আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
১. ইখলাস-সত্যবাদিতা ও সদিচ্ছা সম্পর্কিত
হাদীস নং: ৪৬
ইখলাস-সত্যবাদিতা ও সদিচ্ছা সম্পর্কিত
রিয়া সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন এবং রিয়ার আশংকাকালীন দু'আ
৪৬. হযরত শাদ্দাদ ইব্ন আওস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (সা) -কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি প্রদশনীমূলক সিয়াম পালন করে, সে শিরক করল। যে ব্যক্তি প্রদশর্নীমূলক সালাত আদায় করল, সেও শিরক করল এবং যে প্রদর্শনীমূলক দান-খয়রাত করল, সেও শিরক করল।
(ইমাম বায়হাকী (র) আবদুল মজীদ ইব্ন বাহরাম সূত্রে, তিনি শাহর ইব্ন হাওশাব থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেন। পূর্ণ হাদীসটি শীঘ্রই আসবে ইনশা আল্লাহ।)
(ইমাম বায়হাকী (র) আবদুল মজীদ ইব্ন বাহরাম সূত্রে, তিনি শাহর ইব্ন হাওশাব থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেন। পূর্ণ হাদীসটি শীঘ্রই আসবে ইনশা আল্লাহ।)
كتاب الإخلاص
التَّرْهِيب من الرِّيَاء وَمَا يَقُوله من خَافَ شَيْئا مِنْهُ
46 - وَعَن شَدَّاد بن أَوْس رَضِي الله عَنهُ أَنه سمع النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول من صَامَ يرائي فقد أشرك وَمن صلى يرائي فقد أشرك وَمن تصدق يرائي فقد أشرك
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ من طَرِيق عبد الْمجِيد بن بهْرَام عَن شهر بن حَوْشَب وَسَيَأْتِي أتم من هَذَا إِن شَاءَ الله تَعَالَى
رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ من طَرِيق عبد الْمجِيد بن بهْرَام عَن شهر بن حَوْشَب وَسَيَأْتِي أتم من هَذَا إِن شَاءَ الله تَعَالَى
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আল্লাহর সত্তা, গুণ, অধিকার এবং ক্ষমতার সাথে কোন বস্তু, মানুষ বা প্রতিষ্ঠানকে শরীক করা শিরক। কোন ব্যক্তি, বস্তু বা প্রতিষ্ঠানকে আল্লাহ বলা বা আল্লাহর মর্যাদা দান করা বা আল্লাহর ক্ষমতা ও অধিকার কারো প্রতি জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে আরোপ করা শিরক। যে ব্যাক্তি শিরক করে, আল্লাহ তাকে খুব অপসন্দ করেন এবং তাকে আখিরাতে আগুনের আযাবের দ্বারা শাস্তি প্রদান করবেন।
রিয়া বা লোক দেখানো সৎকাজও এক ধরনের শিরক। যদি কোন বিশ্বাসী ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য সৎকর্ম করে, তাহলে তার ঈমান এবং নামায, রোযা, যাকাত প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও তাকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহর আদালতে সে শিরকের অভিযোগে অভিযুক্ত হবে। নেক আমল করার ব্যাপারে খুব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নিয়্যত বিশুদ্ধ হলে সওয়াব পাওয়া যাবে। নিয়্যত বিশুদ্ধ না হলে শুধু নেক আমল বরবাদই হবে না, তার সাথে তথাকথিত নেক আমলকারীকেও শাস্তি ভোগ করতে হবে।
রিয়া বা লোক দেখানো সৎকাজও এক ধরনের শিরক। যদি কোন বিশ্বাসী ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য সৎকর্ম করে, তাহলে তার ঈমান এবং নামায, রোযা, যাকাত প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও তাকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহর আদালতে সে শিরকের অভিযোগে অভিযুক্ত হবে। নেক আমল করার ব্যাপারে খুব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। নিয়্যত বিশুদ্ধ হলে সওয়াব পাওয়া যাবে। নিয়্যত বিশুদ্ধ না হলে শুধু নেক আমল বরবাদই হবে না, তার সাথে তথাকথিত নেক আমলকারীকেও শাস্তি ভোগ করতে হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: