আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
হাদীস নং: ৪০২২
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
অধ্যায়: শিষ্টাচার ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়।
লজ্জাশীলতা অবলম্বনের প্রতি অনুপ্রেরণা ও তার ফযীলত এবং অশ্লীলতা ও নিরর্থক কথা বলার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
লজ্জাশীলতা অবলম্বনের প্রতি অনুপ্রেরণা ও তার ফযীলত এবং অশ্লীলতা ও নিরর্থক কথা বলার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪০২২. হযরত ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন: লজ্জা ও ঈমান পরম্পর অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। যখন দু'টোর একটি চলে যায়, তখন অপরটিও চলে যায়।
(হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) আরো বলেন: হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী বিশুদ্ধ এবং তাবারানীর সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত।)
(হাকিম বর্ণিত। ইমাম হাকিম (র) আরো বলেন: হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী বিশুদ্ধ এবং তাবারানীর সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত।)
كتاب الأدب
كتاب الْأَدَب وَغَيره
التَّرْغِيب فِي الْحيَاء وَمَا جَاءَ فِي فَضله والترهيب من الْفُحْش وَالْبذَاء
التَّرْغِيب فِي الْحيَاء وَمَا جَاءَ فِي فَضله والترهيب من الْفُحْش وَالْبذَاء
4022- وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم الْحيَاء وَالْإِيمَان قرناء جَمِيعًا فَإِذا رفع أَحدهمَا رفع الآخر
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط الشَّيْخَيْنِ وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط من حَدِيث ابْن عَبَّاس
رَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط الشَّيْخَيْنِ وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط من حَدِيث ابْن عَبَّاس
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হায়া বা লজ্জা ও ঈমান ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। একটি ছাড়া অপরটির কল্পনা করা যায় না। একের উন্নতি অপরটির উন্নতি এবং যে কোন একটির অবনতি অপরটির অবনতি। ঈমানের বিকাশ ও উন্নতি ছাড়া হায়ার বিকাশ ও উন্নতি করা সম্ভব নয় এবং হায়ার উন্নতি ও বিকাশ ছাড়া ঈমানের বিকাশ ও উন্নতি করা সম্ভব নয়। অনুরূপভাবে ঈমানের অবনতি হায়ার অবনতি এবং হায়ার অবনতি ঈমানের অবনতি। ঈমানের অভাব হায়াকে এবং হায়ার অভাব ঈমানকে বরবাদ করে।
যখন কোন ব্যক্তি, দল বা জাতি ঈমানের পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তারা হায়ার অমূল্য সম্পদ থেকে বঞ্চিত হয়। যখন কোন ব্যক্তি বা জাতি বেহায়াপনা করে, অশ্লীল কাজকর্মে নিজেকে লিপ্ত করে, তখন সে ব্যক্তি বা জাতি ঈমানের নূর ও দৌলত থেকে বঞ্চিত হয়। বান্দা যত বেশি হায়া করে, আল্লাহকে লজ্জা করে, তত বেশি সৎকর্ম করতে পারে। বান্দা যত বেশি দুষ্কর্ম করে, তার হায়া তত বেশি লোপ পায়।
যখন কোন ব্যক্তি, দল বা জাতি ঈমানের পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তারা হায়ার অমূল্য সম্পদ থেকে বঞ্চিত হয়। যখন কোন ব্যক্তি বা জাতি বেহায়াপনা করে, অশ্লীল কাজকর্মে নিজেকে লিপ্ত করে, তখন সে ব্যক্তি বা জাতি ঈমানের নূর ও দৌলত থেকে বঞ্চিত হয়। বান্দা যত বেশি হায়া করে, আল্লাহকে লজ্জা করে, তত বেশি সৎকর্ম করতে পারে। বান্দা যত বেশি দুষ্কর্ম করে, তার হায়া তত বেশি লোপ পায়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)