আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
৬. অধ্যায়ঃ নফল
হাদীস নং: ৯৬৬
অধ্যায়ঃ নফল
সকাল ও সন্ধ্যায় কতিপয় আয়াত তিলাওয়াত ও যিকর করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৯৬৬. হযরত শাদ্দাদ ইবন আওস (রা) থেকে নবী (সা) সূত্রে বর্ণিত। যে ব্যক্তি সন্ধ্যাবেলা ঈমানের সাথে সায়্যিদুল ইসতিগফার পাঠ করবে, সে রাতে সে মারা গেলে জান্নাতী হবে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সকালবেলা সায়্যিদুল ইসতিগফার পাঠ করবে, সে দিনে মারা গেলে সে জান্নাতী হবে। সায়্যিদুল ইসতিগফার হল এইঃ
اللَّهُمَّ أَنْت رَبِّي لَا إِلَه إِلَّا أَنْت خلقتني وَأَنا عَبدك وَأَنا على عَهْدك وَوَعدك مَا اسْتَطَعْت أعوذ بك من شَرّ مَا صنعت أَبُوء لَك بنعمتك عَليّ وأبوء بذنبي فَاغْفِر لي إِنَّه لَا يغْفر الذُّنُوب إِلَّا أَنْت
"হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তোমার অঙ্গীকার ও ওয়াদার উপর স্থির আছি। আমি আমার আমলের অনিষ্ট হতে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমার উপরে তোমার দান স্বীকার করছি এবং আমার কৃত অপরাধের স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তোমার ব্যতীত ক্ষমা করার আর কেউ নেই।" (বুখারী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী নিজ শব্দযোগে বর্ণনা করেনঃ
যে কেউ সন্ধ্যাবেলা এই দুআ পাঠ করে, এমনকি সকাল হওয়ার পূর্বেই যদি তার মৃত্যু এসে পড়ে, তাহলে তার জন্য জান্নাত অবধারিত। (অনুরূপভাবে) যে কেউ সকালবেলা এই দু'আ পাঠ করে, এমনকি সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বেই যদি তার মৃত্যু এসে পড়ে, তাহলে তার জন্য জান্নাত অবধারিত।
এ হাদীস ব্যতীত শাদ্দাদের কোন হাদীস বুখারী শরীফে নেই। আবু দাউদ, ইবন হিব্বান ও হাকিম প্রমুখ হযরত বুরায়দা (রা) সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
اللَّهُمَّ أَنْت رَبِّي لَا إِلَه إِلَّا أَنْت خلقتني وَأَنا عَبدك وَأَنا على عَهْدك وَوَعدك مَا اسْتَطَعْت أعوذ بك من شَرّ مَا صنعت أَبُوء لَك بنعمتك عَليّ وأبوء بذنبي فَاغْفِر لي إِنَّه لَا يغْفر الذُّنُوب إِلَّا أَنْت
"হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তোমার অঙ্গীকার ও ওয়াদার উপর স্থির আছি। আমি আমার আমলের অনিষ্ট হতে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমার উপরে তোমার দান স্বীকার করছি এবং আমার কৃত অপরাধের স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তোমার ব্যতীত ক্ষমা করার আর কেউ নেই।" (বুখারী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী নিজ শব্দযোগে বর্ণনা করেনঃ
যে কেউ সন্ধ্যাবেলা এই দুআ পাঠ করে, এমনকি সকাল হওয়ার পূর্বেই যদি তার মৃত্যু এসে পড়ে, তাহলে তার জন্য জান্নাত অবধারিত। (অনুরূপভাবে) যে কেউ সকালবেলা এই দু'আ পাঠ করে, এমনকি সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বেই যদি তার মৃত্যু এসে পড়ে, তাহলে তার জন্য জান্নাত অবধারিত।
