب السفر
باب مَا يدعو بِهِ إِذَا خاف ناسًا أَوْ غيرهم
981 - عن أَبي موسى الأشعريِّ - رضي الله عنه: أنَّ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - كَانَ إِذَا خَافَ قَوْمًا، قَالَ: «اللَّهُمَّ إنَّا نَجْعَلُكَ في نُحُورِهِمْ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ». رواه أَبُو داود والنسائي بإسنادٍ صحيحٍ. (1)
হাদীস নং: ৯৮২
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ কোনও মঞ্জিলে যাত্রাবিরতির সময় যে দুআ পড়বে
৯৮২. হযরত খাওলা বিনতে হাকীম রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোনও মঞ্জিলে যাত্রাবিরতি দেওয়ার সময় বলে-أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি তিনি যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে), সে ওই মঞ্জিল থেকে বিদায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত কোনওকিছুই তার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। -মুসলিম (সহীহ মুসলিম: ২৭০৮; জামে তিরমিযী: ৩৪৩৭; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৪৬; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩১৮; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ৩৫; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৯৪০৯; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৬০; মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহুয়াহ: ২১৪৯; সুনানে দারিমী: ২৭২২)
كتاب آداب السفر
باب مَا يقول إِذَا نزل منْزلًا
982 - عن خولة بنتِ حَكِيمٍ رضي الله عنها، قالت: سَمِعْتُ رسولَ اللهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «مَنْ نَزَلَ مَنْزِلًا ثُمَّ قَالَ: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، لَمْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ مِنْ مَنْزِلِهِ ذَلِكَ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৯৮৩
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ কোনও মঞ্জিলে যাত্রাবিরতির সময় যে দুআ পড়বে
৯৮৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর করতেন আর এ অবস্থায় রাত আসত, তখন বলতেন-
يَا أَرْضُ رَبِّي وَرَبُّكِ اللَّهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَدِبُّ عَلَيْكِ وَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ أَسَدٍ وَأَسْوَدَ وَمِنَ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ وَمِنْ سَاكِنِ الْبَلَدِ وَمِنْ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ "
'হে ভূমি। আমার ও তোমার রব্ব আল্লাহ। আমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমার অনিষ্ট হতে, তোমার ভেতর যা আছে তার অনিষ্ট হতে, তোমার ভেতর যা-কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে তার অনিষ্ট হতে এবং তোমার উপর যা-কিছু বিচরণ করে তার অনিষ্ট হতে। (হে আল্লাহ।) আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি সিংহ, আসওয়াদ (কালো, বিশাল ও ভয়ংকর সাপ), সাপ, বিচ্ছু, শহরের বাসিন্দাগণ এবং জনক ও জাতক থেকে'। -আবু দাউদ (সুনানে আবু দাউদ: ২৬০৩; মুসনাদে আহমাদ: ৬১৬২; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা। ১০৩২২; সহীহ ইবন খুযায়মা ২৫৭২; খারাইতী, মাকারিমুল আখলাক ৮২৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক: ১৬৩৭: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা। ১০৩২১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৩৪৯)
يَا أَرْضُ رَبِّي وَرَبُّكِ اللَّهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَدِبُّ عَلَيْكِ وَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ أَسَدٍ وَأَسْوَدَ وَمِنَ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ وَمِنْ سَاكِنِ الْبَلَدِ وَمِنْ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ "
'হে ভূমি। আমার ও তোমার রব্ব আল্লাহ। আমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমার অনিষ্ট হতে, তোমার ভেতর যা আছে তার অনিষ্ট হতে, তোমার ভেতর যা-কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে তার অনিষ্ট হতে এবং তোমার উপর যা-কিছু বিচরণ করে তার অনিষ্ট হতে। (হে আল্লাহ।) আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি সিংহ, আসওয়াদ (কালো, বিশাল ও ভয়ংকর সাপ), সাপ, বিচ্ছু, শহরের বাসিন্দাগণ এবং জনক ও জাতক থেকে'। -আবু দাউদ (সুনানে আবু দাউদ: ২৬০৩; মুসনাদে আহমাদ: ৬১৬২; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা। ১০৩২২; সহীহ ইবন খুযায়মা ২৫৭২; খারাইতী, মাকারিমুল আখলাক ৮২৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক: ১৬৩৭: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা। ১০৩২১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৩৪৯)
كتاب آداب السفر
باب مَا يقول إِذَا نزل منْزلًا
983 - وعن ابن عمر رضي الله عنهما، قَالَ: كَانَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - إِذَا سَافَرَ فَأقْبَلَ اللَّيْلُ، قَالَ: «يَا أرْضُ، رَبِّي وَرَبُّكِ اللهُ، أعُوذُ بِاللهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ، وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ، وَشَرِّ مَا يَدِبُّ عَلَيْكِ، وَأعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ أسَدٍ وَأسْوَدٍ، وَمِنَ الحَيَّةِ وَالعَقْرَبِ، وَمِنْ سَاكِنِ البَلَدِ، وَمِنْ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ». رواه أَبُو داود. (1)
وَ «الأَسْوَدُ»: الشَّخْصُ، قَالَ الخَطَّابِيُّ: وَ «سَاكِنُ البَلَدِ»: هُمُ الجِنُّ الَّذِينَ هُمْ سُكَّانُ الأرْضِ. قَالَ: وَالبَلَد مِنَ الأرْضِ: مَا كَانَ مَأْوَى الحَيَوانِ، وَإنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ بِنَاءٌ وَمَنَازلُ. قَالَ: وَيَحْتَمِلُ أنَّ المُرَادَ: «بِالوَالِدِ» إبليسُ: «وَمَا وَلَدَ»: الشَّيَاطِينُ (2).
وَ «الأَسْوَدُ»: الشَّخْصُ، قَالَ الخَطَّابِيُّ: وَ «سَاكِنُ البَلَدِ»: هُمُ الجِنُّ الَّذِينَ هُمْ سُكَّانُ الأرْضِ. قَالَ: وَالبَلَد مِنَ الأرْضِ: مَا كَانَ مَأْوَى الحَيَوانِ، وَإنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ بِنَاءٌ وَمَنَازلُ. قَالَ: وَيَحْتَمِلُ أنَّ المُرَادَ: «بِالوَالِدِ» إبليسُ: «وَمَا وَلَدَ»: الشَّيَاطِينُ (2).
হাদীস নং: ৯৮৪
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ নিজ প্রয়োজন সমাধা হওয়ার পর মুসাফিরের দ্রুত নিজ পরিবারবর্গের কাছে ফিরে আসা মুস্তাহাব
৯৮৪. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, সফর আযাবের একটা অংশ। তা তোমাদের একেকজনের পানাহার ও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। কাজেই তোমাদের কেউ যখন তার সফরের উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলবে, তখন যেন দ্রুত পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসে। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী : ১৮০৪, ৩০০১; সহীহ মুসলিম: ১৯২৭; মুসনাদে আহমাদ: ৭২২৫; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৯২৫৫; সুনানে ইবন মাজাহ: ২৮৮২; সহীহ ইবন হিব্বান ২৭০৮; সুনানে দারিমী : ২৭১২; মুসনাদুল বাযযার: ৮৯৬১; নাসাঈ আস সুনানুল কুবরা: ৮৭৩২: বাগাবী শারহুস সুন্নাহ: ২৬৮৮)
كتاب آداب السفر
باب استحباب تعجيل المسافر الرجوع إِلَى أهله إِذَا قضى حاجته
984 - عن أَبي هريرة - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «السَّفَرُ قِطْعَةٌ مِنَ العَذَابِ، يَمْنَعُ أحَدَكُمْ طَعَامَهُ وَشَرابَهُ وَنَوْمَهُ، فَإذَا قَضَى أحَدُكُمْ نَهْمَتَهُ مِنْ سَفَرِهِ، فَلْيُعَجِّلْ إِلَى أهْلِهِ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
«نَهْمَتهُ»: مَقْصُودهُ.
«نَهْمَتهُ»: مَقْصُودهُ.
হাদীস নং: ৯৮৫
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ নিজ পরিবারবর্গের কাছে দিনের বেলা ফিরে আসা মুস্তাহাব অপ্রয়োজনে রাতে ফেরা মাকরূহ
৯৮৫. হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ দীর্ঘ সময় বাড়িতে অনুপস্থিত থাকলে সে যেন রাতের বেলা পরিবারবর্গের কাছে না ফেরে।
অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষকে রাতের বেলা পরিবারবর্গের কাছে ফিরতে নিষেধ করেছেন। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ৫২৪৪; সহীহ মুসলিম: ৭১৫; মুসনাদে আহমাদ: ১৫১২; সুনানে দারিমী: ২৬৭৩; মুসনাদুল বাযযার: ৯০৯৬; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪৩৮: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩৭১; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ১৪০১৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ১৮৯৫)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষকে রাতের বেলা পরিবারবর্গের কাছে ফিরতে নিষেধ করেছেন। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ৫২৪৪; সহীহ মুসলিম: ৭১৫; মুসনাদে আহমাদ: ১৫১২; সুনানে দারিমী: ২৬৭৩; মুসনাদুল বাযযার: ৯০৯৬; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪৩৮: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৩৭১; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ১৪০১৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ১৮৯৫)
كتاب آداب السفر
باب استحباب القدوم عَلَى أهله نهارًا وكراهته في الليل لغير حاجة
985 - عن جابر - رضي الله عنه: أنَّ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا أطال أحَدُكُمُ الغَيْبَةَ فَلاَ يَطْرُقَنَّ أهْلَهُ لَيْلًا».
وفي روايةٍ: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - نَهَى أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أهْلَهُ لَيْلًا. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
وفي روايةٍ: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - نَهَى أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أهْلَهُ لَيْلًا. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯৮৬
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ নিজ পরিবারবর্গের কাছে দিনের বেলা ফিরে আসা মুস্তাহাব অপ্রয়োজনে রাতে ফেরা মাকরূহ
৯৮৬. হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা নিজ পরিবারবর্গের কাছে ফিরতেন না। তিনি তাদের কাছে আসতেন সকালবেলা অথবা সন্ধ্যাবেলা। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ১৮০০; সহীহ মুসলিম: ১৯২৮; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৩৬৪৫। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৯১০১: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ১০৩৬৮: বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ২৭৬৪)
كتاب آداب السفر
باب استحباب القدوم عَلَى أهله نهارًا وكراهته في الليل لغير حاجة
986 - وعن أنسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - لا يَطْرُقُ أهْلَهُ لَيْلًا، وَكَانَ يَأتِيهمْ غُدْوَةً أَوْ عَشِيَّةً. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
«الطُّرُوقُ»: المَجيءُ فِي اللَّيْلِ.
«الطُّرُوقُ»: المَجيءُ فِي اللَّيْلِ.
হাদীস নং: ৯৮৭
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ فِيهِ حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ السَّابِقُ فِي بَابٍ تَكْبِيرِ الْمُسَافِرِ إِذَا صَعِدَ الثنَايَا
এ বিষয়ে হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাযি. থেকে একটি হাদীছ বর্ণিত আছে, যা ৬ নং পরিচ্ছেদে (হাদীছ নং ৯৭৭) গত হয়েছে।
এ বিষয়ে হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাযি. থেকে একটি হাদীছ বর্ণিত আছে, যা ৬ নং পরিচ্ছেদে (হাদীছ নং ৯৭৭) গত হয়েছে।
৯৮৭. হযরত আনাস রাযি. বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে (সফর থেকে) ফিরে আসছিলাম। পরিশেষে যখন আমরা মদীনার উপকণ্ঠে পৌছলাম, তখন তিনি বললেন- آيبُونَ، تَاثِبُونَ، عَابِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ (আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী, আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী)। তিনি এসব বলতে থাকলেন যতক্ষণ না আমরা মদীনায় পৌঁছলাম। -মুসলিম (সহীহ মুসলিম: ১৩৪৫)
كتاب آداب السفر
باب مَا يقول إِذَا رجع وإذا رأى بلدته
فِيهِ حَدِيثُ ابنِ عمرَ (1) السَّابِقُ في باب تكبيرِ المسافِر إِذَا صَعِدَ الثَّنَايَا.
فِيهِ حَدِيثُ ابنِ عمرَ (1) السَّابِقُ في باب تكبيرِ المسافِر إِذَا صَعِدَ الثَّنَايَا.
987 - وعن أنس - رضي الله عنه - قَالَ: أقْبَلْنَا مَعَ النَّبيِّ - صلى الله عليه وسلم - حَتَّى إِذَا كُنَّا بِظَهْرِ الْمَدِينَةِ، قَالَ: «آيِبُونَ، تَائِبُونَ، عَابِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ» فَلَمْ يَزَلْ يَقُولُ ذَلِكَ حَتَّى قَدِمْنَا المَدِينَةَ. رواه مسلم. (2)
হাদীস নং: ৯৮৮
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ সফর থেকে প্রত্যাবর্তনকারীর জন্য প্রথমে নিজ বাড়ির কাছের মসজিদে আসা এবং সেখানে দু'রাকাত নামায পড়া মুস্তাহাব
৯৮৮. হযরত কা'ব ইবন মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনও সফর থেকে ফিরে আসতেন, তখন প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে দু'রাকাত নামায পড়তেন। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ৪৪১৮; সহীহ মুসলিম: ২৭৬৯; সুনানে আবূ দাউদ: ২৭৭৩; সুনানে নাসাঈ: ৭৩১; সহীহ ইবন হিব্বান: ২৫২৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর ৯১; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক : ৯২৫৮; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৭০০৭; খারাইতী, মাকারিমুল আখলাক: ৮২)
كتاب آداب السفر
باب استحباب ابتداء القادم بالمسجد الذي في جواره وصلاته فيه ركعتين
988 - عن كعب بن مالِك - رضي الله عنه: أنَّ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - كَانَ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ، بَدَأ بِالْمَسْجِدِ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯৮৯
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের একাকী সফর করার অবৈধতা
৯৮৯. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ ও শেষদিবসের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোনও নারীর জন্য তার কোনও মাহরাম পুরুষ ব্যতীত একদিন ও এক রাতের দূরত্বে সফর করা জায়েয নয়। -বুখারী ও মুসলিম
كتاب آداب السفر
باب تحريم سفر المرأة وحدها
989 - عن أَبي هريرة - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «لاَ يَحِلُّ لامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَومِ الآخِرِ تُسَافِرُ مَسِيرَةَ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ إِلاَّ مَعَ ذِي مَحْرَمٍ عَلَيْهَا». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯৯০
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের একাকী সফর করার অবৈধতা
৯৯০. হযরত ইবন আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, কোনও পুরুষ যেন কিছুতেই কোনও মহিলার সঙ্গে তার মাহরাম পুরুষ ছাড়া নির্জনে সাক্ষাৎ না করে এবং কোনও নারী যেন মাহরাম সঙ্গী ছাড়া সফর না করে। এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গেছে। অন্যদিকে আমি অমুক অমুক যুদ্ধে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছি। তিনি বললেন, যাও, তুমি তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হজ্জ করো। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ৩০০৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৪১; মুসনাদুল হুমায়দী: ৪৭৩; মুসনাদে আহমাদ: ১৯৩৪; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা: ২৩৯১; সহীহ ইবন খুযায়মা: ২৫২৯; সহীহ ইবন হিব্বান: ৩৭৫৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ১০১৩৪; শু'আবুল ঈমান : ৫০৫৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৮৪৯)
كتاب آداب السفر
باب تحريم سفر المرأة وحدها
990 - وعن ابن عباس رضي الله عنهما: أنَّهُ سَمِعَ النبيَّ - صلى الله عليه وسلم - يقول: «لاَ يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلاَّ وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ، وَلاَ تُسَافِرُ المَرْأةُ إِلاَّ مَعَ ذِي مَحْرَمٍ» فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا رسولَ الله، إنَّ امْرَأتِي خَرَجَتْ حَاجَّةً، وَإنِّي اكْتُتِبْتُ في غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا؟ قَالَ: «انْطَلِقْ فَحُجَّ مَعَ امْرَأَتِكَ». متفقٌ عَلَيْهِ.