এ হাদীস ব্যতীত শাদ্দাদের কোন হাদীস বুখারী শরীফে নেই। আবু দাউদ, ইবন হিব্বান ও হাকিম প্রমুখ হযরত বুরায়দা (রা) সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب النَّوَافِل
التَّرْغِيب فِي آيَات وأذكار يَقُولهَا إِذا أصبح وَإِذا أَمْسَى
966 - وَعَن شَدَّاد بن أَوْس رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ سيد الاسْتِغْفَار اللَّهُمَّ أَنْت رَبِّي لَا إِلَه إِلَّا أَنْت خلقتني وَأَنا عَبدك وَأَنا على عَهْدك وَوَعدك مَا اسْتَطَعْت أعوذ بك من شَرّ مَا صنعت أَبُوء لَك بنعمتك عَليّ وأبوء بذنبي فَاغْفِر لي إِنَّه لَا يغْفر الذُّنُوب إِلَّا أَنْت
من قَالَهَا موقنا بهَا حِين يُمْسِي فَمَاتَ من ليلته دخل الْجنَّة وَمن قَالَهَا موقنا بهَا حَتَّى يصبح فَمَاتَ من يَوْمه دخل الْجنَّة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَالنَّسَائِيّ وَالتِّرْمِذِيّ
وَعِنْده لَا يَقُولهَا أحد حِين يُمْسِي فَيَأْتِي عَلَيْهِ قدر قبل أَن يصبح إِلَّا وَجَبت لَهُ الْجنَّة وَلَا يَقُولهَا حِين يصبح فَيَأْتِي عَلَيْهِ قدر قبل أَن يُمْسِي إِلَّا وَجَبت لَهُ الْجنَّة
وَلَيْسَ لشداد فِي البُخَارِيّ غير هَذَا الحَدِيث وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن حبَان وَالْحَاكِم من حَدِيث بُرَيْدَة رَضِي الله عَنهُ
أَبُوء بباء مُوَحدَة مَضْمُومَة وهمزة بعد الْوَاو ممدودا مَعْنَاهُ أقرّ وأعترف
من قَالَهَا موقنا بهَا حِين يُمْسِي فَمَاتَ من ليلته دخل الْجنَّة وَمن قَالَهَا موقنا بهَا حَتَّى يصبح فَمَاتَ من يَوْمه دخل الْجنَّة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَالنَّسَائِيّ وَالتِّرْمِذِيّ
وَعِنْده لَا يَقُولهَا أحد حِين يُمْسِي فَيَأْتِي عَلَيْهِ قدر قبل أَن يصبح إِلَّا وَجَبت لَهُ الْجنَّة وَلَا يَقُولهَا حِين يصبح فَيَأْتِي عَلَيْهِ قدر قبل أَن يُمْسِي إِلَّا وَجَبت لَهُ الْجنَّة
وَلَيْسَ لشداد فِي البُخَارِيّ غير هَذَا الحَدِيث وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَابْن حبَان وَالْحَاكِم من حَدِيث بُرَيْدَة رَضِي الله عَنهُ
أَبُوء بباء مُوَحدَة مَضْمُومَة وهمزة بعد الْوَاو ممدودا مَعْنَاهُ أقرّ وأعترف
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ কালিমাগুলোর প্রতিটি শব্দে শব্দে আবদিয়তের অভিব্যক্তি ঘটেছে বলেই যে এর অনন্য মর্যাদা, তা বলাই বাহুল্য। সর্বপ্রথম আরয করা হয়েছে:
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ
“হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব বা প্রতিপালক। তুমি ব্যতীত কোন মালিক ও মা'বুদ নেই। তুমিই আমাকে অস্তিত্ব দান করেছো। আর আমি তোমারই বান্দা।"
وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ
"আমি ঈমান আনয়ন করে তোমার সাথে আনুগত্যের যে ওয়াদা-অঙ্গীকার করেছি, আমার সাধ্য অনুসারে আমি তার উপর কায়েম থাকার চেষ্টা করবো।" এটা বান্দার পক্ষ থেকে তার দীনতা-হীনতা-দুর্বলতার স্বীকারোক্তি। সাথে সাথে ঈমানী ওয়াদা-অঙ্গীকারের নবায়নও বটে। তারপর আরয করা হয়েছে:
أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ
"আমার দ্বারা যে খাতা-কসুর, ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে এবং আগামীতে হবে, সেগুলোর অনিষ্ট থেকে হে আমার মালিক ও মওলা, তোমারই আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" এতে নিজ ত্রুটি-বিচ্যুতির স্বীকারোক্তির সাথে সাথে আল্লাহর দরবারে আশ্রয় প্রার্থনাও রয়েছে। তারপর বলা হয়েছে:
أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِيْ
"আমি আমার প্রতি তোমার যে এনাম-এহসান, উপকার ও দয়া, সেগুলোর কথা সাথে সাথে আমার নিজের অপরাধী হওয়ার কথা অকুণ্ঠচিত্তে অকপটে স্বীকার করছি।"
সর্বশেষে দরখাস্তঃ
فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
“হে আমার মালিক ও মওলা! তুমি তোমার রহম ও করমে আমার গুনাহগুলো মার্জনা করে দাও! কেননা, আমার গুনাহসমূহ মাফ করবে, তুমি ছাড়া এমন যে আর কেউই নেই। কেবল তুমিই আমাকে মার্জনা করতে পার।"
সত্য কথা হলো, যে ঈমানদার বান্দার এতটুকু মা'রিফত ও প্রজ্ঞা থাকবে যে, তার আলোকে সে তার নিজের ও নিজ আমলের হাকীকত উপলব্ধি করতে পারে, সাথে সাথে আল্লাহ তা'আলার আযমত ও জালালত তথা মাহাত্ম্য এবং তাঁর হকসমূহও সে জানে, সে ব্যক্তি কেবল নিজেকে অপরাধী ও গুনাহগারই মনে করবে এবং পুণ্যের সঞ্চয় যে তার একান্তই কম, এ ব্যাপারে সে রিক্তহস্ত, এ চেতনাটুকুও তার থাকবে। তারপর তার দেলের আওয়ায এবং আল্লাহ তা'আলার হুযুরে তার আকৃতি তাই হবে, যার অভিব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শিক্ষা দেওয়া এ ইস্তিগফারের দু'আয় ঘটেছে। এ বৈশিষ্ট্যের জন্যেই একে 'সাইয়েদুল ইস্তিগফার' বা ক্ষমা প্রার্থনার সেরা দু'আ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর এ হাদীসটি পৌঁছে যাওয়ার পর তাঁর প্রতি ঈমান পোষণকারী প্রতিটি উম্মতির উচিত হলো এর জন্যে যত্নবান হওয়া এবং কমপক্ষে প্রতিদিনে ও রাতে একবার সাচ্চা দেলে আল্লাহ তা'আলার দরবারে এ ইস্তিগফার করা। আল্লাহ তা'আলার রহমত হোক আমাদের উস্তাদ হযরত মওলানা সিরাজ আহমদ সাহেব রশীদপুরী (র)-এর প্রতি, আজ থেকে ৪৫ বছর পূর্বে১ দারুল উলুম দেওবন্দে মিশকাত শরীফের দরস দানকালে যখন ক্লাসে এ হাদীসটি পড়ান, তখন তিনি ক্লাসের সকল ছাত্রকে এটি মুখস্থ করার তাগিদ দেন এবং পরদিন সকলের মুখে মুখস্থ তা শুনবেন বলেও বলে দেন। সত্যি সত্যি পরের দিন প্রায় সকল ছাত্রের মুখ থেকেই তিনি তা শুনেও ছিলেন। তিনি তখন প্রতি দিনে ও প্রতি রাতে অন্তত একবার করে তা অবশ্যই পাঠ করার জন্যে ওসিয়ত করেছিলেন।
টিকা ১. এ বক্তব্যটি ১৯৬৯ সালে লিখিত, মানে আজ ১৯৯৬ সাল থেকে প্রায় ৭০ বৎসর পূর্বেকার কথা। অনুবাদক।
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ
“হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব বা প্রতিপালক। তুমি ব্যতীত কোন মালিক ও মা'বুদ নেই। তুমিই আমাকে অস্তিত্ব দান করেছো। আর আমি তোমারই বান্দা।"
وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ
"আমি ঈমান আনয়ন করে তোমার সাথে আনুগত্যের যে ওয়াদা-অঙ্গীকার করেছি, আমার সাধ্য অনুসারে আমি তার উপর কায়েম থাকার চেষ্টা করবো।" এটা বান্দার পক্ষ থেকে তার দীনতা-হীনতা-দুর্বলতার স্বীকারোক্তি। সাথে সাথে ঈমানী ওয়াদা-অঙ্গীকারের নবায়নও বটে। তারপর আরয করা হয়েছে:
أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ
"আমার দ্বারা যে খাতা-কসুর, ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে এবং আগামীতে হবে, সেগুলোর অনিষ্ট থেকে হে আমার মালিক ও মওলা, তোমারই আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" এতে নিজ ত্রুটি-বিচ্যুতির স্বীকারোক্তির সাথে সাথে আল্লাহর দরবারে আশ্রয় প্রার্থনাও রয়েছে। তারপর বলা হয়েছে:
أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِيْ
"আমি আমার প্রতি তোমার যে এনাম-এহসান, উপকার ও দয়া, সেগুলোর কথা সাথে সাথে আমার নিজের অপরাধী হওয়ার কথা অকুণ্ঠচিত্তে অকপটে স্বীকার করছি।"
সর্বশেষে দরখাস্তঃ
فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
“হে আমার মালিক ও মওলা! তুমি তোমার রহম ও করমে আমার গুনাহগুলো মার্জনা করে দাও! কেননা, আমার গুনাহসমূহ মাফ করবে, তুমি ছাড়া এমন যে আর কেউই নেই। কেবল তুমিই আমাকে মার্জনা করতে পার।"
সত্য কথা হলো, যে ঈমানদার বান্দার এতটুকু মা'রিফত ও প্রজ্ঞা থাকবে যে, তার আলোকে সে তার নিজের ও নিজ আমলের হাকীকত উপলব্ধি করতে পারে, সাথে সাথে আল্লাহ তা'আলার আযমত ও জালালত তথা মাহাত্ম্য এবং তাঁর হকসমূহও সে জানে, সে ব্যক্তি কেবল নিজেকে অপরাধী ও গুনাহগারই মনে করবে এবং পুণ্যের সঞ্চয় যে তার একান্তই কম, এ ব্যাপারে সে রিক্তহস্ত, এ চেতনাটুকুও তার থাকবে। তারপর তার দেলের আওয়ায এবং আল্লাহ তা'আলার হুযুরে তার আকৃতি তাই হবে, যার অভিব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শিক্ষা দেওয়া এ ইস্তিগফারের দু'আয় ঘটেছে। এ বৈশিষ্ট্যের জন্যেই একে 'সাইয়েদুল ইস্তিগফার' বা ক্ষমা প্রার্থনার সেরা দু'আ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর এ হাদীসটি পৌঁছে যাওয়ার পর তাঁর প্রতি ঈমান পোষণকারী প্রতিটি উম্মতির উচিত হলো এর জন্যে যত্নবান হওয়া এবং কমপক্ষে প্রতিদিনে ও রাতে একবার সাচ্চা দেলে আল্লাহ তা'আলার দরবারে এ ইস্তিগফার করা। আল্লাহ তা'আলার রহমত হোক আমাদের উস্তাদ হযরত মওলানা সিরাজ আহমদ সাহেব রশীদপুরী (র)-এর প্রতি, আজ থেকে ৪৫ বছর পূর্বে১ দারুল উলুম দেওবন্দে মিশকাত শরীফের দরস দানকালে যখন ক্লাসে এ হাদীসটি পড়ান, তখন তিনি ক্লাসের সকল ছাত্রকে এটি মুখস্থ করার তাগিদ দেন এবং পরদিন সকলের মুখে মুখস্থ তা শুনবেন বলেও বলে দেন। সত্যি সত্যি পরের দিন প্রায় সকল ছাত্রের মুখ থেকেই তিনি তা শুনেও ছিলেন। তিনি তখন প্রতি দিনে ও প্রতি রাতে অন্তত একবার করে তা অবশ্যই পাঠ করার জন্যে ওসিয়ত করেছিলেন।
টিকা ১. এ বক্তব্যটি ১৯৬৯ সালে লিখিত, মানে আজ ১৯৯৬ সাল থেকে প্রায় ৭০ বৎসর পূর্বেকার কথা। অনুবাদক।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: